হবিগঞ্জ ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ Logo চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু Logo সহপরিবারে ওমরাহ হজ্বে গেলেন চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী জহির আহমেদ Logo চুনারুঘাটে বৃহস্পতিবার নাশিদ সন্ধ্যা, অংশ নেবেন জনপ্রিয় শিল্পী ও ক্বারী Logo হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন Logo এক রাতে পাশাপাশি ৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সার্কেল এএসপি Logo মিরাশী ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল মনাফ মিয়া

চুনারুঘাটে নিজ বসত ভিটা বিক্রির জেরে ভাইকে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা

চুনারুঘাটে বসত বাড়ি বিক্রির জেরে নুরুল হক (৫০) কে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত নুরুল হক ওই গ্রামের মৃত নিম্বর আলীর ছেলে।

আহত নুরুল হকের স্ত্রী আজমনা খাতুন জানান, তার নিজের বিক্রি করা বসত বাড়ি ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হঠাৎ করে নুরুল হকের দুই ভাই শামসুল হক (৪৮), আঃ হক (৬০), ভাতিজা ওয়াসিম (২২) রাকিব (২৫), চাচাতো ভাই সিরাজ (৪০) সহ আরও কয়েকজন নুরুল হকের উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের হামলা চালায়। হামলাকারীরা দেশী অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের মাথা সহ শরীর একাধিক জখম হলে নুরুল হক অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন তাকে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন। নুরুল হক বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নুরুল হকের চার জন কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের বিয়ে দিতে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ঋণের চাপে তিনি বাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাইদের কাছে যান। তখন কেহই বাড়ি কিনতে রাজি হননি। বিষয়টি স্থানীয় মুরুব্বিয়ান ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ অবগত। কিন্তু
সহোদর ভাইয়েরা বাড়ি কিনতে রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নুরুল হক তার চাচাতো ভাই আঃ মজিদের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে রেজিস্ট্রি করে দেন। এর আগে বিক্রিত বাড়িটি মজিদকে দখল না দিতে বলেছিলেন শামসুল হক। কিন্ত নুরুল হক তার কথা শুনে নি।
বাড়ির ক্রেতা আঃ মজিদ বলেন, বাড়িটি কেনার আগে তিনি শামসুল হক ও তার ভাই আঃ হককে জিজ্ঞেস করেছেন। তারা কোনো আপত্তি করেন নি। বাড়ি সমজে নেওয়ার সময় এ হামলায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন।
নুরুল হকের চাচা ইরফান আলী বলেন, বাড়ি বিক্রির আগে নুরুল হক তার ভাইদের জিজ্ঞেস করে বিক্রি করেছেন।
শামসুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে চাননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

চুনারুঘাটে নিজ বসত ভিটা বিক্রির জেরে ভাইকে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা

আপডেট সময় ১০:৩৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২

চুনারুঘাটে বসত বাড়ি বিক্রির জেরে নুরুল হক (৫০) কে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত নুরুল হক ওই গ্রামের মৃত নিম্বর আলীর ছেলে।

আহত নুরুল হকের স্ত্রী আজমনা খাতুন জানান, তার নিজের বিক্রি করা বসত বাড়ি ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হঠাৎ করে নুরুল হকের দুই ভাই শামসুল হক (৪৮), আঃ হক (৬০), ভাতিজা ওয়াসিম (২২) রাকিব (২৫), চাচাতো ভাই সিরাজ (৪০) সহ আরও কয়েকজন নুরুল হকের উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের হামলা চালায়। হামলাকারীরা দেশী অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের মাথা সহ শরীর একাধিক জখম হলে নুরুল হক অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন তাকে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন। নুরুল হক বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নুরুল হকের চার জন কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের বিয়ে দিতে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ঋণের চাপে তিনি বাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাইদের কাছে যান। তখন কেহই বাড়ি কিনতে রাজি হননি। বিষয়টি স্থানীয় মুরুব্বিয়ান ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ অবগত। কিন্তু
সহোদর ভাইয়েরা বাড়ি কিনতে রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নুরুল হক তার চাচাতো ভাই আঃ মজিদের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে রেজিস্ট্রি করে দেন। এর আগে বিক্রিত বাড়িটি মজিদকে দখল না দিতে বলেছিলেন শামসুল হক। কিন্ত নুরুল হক তার কথা শুনে নি।
বাড়ির ক্রেতা আঃ মজিদ বলেন, বাড়িটি কেনার আগে তিনি শামসুল হক ও তার ভাই আঃ হককে জিজ্ঞেস করেছেন। তারা কোনো আপত্তি করেন নি। বাড়ি সমজে নেওয়ার সময় এ হামলায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন।
নুরুল হকের চাচা ইরফান আলী বলেন, বাড়ি বিক্রির আগে নুরুল হক তার ভাইদের জিজ্ঞেস করে বিক্রি করেছেন।
শামসুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে চাননি।