হবিগঞ্জ ১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মানুষের কষ্ট দূর করতে দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে-পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo চুনারুঘাটে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সহায়তা দিল কারিতাস Logo বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক Logo কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না: এমপি ফয়সল Logo চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo চুনারুঘাটে পাঁচ বছরেও গ্রেপ্তার হয়নি একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিক Logo বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন, যুবককে ১ লাখ টাকা জরিমানা Logo চুনারুঘাটের গাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত Logo চুরির অপরাধে যুবককে গণপিটুনি না দিয়ে ২০০ রাকাত নামাজের শর্তে ছেড়ে দিলেন স্থানীয়রা Logo চুনারুঘাটে নিখোঁজ আব্দুল আলীকে অপহরণের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে ছেলের দাবি, ‘বাবাকে উদ্ধার করুন’

মানুষের কষ্ট দূর করতে দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে-পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর ভেঙে যাওয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের অবস্থা ও নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আলহাজ জিকে গউছ, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জেলা প্রশাসক জি এম সরফরাজ, হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুল হকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এখানে এসেছি, যাতে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যায়।”

তিনি বলেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে যে প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা দ্রুতই নেওয়া হবে। আপাতত জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, হবিগঞ্জ শহর যাতে কোনোভাবেই প্লাবিত না হয়, সে জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পরপরই এসব প্রকল্পের কাজ শুরু করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। পানিতে তলিয়ে যায় ফসলি জমি, পুকুর ও ফিশারি। আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হন এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষের কষ্ট দূর করতে দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে-পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মানুষের কষ্ট দূর করতে দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে-পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর ভেঙে যাওয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের অবস্থা ও নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আলহাজ জিকে গউছ, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জেলা প্রশাসক জি এম সরফরাজ, হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুল হকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এখানে এসেছি, যাতে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যায়।”

তিনি বলেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে যে প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা দ্রুতই নেওয়া হবে। আপাতত জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, হবিগঞ্জ শহর যাতে কোনোভাবেই প্লাবিত না হয়, সে জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পরপরই এসব প্রকল্পের কাজ শুরু করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। পানিতে তলিয়ে যায় ফসলি জমি, পুকুর ও ফিশারি। আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হন এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।