হবিগঞ্জ ০৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন Logo চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য Logo তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি Logo লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহ্বান Logo চুনারুঘাটে ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই অতনু প্রত্যাহার Logo চুনারুঘাটে হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে ক্ষোভ, তদন্ত কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: হাসপাতাল পরিদর্শনে জামায়াত নেতারা Logo আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ Logo সৌদিতে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনার দেশে ফেরার আকুতি Logo চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণ তদারকিতে খাদ্য বিভাগ

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৮ হাজার ২১৯ জন উপকারভোগীর মধ্যে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রির কার্যক্রম তদারকিতে নিয়মিত পরিদর্শন করছে উপজেলা খাদ্য বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের বৈদ্যের বাজার বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বেনু গোপাল দাস। এ সময় তিনি চাল বিতরণ কার্যক্রমের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বেনু গোপাল দাস বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উপকারভোগীদের তালিকা হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ভিডব্লিউবি কর্মসূচির সঙ্গে দ্বৈতভাবে যুক্ত ৬৫ জন উপকারভোগীর নাম খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকা থেকে বাতিল করা হয়েছে।

তিনি জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিদ্যমান তালিকায় থাকা মৃত, বিদেশগমনকারী, অন্যত্র স্থানান্তরিত, দারিদ্র্যসীমা অতিক্রমকারী, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি এবং সরকারি অন্যান্য কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত উপকারভোগীরা এ কর্মসূচির চাল পাবেন না।

লস্করপুর ইউনিয়নের বৈদ্যের বাজার বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তালিকায় পাঁচজন মৃত উপকারভোগীর নাম পাওয়া যায়। ফলে অন্যান্য ইউনিয়নের তালিকাতেও মৃত উপকারভোগী থাকতে পারেন বলে ধারণা করছে খাদ্য বিভাগ। মৃত উপকারভোগীদের নামে চাল বিতরণ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট খাদ্যবান্ধব ডিলারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্রকৃত উপকারভোগীরা যাতে চাল নিতে গিয়ে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও নজর রাখার জন্য ডিলারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ স্বল্পমূল্যে চাল পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পরিদর্শনকালে উপকারভোগীদের কাছ থেকে চালের মান বা ওজন নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

সরকারের এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে খাদ্য বিভাগের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণ তদারকিতে খাদ্য বিভাগ

আপডেট সময় ০৪:২১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৮ হাজার ২১৯ জন উপকারভোগীর মধ্যে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রির কার্যক্রম তদারকিতে নিয়মিত পরিদর্শন করছে উপজেলা খাদ্য বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের বৈদ্যের বাজার বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বেনু গোপাল দাস। এ সময় তিনি চাল বিতরণ কার্যক্রমের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বেনু গোপাল দাস বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উপকারভোগীদের তালিকা হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ভিডব্লিউবি কর্মসূচির সঙ্গে দ্বৈতভাবে যুক্ত ৬৫ জন উপকারভোগীর নাম খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকা থেকে বাতিল করা হয়েছে।

তিনি জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিদ্যমান তালিকায় থাকা মৃত, বিদেশগমনকারী, অন্যত্র স্থানান্তরিত, দারিদ্র্যসীমা অতিক্রমকারী, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি এবং সরকারি অন্যান্য কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত উপকারভোগীরা এ কর্মসূচির চাল পাবেন না।

লস্করপুর ইউনিয়নের বৈদ্যের বাজার বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তালিকায় পাঁচজন মৃত উপকারভোগীর নাম পাওয়া যায়। ফলে অন্যান্য ইউনিয়নের তালিকাতেও মৃত উপকারভোগী থাকতে পারেন বলে ধারণা করছে খাদ্য বিভাগ। মৃত উপকারভোগীদের নামে চাল বিতরণ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট খাদ্যবান্ধব ডিলারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্রকৃত উপকারভোগীরা যাতে চাল নিতে গিয়ে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও নজর রাখার জন্য ডিলারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ স্বল্পমূল্যে চাল পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পরিদর্শনকালে উপকারভোগীদের কাছ থেকে চালের মান বা ওজন নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

সরকারের এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে খাদ্য বিভাগের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সার্বিক সহযোগিতা করছেন।