হবিগঞ্জ ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ডিসিপি হাইস্কুল মসজিদ নির্মাণে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান Logo চুনারুঘাটে ট্রান্সফরমার চুরির মালামালসহ চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার Logo চুনারুঘাটের কাচুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সততা স্টোর’-এর শুভ উদ্বোধন Logo চুনারুঘাটে বিজিবির বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, ২০০ জনকে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ বিতরণ Logo চুনারুঘাটে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের কৃষকদের নিয়ে কর্মশালা Logo ৩০ শিশুকে বাঁচাতে সাপের সঙ্গে লড়াই করে প্রাণ দিল কুকুর Logo যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের পাকিস্তান সফর বাতিল করলেন ট্রাম্প Logo চুনারুঘাটে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক চোর Logo শাহজিবাজার গ্রিডে উন্নয়ন কাজ: শুক্রবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না হবিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় Logo দুই কি: মি: বাইপাস সড়কের অভাবে চুনারুঘাট পৌরশহরে তীব্র যানজট, চরম দুর্ভোগে জনজীবন

চুনারুঘাটে নিজ বসত ভিটা বিক্রির জেরে ভাইকে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা

চুনারুঘাটে বসত বাড়ি বিক্রির জেরে নুরুল হক (৫০) কে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত নুরুল হক ওই গ্রামের মৃত নিম্বর আলীর ছেলে।

আহত নুরুল হকের স্ত্রী আজমনা খাতুন জানান, তার নিজের বিক্রি করা বসত বাড়ি ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হঠাৎ করে নুরুল হকের দুই ভাই শামসুল হক (৪৮), আঃ হক (৬০), ভাতিজা ওয়াসিম (২২) রাকিব (২৫), চাচাতো ভাই সিরাজ (৪০) সহ আরও কয়েকজন নুরুল হকের উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের হামলা চালায়। হামলাকারীরা দেশী অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের মাথা সহ শরীর একাধিক জখম হলে নুরুল হক অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন তাকে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন। নুরুল হক বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নুরুল হকের চার জন কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের বিয়ে দিতে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ঋণের চাপে তিনি বাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাইদের কাছে যান। তখন কেহই বাড়ি কিনতে রাজি হননি। বিষয়টি স্থানীয় মুরুব্বিয়ান ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ অবগত। কিন্তু
সহোদর ভাইয়েরা বাড়ি কিনতে রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নুরুল হক তার চাচাতো ভাই আঃ মজিদের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে রেজিস্ট্রি করে দেন। এর আগে বিক্রিত বাড়িটি মজিদকে দখল না দিতে বলেছিলেন শামসুল হক। কিন্ত নুরুল হক তার কথা শুনে নি।
বাড়ির ক্রেতা আঃ মজিদ বলেন, বাড়িটি কেনার আগে তিনি শামসুল হক ও তার ভাই আঃ হককে জিজ্ঞেস করেছেন। তারা কোনো আপত্তি করেন নি। বাড়ি সমজে নেওয়ার সময় এ হামলায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন।
নুরুল হকের চাচা ইরফান আলী বলেন, বাড়ি বিক্রির আগে নুরুল হক তার ভাইদের জিজ্ঞেস করে বিক্রি করেছেন।
শামসুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে চাননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসিপি হাইস্কুল মসজিদ নির্মাণে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান

চুনারুঘাটে নিজ বসত ভিটা বিক্রির জেরে ভাইকে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা

আপডেট সময় ১০:৩৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২

চুনারুঘাটে বসত বাড়ি বিক্রির জেরে নুরুল হক (৫০) কে পিটিয়ে আহত করেছে তারই সহোদর ভাইসহ দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত নুরুল হক ওই গ্রামের মৃত নিম্বর আলীর ছেলে।

আহত নুরুল হকের স্ত্রী আজমনা খাতুন জানান, তার নিজের বিক্রি করা বসত বাড়ি ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হঠাৎ করে নুরুল হকের দুই ভাই শামসুল হক (৪৮), আঃ হক (৬০), ভাতিজা ওয়াসিম (২২) রাকিব (২৫), চাচাতো ভাই সিরাজ (৪০) সহ আরও কয়েকজন নুরুল হকের উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের হামলা চালায়। হামলাকারীরা দেশী অস্ত্র দিয়ে নুরুল হকের মাথা সহ শরীর একাধিক জখম হলে নুরুল হক অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন তাকে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন। নুরুল হক বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নুরুল হকের চার জন কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের বিয়ে দিতে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ঋণের চাপে তিনি বাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাইদের কাছে যান। তখন কেহই বাড়ি কিনতে রাজি হননি। বিষয়টি স্থানীয় মুরুব্বিয়ান ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ অবগত। কিন্তু
সহোদর ভাইয়েরা বাড়ি কিনতে রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নুরুল হক তার চাচাতো ভাই আঃ মজিদের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে রেজিস্ট্রি করে দেন। এর আগে বিক্রিত বাড়িটি মজিদকে দখল না দিতে বলেছিলেন শামসুল হক। কিন্ত নুরুল হক তার কথা শুনে নি।
বাড়ির ক্রেতা আঃ মজিদ বলেন, বাড়িটি কেনার আগে তিনি শামসুল হক ও তার ভাই আঃ হককে জিজ্ঞেস করেছেন। তারা কোনো আপত্তি করেন নি। বাড়ি সমজে নেওয়ার সময় এ হামলায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন।
নুরুল হকের চাচা ইরফান আলী বলেন, বাড়ি বিক্রির আগে নুরুল হক তার ভাইদের জিজ্ঞেস করে বিক্রি করেছেন।
শামসুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে চাননি।