হবিগঞ্জ ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাট থানার পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ Logo চুনারুঘাট থানা পুলিশের অভিযানে চোরাই টমটম ব্যাটারিসহ গাড়ী উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২ Logo মাধবপুরে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক Logo মাধবপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ ও গাঁজাসহ আটক-১ Logo প্রকৃতির প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে : মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক Logo জগদীশপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের হলেন আরজু মেম্বার Logo বাহুবল হাসপাতালের বাবুর্চির বিরুদ্ধে রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে নিরীহ এক ব্যক্তিকে মারধোরের অভিযোগ Logo আনন্দঘন পরিবেশ এসএসসি ৯১-ব্যাচ সিলেটের মিলনমেলা সম্পন্ন Logo শাহাজিবাজার রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কারের দাবিতে ইয়্যূথ সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের মানববন্ধন Logo চুনারঘাট প্রবাসী সামাজিক সংগঠনের সাটিয়াজুরী ইউনিয়ন কমিটি গঠন

চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা ফারুককে খুঁজছে পুলিশ ॥ দুই চোর জেল হাজতে প্রেরণ

সম্প্রতি সময়ে চুনারুঘাট উপজেলায় বেশ কয়েকজনের মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। চুরি ঘটনায় থানায় অনেকেই জিডি এন্ট্রি দায়ের করেছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় উপজেলার কাচুয়া বাজারে টিসিবি পণ্য বন্টণকালে বাজারের ব্যবসায়ী রফিক মিয়ার দোকানের সামন থেকে লাল মিয়া মেম্বারের হিরো গ্লামার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে যায়। এরই প্রেেিত চুনারুঘাট থানা পুলিশ অভিযানে মাঠে নামে। গত শনিবার রাতে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ব্রাহ্মণগাও থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। সাইকেলটি চুরির সাথে জড়িত মোটরসাইকেল চোর চক্রের ২ সদস্য বাপ্পি উসমান (২৪) ও কাওছার মিয়ার (৩৫) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাইকেলটি উদ্ধার করেন চুনারুঘাট থানার ওসি তদন্ত চম্পক দাম এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এর আগে বিষয়ে তিনি চুনারুঘাট উপজেলার কালিচুং গ্রামের মৃত ছিদ্দিক আলীর পুত্র কাওছার মিয়াকে অভিযুক্ত করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।
পুলিশ কাউছারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কাউছার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। এরই প্রেক্ষিতে রাজাপুর গ্রামের মৃত চেরাগ আলীর পুত্র ফারুক মিয়া এবং নোয়াবাদ গ্রামের আনোয়ার মিয়ার পুত্র বাপ্পি উসমানও জড়িত বলে জানায়। পুলিশ বাপ্পিকেও গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। চোর চক্রের মূল হোতা ফারুক এখনও পলাতক রয়েছে। ফারুক মূলত চোরাই সাইকেল পাচার কাজ করে এবং বিভিন্ন এলাকার আন্তজেলার চোরের সাথে সাইকেল বিক্রি করে।
সূত্র জানায়, মোটরসাইকেল চোর চক্রটি হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে দেশের বিভিন্ন দূরবর্তী এলাকায় পাঠিয়ে দেয়৷ পরবর্তীতে চোর চক্রটি চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রি করে।
চুরি ঘটনায় দেওরগাও ইউপি সদস্য লাল মিয়া বাদী হয়ে তিন জনকে আসামি করে চুনারুঘাট একটি থানায় মামলা করেন।

প্রসঙ্গ, বাপ্পি ও উসমানের বিরুদ্ধে গাছ চুরি, মাদক মামলা সহ নানান অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। ফারুক এর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। সে বিভিন্ন বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চারিপাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাট থানার পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা ফারুককে খুঁজছে পুলিশ ॥ দুই চোর জেল হাজতে প্রেরণ

আপডেট সময় ১১:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২

সম্প্রতি সময়ে চুনারুঘাট উপজেলায় বেশ কয়েকজনের মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। চুরি ঘটনায় থানায় অনেকেই জিডি এন্ট্রি দায়ের করেছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় উপজেলার কাচুয়া বাজারে টিসিবি পণ্য বন্টণকালে বাজারের ব্যবসায়ী রফিক মিয়ার দোকানের সামন থেকে লাল মিয়া মেম্বারের হিরো গ্লামার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে যায়। এরই প্রেেিত চুনারুঘাট থানা পুলিশ অভিযানে মাঠে নামে। গত শনিবার রাতে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ব্রাহ্মণগাও থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। সাইকেলটি চুরির সাথে জড়িত মোটরসাইকেল চোর চক্রের ২ সদস্য বাপ্পি উসমান (২৪) ও কাওছার মিয়ার (৩৫) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাইকেলটি উদ্ধার করেন চুনারুঘাট থানার ওসি তদন্ত চম্পক দাম এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এর আগে বিষয়ে তিনি চুনারুঘাট উপজেলার কালিচুং গ্রামের মৃত ছিদ্দিক আলীর পুত্র কাওছার মিয়াকে অভিযুক্ত করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।
পুলিশ কাউছারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কাউছার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। এরই প্রেক্ষিতে রাজাপুর গ্রামের মৃত চেরাগ আলীর পুত্র ফারুক মিয়া এবং নোয়াবাদ গ্রামের আনোয়ার মিয়ার পুত্র বাপ্পি উসমানও জড়িত বলে জানায়। পুলিশ বাপ্পিকেও গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। চোর চক্রের মূল হোতা ফারুক এখনও পলাতক রয়েছে। ফারুক মূলত চোরাই সাইকেল পাচার কাজ করে এবং বিভিন্ন এলাকার আন্তজেলার চোরের সাথে সাইকেল বিক্রি করে।
সূত্র জানায়, মোটরসাইকেল চোর চক্রটি হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে দেশের বিভিন্ন দূরবর্তী এলাকায় পাঠিয়ে দেয়৷ পরবর্তীতে চোর চক্রটি চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রি করে।
চুরি ঘটনায় দেওরগাও ইউপি সদস্য লাল মিয়া বাদী হয়ে তিন জনকে আসামি করে চুনারুঘাট একটি থানায় মামলা করেন।

প্রসঙ্গ, বাপ্পি ও উসমানের বিরুদ্ধে গাছ চুরি, মাদক মামলা সহ নানান অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। ফারুক এর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। সে বিভিন্ন বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।