হবিগঞ্জ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল-টমটম সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১ Logo চুনারুঘাটে ‘ইয়াবা নাটক’ সাজিয়ে গ্রেপ্তারের অভিযোগ ২ পুলিশ ক্লোজ Logo হবিগঞ্জে সেরা গুণী শিক্ষক জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আল মামুন Logo হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিবকে রাজসিক সংবর্ধনা দিলেন সৈয়দ মুশফিক আহমেদ Logo চুনারুঘাটে অবৈধ মাটি কাটায় এক্সক্যাভেটর ভাঙচুর, তেল বিক্রেতাকে জরিমানা Logo কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া Logo চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের রেইনকোট, হতদরিদ্রদের ঢেউটিন ও শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার দিলেন এমপি Logo চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা
জামিন মঞ্জর হলেও ফের জেল গেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে

চুনারুঘাটে ছাত্রলীগ নেতা মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবেও পরিচিত মখলিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার পিতা চুনারুঘাট পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুজ জাহিরকে আটক করে।

ড. মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নেমে আসে জেল, জুলুম ও নির্যাতন।

এ থেকে রেহাই পাননি আওয়ামী লীগে নেতা জাহির। তাকে গত বছরের (২৭ ডিসেম্বর) ২০২৫ সালে রাতে চুনারুঘাট পৌরসভার বাগবাড়ি গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পরে তাকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এন প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকেই সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও জেল হাজতে পাঠায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন না। আবার অনেকে বলছেন, মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে না পেরে তার পরিবারের সদস্যকে আটক করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতারের বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল-টমটম সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১

জামিন মঞ্জর হলেও ফের জেল গেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে

চুনারুঘাটে ছাত্রলীগ নেতা মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

আপডেট সময় ০৭:০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবেও পরিচিত মখলিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার পিতা চুনারুঘাট পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুজ জাহিরকে আটক করে।

ড. মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নেমে আসে জেল, জুলুম ও নির্যাতন।

এ থেকে রেহাই পাননি আওয়ামী লীগে নেতা জাহির। তাকে গত বছরের (২৭ ডিসেম্বর) ২০২৫ সালে রাতে চুনারুঘাট পৌরসভার বাগবাড়ি গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পরে তাকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এন প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকেই সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও জেল হাজতে পাঠায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন না। আবার অনেকে বলছেন, মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে না পেরে তার পরিবারের সদস্যকে আটক করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতারের বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।