হবিগঞ্জ ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মামা নিহত, ভাগনে আহত Logo ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়ে চুনারুঘাট পৌরসভার অভিযান অব্যাহত Logo চুনারুঘাটের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস Logo চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযানে বালুভর্তি ২ ইজিবাইক জব্দ Logo দক্ষিণাচরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন মসজিদ নির্মাণে ২০১০ ব্যাচের ৪৫ হাজার টাকা অনুদান Logo চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও ভিডিও প্রদর্শনী Logo শানখলা ইউনিয়নে উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম Logo চুনারুঘাটে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চুনারুঘাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু Logo চুনারুঘাটে প্রশাসনের জব্দকৃত সিলিকা বালু পাচারের চেষ্টা, ট্রাকচালকের ২ মাসের কারাদণ্ড
জামিন মঞ্জর হলেও ফের জেল গেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে

চুনারুঘাটে ছাত্রলীগ নেতা মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবেও পরিচিত মখলিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার পিতা চুনারুঘাট পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুজ জাহিরকে আটক করে।

ড. মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নেমে আসে জেল, জুলুম ও নির্যাতন।

এ থেকে রেহাই পাননি আওয়ামী লীগে নেতা জাহির। তাকে গত বছরের (২৭ ডিসেম্বর) ২০২৫ সালে রাতে চুনারুঘাট পৌরসভার বাগবাড়ি গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পরে তাকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এন প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকেই সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও জেল হাজতে পাঠায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন না। আবার অনেকে বলছেন, মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে না পেরে তার পরিবারের সদস্যকে আটক করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতারের বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মামা নিহত, ভাগনে আহত

জামিন মঞ্জর হলেও ফের জেল গেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে

চুনারুঘাটে ছাত্রলীগ নেতা মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

আপডেট সময় ০৭:০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মখলিছুর রহমানকে না পেয়ে তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবেও পরিচিত মখলিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার পিতা চুনারুঘাট পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুজ জাহিরকে আটক করে।

ড. মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নেমে আসে জেল, জুলুম ও নির্যাতন।

এ থেকে রেহাই পাননি আওয়ামী লীগে নেতা জাহির। তাকে গত বছরের (২৭ ডিসেম্বর) ২০২৫ সালে রাতে চুনারুঘাট পৌরসভার বাগবাড়ি গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুজ জাহিরকে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পরে তাকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এন প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকেই সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবারও জেল হাজতে পাঠায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন না। আবার অনেকে বলছেন, মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে না পেরে তার পরিবারের সদস্যকে আটক করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতারের বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।