হবিগঞ্জ ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আনন্দপুর বাজারের চাল বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইউএনও Logo চুনারুঘাটে যৌথ অভিযানে ৭ অবৈধ করাতকল সিলগালা Logo ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের আন্দোলন Logo চুনারুঘাটের সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত Logo ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা Logo চুনারুঘাট থানায় জনবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ ওসি সাইফুল ইসলামের Logo বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট চুনারুঘাট উপজেলা ও পৌর শাখার আহবায়ক কমিটি অনুমোদন Logo মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতার ছবি অপসারণ, ক্ষোভ মুক্তিযোদ্ধাদের Logo ঢাকায় মামলা, মাধবপুরে গ্রামের বাড়িতে হামলার অভিযোগ

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আনন্দপুর বাজারের চাল বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইউএনও

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ১২টি বিক্রয়কেন্দ্রে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রি কার্যক্রম চলছে। সরকারি এ কর্মসূচির আওতায় প্রতি কেজি চাল ১৫ টাকা দরে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপকারভোগীরা।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার গোপায়া ইউনিয়নের আনন্দপুর বাজারের চাল বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ্-আবু-জাহের। এ সময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বেনু গোপাল দাস উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও কয়েকটি বস্তার চালের ওজন যাচাই করেন এবং চালের মান ও ওজন সরেজমিনে পরীক্ষা করেন। এ সময় তিনি চালের মান ও ওজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিক্রয়কেন্দ্রে উপস্থিত উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অভিজ্ঞতার বিষয়েও খোঁজ নেন। উপকারভোগীরা জানান, বাজারদরের তুলনায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাওয়ায় তারা উপকৃত ও সন্তুষ্ট।

গোপায়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর রহমান শাহীন বলেন, দরিদ্র, অসচ্ছল, বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী মানুষের কথা বিবেচনা করে এ কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রতি মাসে যাতে নিয়মিত এ সরকারি সুবিধা দেওয়া হয়, সে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি দাবি জানান তিনি।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বেনু গোপাল দাস বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নিয়োগ করা তদারকি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত মনিটরিং করছেন। এখন পর্যন্ত কোনো অনিয়ম বা অসঙ্গতি পাওয়া যায়নি। উপকারভোগীরা সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে চাল সংগ্রহ করছেন।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারদের উপকারভোগীদের সঙ্গে ভালো আচরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ডিলারের বিরুদ্ধে হয়রানি বা খারাপ আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারের এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে খাদ্য বিভাগের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।

চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আনন্দপুর বাজারের চাল বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইউএনও

আপডেট সময় ০৪:০১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ১২টি বিক্রয়কেন্দ্রে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রি কার্যক্রম চলছে। সরকারি এ কর্মসূচির আওতায় প্রতি কেজি চাল ১৫ টাকা দরে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপকারভোগীরা।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার গোপায়া ইউনিয়নের আনন্দপুর বাজারের চাল বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ্-আবু-জাহের। এ সময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বেনু গোপাল দাস উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও কয়েকটি বস্তার চালের ওজন যাচাই করেন এবং চালের মান ও ওজন সরেজমিনে পরীক্ষা করেন। এ সময় তিনি চালের মান ও ওজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিক্রয়কেন্দ্রে উপস্থিত উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অভিজ্ঞতার বিষয়েও খোঁজ নেন। উপকারভোগীরা জানান, বাজারদরের তুলনায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাওয়ায় তারা উপকৃত ও সন্তুষ্ট।

গোপায়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর রহমান শাহীন বলেন, দরিদ্র, অসচ্ছল, বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী মানুষের কথা বিবেচনা করে এ কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রতি মাসে যাতে নিয়মিত এ সরকারি সুবিধা দেওয়া হয়, সে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি দাবি জানান তিনি।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বেনু গোপাল দাস বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নিয়োগ করা তদারকি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত মনিটরিং করছেন। এখন পর্যন্ত কোনো অনিয়ম বা অসঙ্গতি পাওয়া যায়নি। উপকারভোগীরা সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে চাল সংগ্রহ করছেন।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারদের উপকারভোগীদের সঙ্গে ভালো আচরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ডিলারের বিরুদ্ধে হয়রানি বা খারাপ আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারের এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে খাদ্য বিভাগের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সার্বিক সহযোগিতা করছেন।