বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দুঃসময়ের কান্ডারি, চুনারুঘাট উপজেলার একনিষ্ঠ ও পরীক্ষিত নেতা জামাল উদ্দিনকে চুনারুঘাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দেখতে চায় স্থানীয় জনসাধারণ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ত্যাগ ও সংগ্রামের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী এ নেতার যথাযথ মূল্যায়নের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
জানা যায়, ১৯৮৮ সালে সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে জামাল উদ্দিনের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। এরপর থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নানা আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার হামলা, মামলা ও দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই একাধিক রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। এমনকি কারাবন্দি অবস্থায়ও শিক্ষা জীবন থেমে থাকেনি; জেলখানা থেকেই বিএ পরীক্ষা দিয়ে সফলভাবে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তাঁর আদর্শিক অবস্থান থেকে কখনও বিচ্যুত হননি।
চুনারুঘাটে জামাল উদ্দিন ও তাঁর পরিবার ‘নিখুঁত বিএনপি পরিবার’ হিসেবে পরিচিত। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দল ও দেশের জন্য কাজ করে যাওয়া এই নেতার মূল লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘ কয়েক দশকের রাজনৈতিক জীবনে জামাল উদ্দিন বারবার পরীক্ষিত হয়েছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে চুনারুঘাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে তাঁর নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের দাবি, তাঁর মতো একজন আদর্শবান, শিক্ষিত ও ত্যাগী নেতাকে যথাযথ সম্মান দিয়ে পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হলে পৌরসভার উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যোগ্যতার ভিত্তিতে জামাল উদ্দিনের অবদান মূল্যায়ন করে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 


















