হবিগঞ্জ ০২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শায়েস্তাগঞ্জের বিশাউড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ Logo শ্রীমঙ্গলে গাতাবলা আর-রাফী মাদ্রাসার বার্ষিক শিক্ষা সফর সম্পন্ন Logo চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার Logo হবিগঞ্জের সুঘর গ্রামের বানবাসীদের মাঝে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র ত্রাণসামগ্রী বিতরণ Logo চুনারুঘাটের মেয়ে দীপ্তিতা দাশ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন Logo হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণ তদারকিতে খাদ্য বিভাগ Logo চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আনন্দপুর বাজারের চাল বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইউএনও Logo চুনারুঘাটে যৌথ অভিযানে ৭ অবৈধ করাতকল সিলগালা Logo ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের আন্দোলন

মানুষের কষ্ট দূর করতে দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে-পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর ভেঙে যাওয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের অবস্থা ও নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আলহাজ জিকে গউছ, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জেলা প্রশাসক জি এম সরফরাজ, হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুল হকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এখানে এসেছি, যাতে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যায়।”

তিনি বলেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে যে প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা দ্রুতই নেওয়া হবে। আপাতত জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, হবিগঞ্জ শহর যাতে কোনোভাবেই প্লাবিত না হয়, সে জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পরপরই এসব প্রকল্পের কাজ শুরু করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। পানিতে তলিয়ে যায় ফসলি জমি, পুকুর ও ফিশারি। আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হন এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

শায়েস্তাগঞ্জের বিশাউড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ

মানুষের কষ্ট দূর করতে দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে-পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর ভেঙে যাওয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের অবস্থা ও নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আলহাজ জিকে গউছ, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জেলা প্রশাসক জি এম সরফরাজ, হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুল হকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এখানে এসেছি, যাতে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যায়।”

তিনি বলেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে যে প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা দ্রুতই নেওয়া হবে। আপাতত জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, হবিগঞ্জ শহর যাতে কোনোভাবেই প্লাবিত না হয়, সে জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পরপরই এসব প্রকল্পের কাজ শুরু করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। পানিতে তলিয়ে যায় ফসলি জমি, পুকুর ও ফিশারি। আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হন এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।