হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা প্রশাসনের এক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, তাঁর শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ মাকে বাড়িতে আটকে রেখে মারধর এবং স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বজনদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার দ্বিমাগুরুন্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জুনু আক্তার। তিনি চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে জুনু আক্তার, তাঁর শিশু সন্তান সামিয়া আক্তার ও বৃদ্ধ মাকে বাড়িতে আটকে রাখেন তাঁর ভাসুর সেলিম মিয়া, রুবি আক্তার, সাদিয়া আক্তার, সুমাইয়া আক্তার ও সাদিকা আক্তার। এ সময় তাদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার খবর চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরীর কাছে পৌঁছালে তিনি পুলিশ পাঠান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জুনু আক্তার, তাঁর শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ মাকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুনু আক্তার অভিযোগ করে বলেন, চুনারুঘাট পৌর শহরের মা স্যানিটারি সাপ্লাইয়ের মালিক তাঁর স্বামী। শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় তাঁদের সম্পত্তি নিয়ে দাবি-দাওয়া করে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে তাঁকে, তাঁর সন্তান ও মাকে বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এ সময় তাঁর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, মারধরের ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে তিনি পুলিশ পাঠিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। চিকিৎসা শেষে এ ঘটনায় থানায় মামলা করবেন বলে জানান তিনি।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।
চুনারুঘাট প্রতিনিধি : 



















