হবিগঞ্জ ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের রাজারবাজার বালু মহালের রাজস্ব জমা ছাড়াই বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত Logo চুনারুঘাটের রাণীগাঁও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র সংস্কার ও জনবল নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন Logo চুনারুঘাটে বেড়েছে লোডশেডিং, জনজীবনে চরম ভোগান্তি: এমপির হস্তক্ষেপ চান এনসিপি নেতা তারেক Logo হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে দুই সংসদ সদস্য মনোনীত Logo হবিগঞ্জ বার নির্বাচনে বিজয়ী মঞ্জুর উদ্দিন সভাপতি, মাসুদ করিম সম্পাদক Logo চুনারুঘাটে সমতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফরম ও পাশবই বিতরণ Logo চুনারুঘাটে রাহী ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা ছাড়াই বালু বিক্রির অভিযোগ, ৫ ট্রাক জব্দ Logo চুনারুঘাটে ঘন ঘন ইউএনও বদলি: সেবায় ভোগান্তিতে উপজেলাবাসী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদে ঝড় Logo চুনারুঘাটে সালাম স্টীল গ্রুপ ও একে করপোরেশনের উদ্যোগে নির্মাণ শিল্পীদের মিলন মেলা Logo চুনারুঘাটে ঝড়ের মৌসুমে বিদ্যুৎ দুর্ঘটনা রোধে সতর্কতা জারি, জরুরি নম্বর প্রকাশ করল বিদ্যুৎ বিভাগ

চুনারুঘাটে নিজ বসত ভিটা বিক্রির জেরে ভাইকে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা

চুনারুঘাটে বসত বাড়ি বিক্রির জেরে নুরুল হক (৫০) কে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত নুরুল হক ওই গ্রামের মৃত নিম্বর আলীর ছেলে।

আহত নুরুল হকের স্ত্রী আজমনা খাতুন জানান, তার নিজের বিক্রি করা বসত বাড়ি ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হঠাৎ করে নুরুল হকের দুই ভাই শামসুল হক (৪৮), আঃ হক (৬০), ভাতিজা ওয়াসিম (২২) রাকিব (২৫), চাচাতো ভাই সিরাজ (৪০) সহ আরও কয়েকজন নুরুল হকের উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের হামলা চালায়। হামলাকারীরা দেশী অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের মাথা সহ শরীর একাধিক জখম হলে নুরুল হক অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন তাকে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন। নুরুল হক বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নুরুল হকের চার জন কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের বিয়ে দিতে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ঋণের চাপে তিনি বাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাইদের কাছে যান। তখন কেহই বাড়ি কিনতে রাজি হননি। বিষয়টি স্থানীয় মুরুব্বিয়ান ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ অবগত। কিন্তু
সহোদর ভাইয়েরা বাড়ি কিনতে রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নুরুল হক তার চাচাতো ভাই আঃ মজিদের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে রেজিস্ট্রি করে দেন। এর আগে বিক্রিত বাড়িটি মজিদকে দখল না দিতে বলেছিলেন শামসুল হক। কিন্ত নুরুল হক তার কথা শুনে নি।
বাড়ির ক্রেতা আঃ মজিদ বলেন, বাড়িটি কেনার আগে তিনি শামসুল হক ও তার ভাই আঃ হককে জিজ্ঞেস করেছেন। তারা কোনো আপত্তি করেন নি। বাড়ি সমজে নেওয়ার সময় এ হামলায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন।
নুরুল হকের চাচা ইরফান আলী বলেন, বাড়ি বিক্রির আগে নুরুল হক তার ভাইদের জিজ্ঞেস করে বিক্রি করেছেন।
শামসুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে চাননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটের রাজারবাজার বালু মহালের রাজস্ব জমা ছাড়াই বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত

চুনারুঘাটে নিজ বসত ভিটা বিক্রির জেরে ভাইকে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা

আপডেট সময় ১০:৩৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২

চুনারুঘাটে বসত বাড়ি বিক্রির জেরে নুরুল হক (৫০) কে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত নুরুল হক ওই গ্রামের মৃত নিম্বর আলীর ছেলে।

আহত নুরুল হকের স্ত্রী আজমনা খাতুন জানান, তার নিজের বিক্রি করা বসত বাড়ি ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হঠাৎ করে নুরুল হকের দুই ভাই শামসুল হক (৪৮), আঃ হক (৬০), ভাতিজা ওয়াসিম (২২) রাকিব (২৫), চাচাতো ভাই সিরাজ (৪০) সহ আরও কয়েকজন নুরুল হকের উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের হামলা চালায়। হামলাকারীরা দেশী অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের মাথা সহ শরীর একাধিক জখম হলে নুরুল হক অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন তাকে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন। নুরুল হক বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নুরুল হকের চার জন কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের বিয়ে দিতে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ঋণের চাপে তিনি বাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাইদের কাছে যান। তখন কেহই বাড়ি কিনতে রাজি হননি। বিষয়টি স্থানীয় মুরুব্বিয়ান ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ অবগত। কিন্তু
সহোদর ভাইয়েরা বাড়ি কিনতে রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নুরুল হক তার চাচাতো ভাই আঃ মজিদের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে রেজিস্ট্রি করে দেন। এর আগে বিক্রিত বাড়িটি মজিদকে দখল না দিতে বলেছিলেন শামসুল হক। কিন্ত নুরুল হক তার কথা শুনে নি।
বাড়ির ক্রেতা আঃ মজিদ বলেন, বাড়িটি কেনার আগে তিনি শামসুল হক ও তার ভাই আঃ হককে জিজ্ঞেস করেছেন। তারা কোনো আপত্তি করেন নি। বাড়ি সমজে নেওয়ার সময় এ হামলায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন।
নুরুল হকের চাচা ইরফান আলী বলেন, বাড়ি বিক্রির আগে নুরুল হক তার ভাইদের জিজ্ঞেস করে বিক্রি করেছেন।
শামসুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে চাননি।