হবিগঞ্জ ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগানে অপহৃত পর্যটক নারী ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, আটক ১ Logo হবিগঞ্জে নবাগত পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের যোগদান Logo চোলাই মদ বিক্রির দায়ে কথিত সমাজসেবক নিরঞ্জন সাহা ও তার ভাই সস্ত্রীক কারাগারে Logo চুনারুঘাটের কালিশিরিতে লুৎফিয়া মাদানিয়া মডেল হাফিজিয়া মাদ্রাসার পাঠদান শুরু ২৯ মার্চ Logo চুনারুঘাটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত Logo একতা, শিক্ষা ও উন্নয়ন ভাবনায় ঘরগাঁও গ্রামে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত Logo মানবিক আবেদন: অসহায় রিকশাচালক বাবার আকুতি—বাঁচাতে চান মেয়েকে Logo চুনারুঘাটের নালমুখ বাজারে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শতাধিক গরু জবাই Logo চুনারুঘাট পৌর প্রশাসক হিসেবে ত্যাগী নেতা জামাল উদ্দিনের মূল্যায়নের দাবি

সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি

সোনাই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এ নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক হামিদুর রহমান  সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি প্রদান করেছেন, যেখানে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত সপ্তাহেও সোনাই নদীতে প্রায় ১০-১২টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন চলছিল। তবে বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টিতে। এ অবস্থা স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালিত হলেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। বরং অভিযানে কেবল শ্রমিক ও ড্রাইভারদের আটক করা হচ্ছে, যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। এতে করে অবৈধ বালু উত্তোলন কার্যক্রম আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এছাড়া, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিস্বার্থে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে নীরব সমর্থন দেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। এতে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সম্প্রতি কয়েকজন সাংবাদিক সোনাই ব্রিজ এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে বালু উত্তোলনকারীরা দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়ে। এতে বোঝা যায়, এ চক্রটি সুসংগঠিত এবং প্রভাবশালী। স্থানীয়দের ধারণা, তারা প্রশাসনের একটি অংশকে প্রভাবিত করতেও সক্ষম হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, রাত যত গভীর হয়, অবৈধ বালু পরিবহন ততই বৃদ্ধি পায়। এমনকি অবৈধ রশিদের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে, যা চাঁদাবাজির শামিল।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় জনগণ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ভবিষ্যতে মানববন্ধন বা গণপ্রতিবাদের মতো কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

পরিশেষে, সোনাই নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি

সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি

আপডেট সময় ০৮:০২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

সোনাই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এ নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক হামিদুর রহমান  সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি প্রদান করেছেন, যেখানে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত সপ্তাহেও সোনাই নদীতে প্রায় ১০-১২টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন চলছিল। তবে বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টিতে। এ অবস্থা স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালিত হলেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। বরং অভিযানে কেবল শ্রমিক ও ড্রাইভারদের আটক করা হচ্ছে, যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। এতে করে অবৈধ বালু উত্তোলন কার্যক্রম আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এছাড়া, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিস্বার্থে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে নীরব সমর্থন দেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। এতে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সম্প্রতি কয়েকজন সাংবাদিক সোনাই ব্রিজ এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে বালু উত্তোলনকারীরা দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়ে। এতে বোঝা যায়, এ চক্রটি সুসংগঠিত এবং প্রভাবশালী। স্থানীয়দের ধারণা, তারা প্রশাসনের একটি অংশকে প্রভাবিত করতেও সক্ষম হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, রাত যত গভীর হয়, অবৈধ বালু পরিবহন ততই বৃদ্ধি পায়। এমনকি অবৈধ রশিদের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে, যা চাঁদাবাজির শামিল।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় জনগণ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ভবিষ্যতে মানববন্ধন বা গণপ্রতিবাদের মতো কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

পরিশেষে, সোনাই নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।