হবিগঞ্জ ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সৎ প্রশাসকদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা কোথায়? Logo চুনারুঘাটে ৩৯ বছরের বর্ণাঢ্য শিক্ষকতা পেশার অরবিন্দ দত্তের সমাপ্তি Logo ব্যারিস্টার সুমন এমপিকে সংবর্ধনা দিল চুনারুঘাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি Logo চুনারুঘাটে ১৭ কেজি গাঁজা সহ কারবারি গ্রেপ্তার Logo ৪র্থ বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ হলেন চুনারুঘাট থানার এসআই লিটন রায় Logo ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার পরিকল্পনাকারী সোহাগ গ্রেফতার Logo ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় হত্যা মামলার আসামি জালাল গ্রেপ্তার Logo ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার পরিকল্পনার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন Logo চুনারুঘাটে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন তৌফিক মিয়া তালুকদার Logo ব্যারিস্টার সুমনের হত্যার পরিকল্পনারকারীদের গ্রেফতারে দাবীতে চুনারুঘাটে মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ 

যুগ্মসচিব বন্ধু নুরুল হকের বক্তৃতা আমার অনুভূতি: সাংবাদিক চন্দন বর্ম্মণ।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে

যুগ্মসচিব বন্ধু নুরুল হকের বক্তৃতা আমার অনুভূতি:
ছোটবেলার বন্ধু আমার, মোটিভেশনাল যে বক্তব্যটি দিয়েছে ছোট ছোট শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শুন। কারণ এটি তার জীবন থেকে উঠে আসা অভিজ্ঞতার নির্যাস। কীভাবে বড় হতে হয় প্রতিকূলতার মধ্যে সে তারই প্রতিকৃত। আমাদের অনেক বন্ধুবান্ধব স্মার্ট ছিল প্রথম দিকে পড়াশোনায়ও ভালো ছিল কিন্তু ছিটকে পড়ে গেছে অনেকে। কারণ সে বলেছে লক্ষ্য থাকতে হয় স্থির, অটল অনঢ় থাকতে হয় লক্ষে। আরো বলেছে অনেকটা বলা যায় আমাদের শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কী সেটা বলে দিয়েছে গল্পাকারে। শিক্ষার দুইটি উদ্দেশ্য
১. জৈবিক চাহিদা বিষয়ক ২. মানসিক উত্কর্ষ বিষয়ক। আমরা যে কালে পড়াশোনা করেছি সেখানে স্কুলে কলেজে কতটুকু বোঝতে পেরেছিলাম জানি না। তাই আমার বন্ধু সচিব হলেও শিক্ষা অন্তপ্রাণ মানুষ। তাই উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা হলেও শিক্ষাই জাতির মূল প্রাণ তাই তার কথায় ফুটে উঠেছে। শিক্ষার প্রথম উদ্দেশ্যটি হলো তা গ্রহণ করে আমাদের জৈবিক চাহিদা পূরণ করা যেমন অন্ন বস্ত্র বাসস্থান ইত্যাদি। এটি পূরণ না হলে দ্বিতীয়টি পূরণ করা দূরূহ। দ্বিতীয়টি হলো মানসিক উত্কর্ষ সাধন অর্থাত্ চরিত্র গঠন।চরিত্র গঠন করতে হলে ধর্মীয় মূল্যবোধের মাধ্যমে প্রতিটি জীবের প্রতি প্রেম তৈরি করা। অপরাপর ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের প্রতি সহানুভূতি, সহমর্মিতা মানবিক গুণাবলীগুলো জাগ্রত রাখা সেটি সুন্দর করে প্রথম স্থানে রেখেছে। তার সঙ্গে আমাদের মনোজগতকে জানার জন্য হূদয়,মনকে আরো জাগরুক রাখার জন্য সাহিত্য, সংস্কৃতি,সঙ্গীত, রবীন্দ্র, নজরুল চর্চা কথা বলেছে যাতে তোমরা প্রকৃতিকে উপলব্ধি করতে পারো। শরীর বা দেহকে সবল সুস্থ রাখতে খেলাধুলার কথাও বাদ পড়েনি।
আমরা এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যুগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একুশ শতক। বাঙালি পৃথিবীর শ্রেষ্ট জাতি বারবার প্রমাণিত। কবি,সাহিত্যিক, রাজনৈতিক বৈজ্ঞানিক বিশ্ব দরবারে বহু আগেই আসিন। তারা ছিলেন প্রজ্ঞাবান, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। তাই বহু আগেই জীবনমুখি শিক্ষার কথা বলে গেছেন। লাইফস্কিল এডুকেশনের কথা বলে গেছেন তার কবিতায়। যেটি বলছিলাম শিক্ষার প্রথম উদ্দেশ্য। অথচ এ শিক্ষা আমরা পাইনি। বন্ধু নুরুল হক আশ্চর্যজনকভাবে চমকিয়ে দিল অন্তত: আমাকে। একুশ শতকের শিক্ষা এবং আমাদের কবিদের ভাবনা একাকার ‘ বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই চড়ে শখের বোটে…………….। ’ এর মাধ্যমে ফিউচার স্কিল লিটারেসির কথা বুঝিয়ে দিল কত সুন্দরভাবে তার বক্তৃতায়। একটা স্কিল থাকতে হবে। আজ এতকাল পরে আমাদের ঘুম ভাঙ্গল কিন্তু কবিতো মহাকর্ষীয় শক্তির প্রভাবে তা বহুকাল আগেই উক্ত করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে শিক্ষায় আনতে পারেনি এতকাল এদেশে কেউই। এজন্যে এ দেশে শিক্ষার প্রথম উদ্দেশ্য সাধন গুমড়ে কেঁদেছে। কবিতো স্পস্ট করে বলেছেন তোমার ‘দেখি জীবনখানা ষোলআনাই মিছে।’
কমিউনিকেশনের কথা খুব সুন্দরভাবে উঠে এসেছে প্রজন্মদের এখন সেকেন্ড ল্যাংগুয়েজ নয় শুধু থার্ড ল্যাংগুয়েজ জানতে হবে ইংরেজির পাশাপাশি।
এজন্যে ডিজিটাল লিটারেসি কার্যকারিতা আছে। কিন্তু
শুধইু ডিজিটাল শিক্ষা তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা। যা বইয়ের গন্ধ শুকতে দেবে না। তা হবে আত্মঘাতি। তা বিরাট প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে চিন্তা, মননে আর ইনোভেশনে। বন্ধু নুরুল হক কবির কবিতার মাধ্যমে যে ইনোভেশনের উদাহরণ দিল তা কোনো উপাত্ত- বিশ্লেষণ বা যুক্তি বৈজ্ঞানিকভাবে খণ্ডন করতে পারবে না যে মাটি, মা, মানুষ, পাহাড়, পর্বত, চাঁদ, সূর্য মাঠ, ঘাট, স্কুল, কলেজ অর্থাত্ প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সামাজিক পরিবেশ ছাড়া কোনো ইনোভেশন হতে পারে।
যদি পেপারলেস এডুকেশন আপনারা আনয়ন করেন তাহলে কখনই পরাশক্তি হতে পারবে না বাঙালি। জনবল, মেধা, মনন আর ডেমোগ্রাফিডিভিডেন্ট পিরিয়ড থাকা সত্ত্বেও। তাই দোহাই আপনাদের প্রকল্পের জন্য বড় বড় বাজেট ভিত্তিক কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অন্তত: শিক্ষা ক্ষেত্রে এ মিসগাইডমূলক এডভাইজটুকু কেউ দিবেন না।
বরঞ্চ আমি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এটুআই কর্তৃক এডুকেশন লিডারশিপ এওয়ার্ড প্রাপ্ত একজন শিক্ষাকর্মী হিসেবে বলতে চাই আপনারা আমার বন্ধু নুরুল হক শিক্ষার্থীদের যে ফিউচার এডুকেশনের উদাহরণ টানল তা কিন্তু ডিজিটাল ঔরসে বা গর্ভে জন্ম হয় নাই। এটি নিয়ে বিচার বিশ্লেষন, যুক্তিতর্ক করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিনীত অনুরোধ করছি। শিক্ষাকে পেপারলেস করবেন না। শিক্ষার্থীর মনোযোগকে সবুজ আর প্রকৃতির সান্নিধ্য ছাড়া করবেন না। সন্ধ্যা-রাত ভরদুপুরে জুমে নিবেন না। এতে দুরারোগ্যব্যাধির উদ্ভব হতে পারে। শক্তিতো দূরের কথা। এটা কোনো ক্লাসিক্যাল ভাবধারা নয়। এটা মৌলিক ভাবধারা। মৌলিকভাবধারা তৈরি করা যায় না ডিজিটালি কারণ মৌলিকভাবধারা প্রকৃতিতে থাকে বা অবস্থান করে।
ধন্যবাদ বন্ধু নুরুল হক, যুগ্ম সচিব। জাতীয় সংসদ সচিবালয়। তোমার বক্তৃতাটা ভোররাতে শুনায় কিছু লিখতে পারলাম। আশাকরি আরো বক্তৃতা আমরা শুনতে পারবো।
চন্দন বর্ম্মণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চারিপাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সৎ প্রশাসকদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা কোথায়?

যুগ্মসচিব বন্ধু নুরুল হকের বক্তৃতা আমার অনুভূতি: সাংবাদিক চন্দন বর্ম্মণ।

আপডেট সময় ১১:২১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২

যুগ্মসচিব বন্ধু নুরুল হকের বক্তৃতা আমার অনুভূতি:
ছোটবেলার বন্ধু আমার, মোটিভেশনাল যে বক্তব্যটি দিয়েছে ছোট ছোট শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শুন। কারণ এটি তার জীবন থেকে উঠে আসা অভিজ্ঞতার নির্যাস। কীভাবে বড় হতে হয় প্রতিকূলতার মধ্যে সে তারই প্রতিকৃত। আমাদের অনেক বন্ধুবান্ধব স্মার্ট ছিল প্রথম দিকে পড়াশোনায়ও ভালো ছিল কিন্তু ছিটকে পড়ে গেছে অনেকে। কারণ সে বলেছে লক্ষ্য থাকতে হয় স্থির, অটল অনঢ় থাকতে হয় লক্ষে। আরো বলেছে অনেকটা বলা যায় আমাদের শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কী সেটা বলে দিয়েছে গল্পাকারে। শিক্ষার দুইটি উদ্দেশ্য
১. জৈবিক চাহিদা বিষয়ক ২. মানসিক উত্কর্ষ বিষয়ক। আমরা যে কালে পড়াশোনা করেছি সেখানে স্কুলে কলেজে কতটুকু বোঝতে পেরেছিলাম জানি না। তাই আমার বন্ধু সচিব হলেও শিক্ষা অন্তপ্রাণ মানুষ। তাই উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা হলেও শিক্ষাই জাতির মূল প্রাণ তাই তার কথায় ফুটে উঠেছে। শিক্ষার প্রথম উদ্দেশ্যটি হলো তা গ্রহণ করে আমাদের জৈবিক চাহিদা পূরণ করা যেমন অন্ন বস্ত্র বাসস্থান ইত্যাদি। এটি পূরণ না হলে দ্বিতীয়টি পূরণ করা দূরূহ। দ্বিতীয়টি হলো মানসিক উত্কর্ষ সাধন অর্থাত্ চরিত্র গঠন।চরিত্র গঠন করতে হলে ধর্মীয় মূল্যবোধের মাধ্যমে প্রতিটি জীবের প্রতি প্রেম তৈরি করা। অপরাপর ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের প্রতি সহানুভূতি, সহমর্মিতা মানবিক গুণাবলীগুলো জাগ্রত রাখা সেটি সুন্দর করে প্রথম স্থানে রেখেছে। তার সঙ্গে আমাদের মনোজগতকে জানার জন্য হূদয়,মনকে আরো জাগরুক রাখার জন্য সাহিত্য, সংস্কৃতি,সঙ্গীত, রবীন্দ্র, নজরুল চর্চা কথা বলেছে যাতে তোমরা প্রকৃতিকে উপলব্ধি করতে পারো। শরীর বা দেহকে সবল সুস্থ রাখতে খেলাধুলার কথাও বাদ পড়েনি।
আমরা এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যুগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একুশ শতক। বাঙালি পৃথিবীর শ্রেষ্ট জাতি বারবার প্রমাণিত। কবি,সাহিত্যিক, রাজনৈতিক বৈজ্ঞানিক বিশ্ব দরবারে বহু আগেই আসিন। তারা ছিলেন প্রজ্ঞাবান, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। তাই বহু আগেই জীবনমুখি শিক্ষার কথা বলে গেছেন। লাইফস্কিল এডুকেশনের কথা বলে গেছেন তার কবিতায়। যেটি বলছিলাম শিক্ষার প্রথম উদ্দেশ্য। অথচ এ শিক্ষা আমরা পাইনি। বন্ধু নুরুল হক আশ্চর্যজনকভাবে চমকিয়ে দিল অন্তত: আমাকে। একুশ শতকের শিক্ষা এবং আমাদের কবিদের ভাবনা একাকার ‘ বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই চড়ে শখের বোটে…………….। ’ এর মাধ্যমে ফিউচার স্কিল লিটারেসির কথা বুঝিয়ে দিল কত সুন্দরভাবে তার বক্তৃতায়। একটা স্কিল থাকতে হবে। আজ এতকাল পরে আমাদের ঘুম ভাঙ্গল কিন্তু কবিতো মহাকর্ষীয় শক্তির প্রভাবে তা বহুকাল আগেই উক্ত করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে শিক্ষায় আনতে পারেনি এতকাল এদেশে কেউই। এজন্যে এ দেশে শিক্ষার প্রথম উদ্দেশ্য সাধন গুমড়ে কেঁদেছে। কবিতো স্পস্ট করে বলেছেন তোমার ‘দেখি জীবনখানা ষোলআনাই মিছে।’
কমিউনিকেশনের কথা খুব সুন্দরভাবে উঠে এসেছে প্রজন্মদের এখন সেকেন্ড ল্যাংগুয়েজ নয় শুধু থার্ড ল্যাংগুয়েজ জানতে হবে ইংরেজির পাশাপাশি।
এজন্যে ডিজিটাল লিটারেসি কার্যকারিতা আছে। কিন্তু
শুধইু ডিজিটাল শিক্ষা তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা। যা বইয়ের গন্ধ শুকতে দেবে না। তা হবে আত্মঘাতি। তা বিরাট প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে চিন্তা, মননে আর ইনোভেশনে। বন্ধু নুরুল হক কবির কবিতার মাধ্যমে যে ইনোভেশনের উদাহরণ দিল তা কোনো উপাত্ত- বিশ্লেষণ বা যুক্তি বৈজ্ঞানিকভাবে খণ্ডন করতে পারবে না যে মাটি, মা, মানুষ, পাহাড়, পর্বত, চাঁদ, সূর্য মাঠ, ঘাট, স্কুল, কলেজ অর্থাত্ প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সামাজিক পরিবেশ ছাড়া কোনো ইনোভেশন হতে পারে।
যদি পেপারলেস এডুকেশন আপনারা আনয়ন করেন তাহলে কখনই পরাশক্তি হতে পারবে না বাঙালি। জনবল, মেধা, মনন আর ডেমোগ্রাফিডিভিডেন্ট পিরিয়ড থাকা সত্ত্বেও। তাই দোহাই আপনাদের প্রকল্পের জন্য বড় বড় বাজেট ভিত্তিক কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অন্তত: শিক্ষা ক্ষেত্রে এ মিসগাইডমূলক এডভাইজটুকু কেউ দিবেন না।
বরঞ্চ আমি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এটুআই কর্তৃক এডুকেশন লিডারশিপ এওয়ার্ড প্রাপ্ত একজন শিক্ষাকর্মী হিসেবে বলতে চাই আপনারা আমার বন্ধু নুরুল হক শিক্ষার্থীদের যে ফিউচার এডুকেশনের উদাহরণ টানল তা কিন্তু ডিজিটাল ঔরসে বা গর্ভে জন্ম হয় নাই। এটি নিয়ে বিচার বিশ্লেষন, যুক্তিতর্ক করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিনীত অনুরোধ করছি। শিক্ষাকে পেপারলেস করবেন না। শিক্ষার্থীর মনোযোগকে সবুজ আর প্রকৃতির সান্নিধ্য ছাড়া করবেন না। সন্ধ্যা-রাত ভরদুপুরে জুমে নিবেন না। এতে দুরারোগ্যব্যাধির উদ্ভব হতে পারে। শক্তিতো দূরের কথা। এটা কোনো ক্লাসিক্যাল ভাবধারা নয়। এটা মৌলিক ভাবধারা। মৌলিকভাবধারা তৈরি করা যায় না ডিজিটালি কারণ মৌলিকভাবধারা প্রকৃতিতে থাকে বা অবস্থান করে।
ধন্যবাদ বন্ধু নুরুল হক, যুগ্ম সচিব। জাতীয় সংসদ সচিবালয়। তোমার বক্তৃতাটা ভোররাতে শুনায় কিছু লিখতে পারলাম। আশাকরি আরো বক্তৃতা আমরা শুনতে পারবো।
চন্দন বর্ম্মণ।