হবিগঞ্জ ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও ওজনে কম দেওয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত Logo চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জেরে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন Logo ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি Logo দেওরগাছ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: তরুণ ভোটারদের আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী মারুফ Logo চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল Logo দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা Logo মিষ্টি ওজনে কম দেওয়ায় চুনারুঘাটে হোটেলকে জরিমানা

চুনারুঘাটে ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বিএডিসি ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মূল্যে সার ও বীজ বিক্রি এবং কৃষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগ, কৃষকদের প্রতিবাদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

জানা যায়, আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আমুরোড বাজারস্থ মোহনা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মফিজ মিয়া অতীতে অধিক মূল্যে সার বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও দিয়েছেন।

সম্প্রতি আউশ মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে টিএসপি ও ডিএপি সার বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, ১ হাজার ৩৫০ টাকার টিএসপি সার ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ হাজার ৫০ টাকার ডিএপি সার ১ হাজার ২৫০ টাকার কমে বিক্রি করছেন না ওই ডিলার।

এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বোরো মৌসুমে ক্ষতির মুখে পড়া কৃষকরা অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই বলছেন, নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার মফিজ মিয়া বলেন, তিনি অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করছেন না। তবে বিএডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, টিএসপি বা ডিএপি সার নিতে হলে সমপরিমাণ পটাশ (এমওপি) সারও নিতে হবে।

তবে এ বিষয়ে বিএডিসির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবির মুঠোফোনে জানান, কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারবেন। একটি সার নিতে হলে আরেকটি সার নিতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। তিনি আরও বলেন, বিএডিসি শুধুমাত্র ডিলারদের কাছে বীজ ও সার সরবরাহ করে থাকে, আর বাজার তদারকির দায়িত্ব কৃষি অধিদপ্তরের।

এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও ওজনে কম দেওয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

চুনারুঘাটে ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:২৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বিএডিসি ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মূল্যে সার ও বীজ বিক্রি এবং কৃষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগ, কৃষকদের প্রতিবাদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

জানা যায়, আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আমুরোড বাজারস্থ মোহনা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মফিজ মিয়া অতীতে অধিক মূল্যে সার বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও দিয়েছেন।

সম্প্রতি আউশ মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে টিএসপি ও ডিএপি সার বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, ১ হাজার ৩৫০ টাকার টিএসপি সার ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ হাজার ৫০ টাকার ডিএপি সার ১ হাজার ২৫০ টাকার কমে বিক্রি করছেন না ওই ডিলার।

এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বোরো মৌসুমে ক্ষতির মুখে পড়া কৃষকরা অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই বলছেন, নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার মফিজ মিয়া বলেন, তিনি অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করছেন না। তবে বিএডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, টিএসপি বা ডিএপি সার নিতে হলে সমপরিমাণ পটাশ (এমওপি) সারও নিতে হবে।

তবে এ বিষয়ে বিএডিসির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবির মুঠোফোনে জানান, কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারবেন। একটি সার নিতে হলে আরেকটি সার নিতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। তিনি আরও বলেন, বিএডিসি শুধুমাত্র ডিলারদের কাছে বীজ ও সার সরবরাহ করে থাকে, আর বাজার তদারকির দায়িত্ব কৃষি অধিদপ্তরের।

এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।