দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফল ব্যবসায়ী মানিক মিয়া পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারসহ একাধিক মামলায় সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের একটি চেক ডিজঅনার মামলায় দায়রা-৮৯৪/২০১৯ নম্বর মামলায় ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মানিক মিয়াকে এক বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন হবিগঞ্জের যুগ্ম দায়রা জজ ১ম আদালত। আদালতের বিচারক ছিলেন মোহাম্মদ শহীদুল আমিন।
মানিক মিয়া চুনারুঘাট পৌর শহরের মধ্যবাজারে নাদিয়া ফল ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী। তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং সেসব মামলায়ও ওয়ারেন্ট ও সাজা পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো ও আদালতের সাজা কার্যকর না হওয়ায় ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মানিক মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
একটি সূত্রের দাবি, পুলিশের চোখ এড়িয়ে মানিক মিয়া বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে আত্মগোপনে রয়েছেন। মাঝেমধ্যে তিনি চুনারুঘাটের আমকান্দি গ্রামের নিজ বাড়িতেও গোপনে আসা-যাওয়া করেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে। তবে তার অবস্থান সম্পর্কে এসব তথ্যের স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “মানিক মিয়ার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে। সে পলাতক আছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য থানা পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।”
দীর্ঘদিন ধরে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত একজন আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ। দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের সাজা ও পরোয়ানা কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
চুনারুঘাট প্রতিনিধি : 



















