হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত খোয়াই নদীর ওপর নির্মিত বেইলি সেতুটি বর্তমানে হাজারো মানুষের জন্য চরম ভোগান্তি ও ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনই মানুষ চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ।
জনসাধারণের ভোগান্তি নিয়ে সৌদি প্রবাসী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব শাহিদুল হক বাবুল তিনি নিজের ফেইসবুকে স্থানীয় এমপির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। কিভাবে মানুষের দুঃখ কষ্ট লাগব করতে এর প্রতিকার চেয়ে সোচ্চার দাবি জানিয়েছেন ।
মূলত ১৯৯৪ সালে নির্মিত এই সেতুটির নির্ধারিত মেয়াদ বহু আগেই শেষ হয়ে গেলেও গত ১৬ বছর ধরে এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই এটি ব্যবহার করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি অত্যন্ত সরু হওয়ায় প্রতিদিন সকাল ৯টার পর থেকেই এখানে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চুনারুঘাট উপজেলার অন্তত চারটি ইউনিয়নের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় জরুরি রোগী পরিবহনে। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স যানজটে আটকে পড়ায় মুমূর্ষু রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। একইভাবে অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতেও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছে।
এদিকে প্রতিদিন সকালে ১০ নম্বর মিরাশী ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার শত শত শিক্ষার্থী এই সেতুতে যানজটে আটকে পড়ে। বিশেষ করে পরীক্ষার সময় তাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।
এ বিষয়ে ১০ নম্বর মিরাশী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব শাহিদুল হক বাবুল বলেন, “আমি এলাকার মানুষের এই দুর্ভোগ খুব কাছ থেকে দেখছি। একটি জরাজীর্ণ সেতুর কারণে পুরো অঞ্চলের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এটি আর চলতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, “চুনারুঘাট-মাধবপুর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। চারটি ইউনিয়নের প্রায় দেড় লাখ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত একটি আধুনিক ও প্রশস্ত স্থায়ী সেতু নির্মাণ জরুরি।”
এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতুর পরিবর্তে স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হোক।
খন্দকার আলাউদ্দিন: 









