হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবেও পরিচিত মখলিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার পিতা চুনারুঘাট পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুজ জাহিরকে আটক করে।
ড. মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নেমে আসে জেল, জুলুম ও নির্যাতন।
এ থেকে রেহাই পাননি আওয়ামী লীগে নেতা জাহির। তাকে গত বছরের (২৭ ডিসেম্বর) ২০২৫ সালে রাতে চুনারুঘাট পৌরসভার বাগবাড়ি গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পরে তাকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
এন প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকেই সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও জেল হাজতে পাঠায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন না। আবার অনেকে বলছেন, মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে না পেরে তার পরিবারের সদস্যকে আটক করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতারের বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
চুনারুঘাট প্রতিনিধি : 


















