হবিগঞ্জ ১২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের রাজারবাজার বালু মহালের রাজস্ব জমা ছাড়াই বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত Logo চুনারুঘাটের রাণীগাঁও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র সংস্কার ও জনবল নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন Logo চুনারুঘাটে বেড়েছে লোডশেডিং, জনজীবনে চরম ভোগান্তি: এমপির হস্তক্ষেপ চান এনসিপি নেতা তারেক Logo হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে দুই সংসদ সদস্য মনোনীত Logo হবিগঞ্জ বার নির্বাচনে বিজয়ী মঞ্জুর উদ্দিন সভাপতি, মাসুদ করিম সম্পাদক Logo চুনারুঘাটে সমতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফরম ও পাশবই বিতরণ Logo চুনারুঘাটে রাহী ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা ছাড়াই বালু বিক্রির অভিযোগ, ৫ ট্রাক জব্দ Logo চুনারুঘাটে ঘন ঘন ইউএনও বদলি: সেবায় ভোগান্তিতে উপজেলাবাসী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদে ঝড় Logo চুনারুঘাটে সালাম স্টীল গ্রুপ ও একে করপোরেশনের উদ্যোগে নির্মাণ শিল্পীদের মিলন মেলা Logo চুনারুঘাটে ঝড়ের মৌসুমে বিদ্যুৎ দুর্ঘটনা রোধে সতর্কতা জারি, জরুরি নম্বর প্রকাশ করল বিদ্যুৎ বিভাগ

নির্মাণ শেষের আগেই ২ বার ধসে পড়লো মডেল মসজিদের ছাদ

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদের ছাদ নির্মাণকালে শেষের দুইবার ধসে পড়েছে। গতকাল শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে দ্বিতীয়বার এ ধ্বসে ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে সরকারি একটি পুকুরের উপর নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের কাজ করছে এসএসএল অ্যান্ড আলী (জেভি) নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে মসজিদটি নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে দুই দুইবার ছাদ ধসে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, দেশের অন্যান্য এলাকায় মসজিদের কাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ করা হয়ে গেছে। অথচ বানিয়াচংয়ে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কচ্ছপ গতিতে চলছে কাজ। ইতিমধ্যে দুইবার ছাদ ধসে পড়েছে। এ যেনো দেখার যেনো কেউই নেই।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে জলাশয়ের উপর কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করা আইনসিদ্ধ নয়। এখানে কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে। একটি জলাশয় পরিবেশের ভারসাম্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, পুকুরের উপর এই মসজিদ নির্মাণ এবং বারবার ছাদ ধসে পড়ার কারণে ভবিষ্যতে মুসল্লিরা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন।

‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, যখন ছাদ আগেও ধসে পড়ে আমি ডিসি স্যারকে জানিয়েছি গতকাল দ্বিতীয় দফায় ছাদ ধসে পড়ার খবর স্যারকে জানিয়েছি।

অনিয়মের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই কাজের তদারকি করছেন পিডব্লিউও। এটা তারা দেখভাল করবেন। জলাশয়ের মাঝে স্থাপনা আইনসিদ্ধ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটাতো আগের কর্তৃপক্ষ আইন মেনে করেছেন। এটা আমার মন্তব্যের মধ্যে পড়ে না।

আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটের রাজারবাজার বালু মহালের রাজস্ব জমা ছাড়াই বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত

নির্মাণ শেষের আগেই ২ বার ধসে পড়লো মডেল মসজিদের ছাদ

আপডেট সময় ০৫:২৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদের ছাদ নির্মাণকালে শেষের দুইবার ধসে পড়েছে। গতকাল শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে দ্বিতীয়বার এ ধ্বসে ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে সরকারি একটি পুকুরের উপর নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের কাজ করছে এসএসএল অ্যান্ড আলী (জেভি) নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে মসজিদটি নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে দুই দুইবার ছাদ ধসে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, দেশের অন্যান্য এলাকায় মসজিদের কাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ করা হয়ে গেছে। অথচ বানিয়াচংয়ে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কচ্ছপ গতিতে চলছে কাজ। ইতিমধ্যে দুইবার ছাদ ধসে পড়েছে। এ যেনো দেখার যেনো কেউই নেই।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে জলাশয়ের উপর কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করা আইনসিদ্ধ নয়। এখানে কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে। একটি জলাশয় পরিবেশের ভারসাম্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, পুকুরের উপর এই মসজিদ নির্মাণ এবং বারবার ছাদ ধসে পড়ার কারণে ভবিষ্যতে মুসল্লিরা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন।

‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, যখন ছাদ আগেও ধসে পড়ে আমি ডিসি স্যারকে জানিয়েছি গতকাল দ্বিতীয় দফায় ছাদ ধসে পড়ার খবর স্যারকে জানিয়েছি।

অনিয়মের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই কাজের তদারকি করছেন পিডব্লিউও। এটা তারা দেখভাল করবেন। জলাশয়ের মাঝে স্থাপনা আইনসিদ্ধ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটাতো আগের কর্তৃপক্ষ আইন মেনে করেছেন। এটা আমার মন্তব্যের মধ্যে পড়ে না।