হবিগঞ্জ ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জুলাই শহীদ স্মৃতি গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে চুনারুঘাট ফুটবল একাদশের জার্সি উন্মোচন Logo ‘বিউটিফুল চুনারুঘাট’ এর ব্যতিক্রমি উদ্যোগ সৌন্দর্য বর্ধনে একহাজার বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা Logo মাধবপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, দুই কারবারি গ্রেফতার Logo চুনারুঘাটে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান Logo আইএফআইসি ব্যাংক এবং শক্তি ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে “হার পাওয়ার” শীর্ষক স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালা Logo চুনারুঘাটে দিনে-দুপুরে সাদাবালু চুরির সময় জনতার হাতে আটক-১ Logo বাহুবল নবীগঞ্জের পর এবার চুনারুঘাটে বিএনপির ঝাড়ু মিছিল Logo নির্মাণ শেষের আগেই ২ বার ধসে পড়লো মডেল মসজিদের ছাদ Logo চুনারুঘাটে চুরি হওয়া কাঠ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ Logo জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই রিপটন

এবার চুনারুঘাটে স্বামীর খোঁজে পাকিস্তানি নারী মাহা

এবার হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ছেলের বাড়িতে এসে হাজির হয়েছেন এক পাকিস্তানি নারী। তার নাম মাহা বাজোয়ার (৩০)। বাংলাদেশি স্বামীর খোঁজে পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা মকসুদ আহমেদের মেয়ে তিনি। মাহার স্বামীর নাম সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার (৩৫)।

চুনারুঘাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বড়াইল এলাকার শফি উল্লা মজুমদারের ছেলে তিনি। গতকাল
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) স্বামীর খোঁজে চুনারুঘাট এসেছেন মাহা।

সেখানে সাজ্জাদের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।
এদিকে বিদেশি বধূ আসার খবরে আশপাশের এলাকা থেকে উৎসুক জনতা ওই বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন।

জানা গেছে, দশ বছর আগে দুবাইয়ে সাজ্জাদের পরিচয় হয় পাকিস্তানি নারী মাহার। পরে তারা বিয়েও করেন। কিন্তু এক পর্যায়ে মাহাকে ডিভোর্স দেন সাজ্জাদ। কিন্তু সেই ডিভোর্স মেনে নেননি মাহা। স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চান।

তাই জানা গেছে, গত ১৭ নভেম্বর পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আসেন মাহা। শুক্রবার রাতে তিনি উত্তর বড়াইল গ্রামে সাজ্জাদের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন।

সাজ্জাদের ভাই স্বপন মজুমদার জানান, ২০১৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে ওই পাকিস্তানি তরুণীকে বিয়ে করেন সাজ্জাদ। এরপর পর সাজ্জাদ তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন এবং পরে পুনরায় পাকিস্তান চলে যান। সাজ্জাদ ১৭ নভেম্বর পুনরায় দেশে ফেরেন। একই দিনে বাংলাদেশে ফেরেন মাহাও।

এ বিষয়ে সাজ্জাদের ভাই স্বপন বলেন, দুবাইয়ের একটি নাইট ক্লাবে সাজ্জাদ চাকরি করতেন। সেখানেই মাহার সঙ্গে তার পরিচয়। পরে তারা বিয়ে করেন। এক পর্যায়ে তাদের সংসারে ভাঙন ধরে।

সাজ্জাদ দেশে ফিরলে মাহাও বাংলাদেশে এসে হাজির হয়েছেন। এ মুহূর্তে সাজ্জাদ উপস্থিত নেই বাড়িতে। সে এলে এলাকার গণ্যমান্যদের নিয়ে বসে বিষয়টির সুরাহা করা হবে।

পাকিস্তানের ওই নারী বর্তমানে তার আতিথেয়তায় রয়েছেন বলেও স্বপন জানান।

হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৮ সালে মাহা ও সাজ্জাদের তালাক হয়। কিন্তু মাহা তা মেনে নিচ্ছেন না। তিনি স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চান।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হক জানান, মাহা ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ এসেছেন। কিন্তু এদেশে অবস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মাবলি তিনি অনুসরণ করেননি। ওই নারী থানায় এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে আবার আসবেন বলে চলে যান।

শনিবার সন্ধ্যায় একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে মাহা বলেন, ‘আমি আপনার সঙ্গে আগামীকাল দেখা করে কথা বলব। এখন আমি অসুস্থ। ’এ বিষয়ে সাজ্জাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই শহীদ স্মৃতি গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে চুনারুঘাট ফুটবল একাদশের জার্সি উন্মোচন

এবার চুনারুঘাটে স্বামীর খোঁজে পাকিস্তানি নারী মাহা

আপডেট সময় ১১:০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩

এবার হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ছেলের বাড়িতে এসে হাজির হয়েছেন এক পাকিস্তানি নারী। তার নাম মাহা বাজোয়ার (৩০)। বাংলাদেশি স্বামীর খোঁজে পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা মকসুদ আহমেদের মেয়ে তিনি। মাহার স্বামীর নাম সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার (৩৫)।

চুনারুঘাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বড়াইল এলাকার শফি উল্লা মজুমদারের ছেলে তিনি। গতকাল
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) স্বামীর খোঁজে চুনারুঘাট এসেছেন মাহা।

সেখানে সাজ্জাদের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।
এদিকে বিদেশি বধূ আসার খবরে আশপাশের এলাকা থেকে উৎসুক জনতা ওই বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন।

জানা গেছে, দশ বছর আগে দুবাইয়ে সাজ্জাদের পরিচয় হয় পাকিস্তানি নারী মাহার। পরে তারা বিয়েও করেন। কিন্তু এক পর্যায়ে মাহাকে ডিভোর্স দেন সাজ্জাদ। কিন্তু সেই ডিভোর্স মেনে নেননি মাহা। স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চান।

তাই জানা গেছে, গত ১৭ নভেম্বর পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আসেন মাহা। শুক্রবার রাতে তিনি উত্তর বড়াইল গ্রামে সাজ্জাদের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন।

সাজ্জাদের ভাই স্বপন মজুমদার জানান, ২০১৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে ওই পাকিস্তানি তরুণীকে বিয়ে করেন সাজ্জাদ। এরপর পর সাজ্জাদ তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন এবং পরে পুনরায় পাকিস্তান চলে যান। সাজ্জাদ ১৭ নভেম্বর পুনরায় দেশে ফেরেন। একই দিনে বাংলাদেশে ফেরেন মাহাও।

এ বিষয়ে সাজ্জাদের ভাই স্বপন বলেন, দুবাইয়ের একটি নাইট ক্লাবে সাজ্জাদ চাকরি করতেন। সেখানেই মাহার সঙ্গে তার পরিচয়। পরে তারা বিয়ে করেন। এক পর্যায়ে তাদের সংসারে ভাঙন ধরে।

সাজ্জাদ দেশে ফিরলে মাহাও বাংলাদেশে এসে হাজির হয়েছেন। এ মুহূর্তে সাজ্জাদ উপস্থিত নেই বাড়িতে। সে এলে এলাকার গণ্যমান্যদের নিয়ে বসে বিষয়টির সুরাহা করা হবে।

পাকিস্তানের ওই নারী বর্তমানে তার আতিথেয়তায় রয়েছেন বলেও স্বপন জানান।

হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৮ সালে মাহা ও সাজ্জাদের তালাক হয়। কিন্তু মাহা তা মেনে নিচ্ছেন না। তিনি স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চান।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হক জানান, মাহা ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ এসেছেন। কিন্তু এদেশে অবস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মাবলি তিনি অনুসরণ করেননি। ওই নারী থানায় এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে আবার আসবেন বলে চলে যান।

শনিবার সন্ধ্যায় একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে মাহা বলেন, ‘আমি আপনার সঙ্গে আগামীকাল দেখা করে কথা বলব। এখন আমি অসুস্থ। ’এ বিষয়ে সাজ্জাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।