হবিগঞ্জ ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মামা নিহত, ভাগনে আহত Logo ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়ে চুনারুঘাট পৌরসভার অভিযান অব্যাহত Logo চুনারুঘাটের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস Logo চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযানে বালুভর্তি ২ ইজিবাইক জব্দ Logo দক্ষিণাচরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন মসজিদ নির্মাণে ২০১০ ব্যাচের ৪৫ হাজার টাকা অনুদান Logo চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও ভিডিও প্রদর্শনী Logo শানখলা ইউনিয়নে উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম Logo চুনারুঘাটে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চুনারুঘাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু Logo চুনারুঘাটে প্রশাসনের জব্দকৃত সিলিকা বালু পাচারের চেষ্টা, ট্রাকচালকের ২ মাসের কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বিএডিসি ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মূল্যে সার ও বীজ বিক্রি এবং কৃষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগ, কৃষকদের প্রতিবাদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

জানা যায়, আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আমুরোড বাজারস্থ মোহনা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মফিজ মিয়া অতীতে অধিক মূল্যে সার বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও দিয়েছেন।

সম্প্রতি আউশ মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে টিএসপি ও ডিএপি সার বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, ১ হাজার ৩৫০ টাকার টিএসপি সার ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ হাজার ৫০ টাকার ডিএপি সার ১ হাজার ২৫০ টাকার কমে বিক্রি করছেন না ওই ডিলার।

এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বোরো মৌসুমে ক্ষতির মুখে পড়া কৃষকরা অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই বলছেন, নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার মফিজ মিয়া বলেন, তিনি অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করছেন না। তবে বিএডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, টিএসপি বা ডিএপি সার নিতে হলে সমপরিমাণ পটাশ (এমওপি) সারও নিতে হবে।

তবে এ বিষয়ে বিএডিসির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবির মুঠোফোনে জানান, কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারবেন। একটি সার নিতে হলে আরেকটি সার নিতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। তিনি আরও বলেন, বিএডিসি শুধুমাত্র ডিলারদের কাছে বীজ ও সার সরবরাহ করে থাকে, আর বাজার তদারকির দায়িত্ব কৃষি অধিদপ্তরের।

এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মামা নিহত, ভাগনে আহত

চুনারুঘাটে ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:২৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বিএডিসি ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মূল্যে সার ও বীজ বিক্রি এবং কৃষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগ, কৃষকদের প্রতিবাদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

জানা যায়, আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আমুরোড বাজারস্থ মোহনা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মফিজ মিয়া অতীতে অধিক মূল্যে সার বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও দিয়েছেন।

সম্প্রতি আউশ মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে টিএসপি ও ডিএপি সার বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, ১ হাজার ৩৫০ টাকার টিএসপি সার ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ হাজার ৫০ টাকার ডিএপি সার ১ হাজার ২৫০ টাকার কমে বিক্রি করছেন না ওই ডিলার।

এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বোরো মৌসুমে ক্ষতির মুখে পড়া কৃষকরা অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই বলছেন, নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার মফিজ মিয়া বলেন, তিনি অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করছেন না। তবে বিএডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, টিএসপি বা ডিএপি সার নিতে হলে সমপরিমাণ পটাশ (এমওপি) সারও নিতে হবে।

তবে এ বিষয়ে বিএডিসির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবির মুঠোফোনে জানান, কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারবেন। একটি সার নিতে হলে আরেকটি সার নিতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। তিনি আরও বলেন, বিএডিসি শুধুমাত্র ডিলারদের কাছে বীজ ও সার সরবরাহ করে থাকে, আর বাজার তদারকির দায়িত্ব কৃষি অধিদপ্তরের।

এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।