হবিগঞ্জ ০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ Logo চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু Logo সহপরিবারে ওমরাহ হজ্বে গেলেন চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী জহির আহমেদ Logo চুনারুঘাটে বৃহস্পতিবার নাশিদ সন্ধ্যা, অংশ নেবেন জনপ্রিয় শিল্পী ও ক্বারী Logo হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

রেমা-কালেঙ্গায় শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ

শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি ভ্রমণ স্পট রেমা-কালেঙ্গা, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধে আয়োজন করা ভ্রমণ।

শুক্রবার দিনব্যাপী উল্লেখিত স্থানগুলো ভ্রমণ,মধ্যহৃভোজন ও অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের উপহার প্রদান করে আনন্দ ভ্রমণ উদযাপন কমিটি। কমিটির আহ্বায়ক ক্লাবের সহ-সভাপতি নওরোজুল ইসলাম চৌধুরী আনন্দ ভ্রমণ সফল করেন।

ওইদিন সকাল ১০টায় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে সাংবাদিক বহণের গাড়ীটি চলতে থাকে রেমা-কালেঙ্গা। দুপুর ১২টার আগেই রেমা-কালেঙ্গা পৌছে প্রধান ফটকে ফটোসেশন শেষে সাংবাদিকদের টিম বের হয় বনে। বনের ভিতর চলতে চলতে মোবাইলে সেলফি, কখনো গ্রুপ ফটোসেশনে ব্যস্ত সাংবাদিকরা।
বনের ভিতরে রাস্তার দুই পাশজুড়ে সারি সারি সুউচ্চ গাছ। শোঁ শোঁ শব্দে উঁচু সেই গাছের ছোট-বড় পাতার ফাঁক-ফোকড় দিয়ে বইছে হাওয়া। ঘুরতে ঘুরতে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও রঙবেরংয়ের কীটপতঙ্গ। শোনা যায় অচেনা পাখি ও ব্যাঙের ডাক, আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার গুঞ্জন।
বনের ভিতর দেখা মিলে কালেঙ্গা সীমান্ত ফাড়ি। আরো সামনে এগিয়েই দেখা মিলে শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধার সমাধি। নায়েক আব্দুল মান্নান (বীর উত্তম)। বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বের পুরষ্কার। আমরা এখানে দাড়িয়ে সাংবদিকরা প্রথমে কবরস্থান জিয়ারত করেন পরে তাঁকে স্মরণ করে মুক্তিযুদ্ধে কথা বলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আ স ম আফজল আলী সাবেক সভাপতি এডভোকেট হুমায়ূন কবীর সৈকত।
রেমা-কালেঙ্গা ঘুরতে আমাদের সাথে গাইড হিসেবে ছিলেন একজন। তার নাম সুরুজ আলী। রেমা-কালেঙ্গা থেকে আমরা চলে যাই সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে। যেতে যেতে মধ্যহৃভোজনের সময় চলে যাচ্ছে। সাতছড়িতে পৌছেই আমরা জনপ্রিয় এবং সুসাধু মোল্লা খাবার হোটেলে গিয়ে বসলাম আমরা। আমাদের খাবারের অর্ডার একদিন আগেই দেয়া ছিল। তাই যেতেই টেবিলে আমাদের খাবার প্রস্তু। দুপুরের খাবার খেয়ে কিছু ফটোসেশন হলো। সাতছড়িতে আমাদের সাথে যোগদেন মাধবপুর প্রেসক্লাবের তিন সাংবাদিক। তারা হলেন- সভাপতি মোঃ মহিউদ্দিন, সাবেক সভাপতি রোকন উদ্দিন লস্কর ও সাংবাদিক জামাল মোঃ আবু নাছের।
তারপর আমাদের বাহনটি চলতে থাকে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের দিকে। দুপুর গড়িয়ে শেষ বিকালে আমরা হাজির হলাম মুক্তিযুদ্ধের সূচনাস্থল তেলিয়াপাড়া ডাকবাংলো প্রাঙ্গলে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে। সেখানেও কিছুক্ষণ সাংবাদিকরা ফটোসেশন করে।
সর্বশেষে মাধবপুর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের আমন্ত্রণে জগদিশপুর একটি অভিজাত হোটেলে আমাদের সকলকে চা পান করানো হয়।## ছবি সংযুক্ত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে

রেমা-কালেঙ্গায় শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ

আপডেট সময় ০৮:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মার্চ ২০২২

শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি ভ্রমণ স্পট রেমা-কালেঙ্গা, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধে আয়োজন করা ভ্রমণ।

শুক্রবার দিনব্যাপী উল্লেখিত স্থানগুলো ভ্রমণ,মধ্যহৃভোজন ও অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের উপহার প্রদান করে আনন্দ ভ্রমণ উদযাপন কমিটি। কমিটির আহ্বায়ক ক্লাবের সহ-সভাপতি নওরোজুল ইসলাম চৌধুরী আনন্দ ভ্রমণ সফল করেন।

ওইদিন সকাল ১০টায় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে সাংবাদিক বহণের গাড়ীটি চলতে থাকে রেমা-কালেঙ্গা। দুপুর ১২টার আগেই রেমা-কালেঙ্গা পৌছে প্রধান ফটকে ফটোসেশন শেষে সাংবাদিকদের টিম বের হয় বনে। বনের ভিতর চলতে চলতে মোবাইলে সেলফি, কখনো গ্রুপ ফটোসেশনে ব্যস্ত সাংবাদিকরা।
বনের ভিতরে রাস্তার দুই পাশজুড়ে সারি সারি সুউচ্চ গাছ। শোঁ শোঁ শব্দে উঁচু সেই গাছের ছোট-বড় পাতার ফাঁক-ফোকড় দিয়ে বইছে হাওয়া। ঘুরতে ঘুরতে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও রঙবেরংয়ের কীটপতঙ্গ। শোনা যায় অচেনা পাখি ও ব্যাঙের ডাক, আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার গুঞ্জন।
বনের ভিতর দেখা মিলে কালেঙ্গা সীমান্ত ফাড়ি। আরো সামনে এগিয়েই দেখা মিলে শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধার সমাধি। নায়েক আব্দুল মান্নান (বীর উত্তম)। বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বের পুরষ্কার। আমরা এখানে দাড়িয়ে সাংবদিকরা প্রথমে কবরস্থান জিয়ারত করেন পরে তাঁকে স্মরণ করে মুক্তিযুদ্ধে কথা বলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আ স ম আফজল আলী সাবেক সভাপতি এডভোকেট হুমায়ূন কবীর সৈকত।
রেমা-কালেঙ্গা ঘুরতে আমাদের সাথে গাইড হিসেবে ছিলেন একজন। তার নাম সুরুজ আলী। রেমা-কালেঙ্গা থেকে আমরা চলে যাই সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে। যেতে যেতে মধ্যহৃভোজনের সময় চলে যাচ্ছে। সাতছড়িতে পৌছেই আমরা জনপ্রিয় এবং সুসাধু মোল্লা খাবার হোটেলে গিয়ে বসলাম আমরা। আমাদের খাবারের অর্ডার একদিন আগেই দেয়া ছিল। তাই যেতেই টেবিলে আমাদের খাবার প্রস্তু। দুপুরের খাবার খেয়ে কিছু ফটোসেশন হলো। সাতছড়িতে আমাদের সাথে যোগদেন মাধবপুর প্রেসক্লাবের তিন সাংবাদিক। তারা হলেন- সভাপতি মোঃ মহিউদ্দিন, সাবেক সভাপতি রোকন উদ্দিন লস্কর ও সাংবাদিক জামাল মোঃ আবু নাছের।
তারপর আমাদের বাহনটি চলতে থাকে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের দিকে। দুপুর গড়িয়ে শেষ বিকালে আমরা হাজির হলাম মুক্তিযুদ্ধের সূচনাস্থল তেলিয়াপাড়া ডাকবাংলো প্রাঙ্গলে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে। সেখানেও কিছুক্ষণ সাংবাদিকরা ফটোসেশন করে।
সর্বশেষে মাধবপুর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের আমন্ত্রণে জগদিশপুর একটি অভিজাত হোটেলে আমাদের সকলকে চা পান করানো হয়।## ছবি সংযুক্ত।