হবিগঞ্জ ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু Logo হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩ Logo শায়েস্তাগঞ্জের বিশাউড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ Logo শ্রীমঙ্গলে গাতাবলা আর-রাফী মাদ্রাসার বার্ষিক শিক্ষা সফর সম্পন্ন Logo চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার Logo হবিগঞ্জের সুঘর গ্রামের বানবাসীদের মাঝে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র ত্রাণসামগ্রী বিতরণ Logo চুনারুঘাটের মেয়ে দীপ্তিতা দাশ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন
জামিন মঞ্জর হলেও ফের জেল গেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে

চুনারুঘাটে ছাত্রলীগ নেতা মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবেও পরিচিত মখলিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার পিতা চুনারুঘাট পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুজ জাহিরকে আটক করে।

ড. মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নেমে আসে জেল, জুলুম ও নির্যাতন।

এ থেকে রেহাই পাননি আওয়ামী লীগে নেতা জাহির। তাকে গত বছরের (২৭ ডিসেম্বর) ২০২৫ সালে রাতে চুনারুঘাট পৌরসভার বাগবাড়ি গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পরে তাকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এন প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকেই সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও জেল হাজতে পাঠায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন না। আবার অনেকে বলছেন, মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে না পেরে তার পরিবারের সদস্যকে আটক করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতারের বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

জামিন মঞ্জর হলেও ফের জেল গেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে

চুনারুঘাটে ছাত্রলীগ নেতা মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

আপডেট সময় ০৭:০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবেও পরিচিত মখলিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার পিতা চুনারুঘাট পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুজ জাহিরকে আটক করে।

ড. মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নেমে আসে জেল, জুলুম ও নির্যাতন।

এ থেকে রেহাই পাননি আওয়ামী লীগে নেতা জাহির। তাকে গত বছরের (২৭ ডিসেম্বর) ২০২৫ সালে রাতে চুনারুঘাট পৌরসভার বাগবাড়ি গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পরে তাকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এন প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকেই সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও জেল হাজতে পাঠায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন না। আবার অনেকে বলছেন, মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে না পেরে তার পরিবারের সদস্যকে আটক করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতারের বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।