হবিগঞ্জ ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া Logo চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের রেইনকোট, হতদরিদ্রদের ঢেউটিন ও শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার দিলেন এমপি Logo চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু Logo হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩

চুনারুঘাটে ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বিএডিসি ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মূল্যে সার ও বীজ বিক্রি এবং কৃষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগ, কৃষকদের প্রতিবাদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

জানা যায়, আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আমুরোড বাজারস্থ মোহনা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মফিজ মিয়া অতীতে অধিক মূল্যে সার বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও দিয়েছেন।

সম্প্রতি আউশ মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে টিএসপি ও ডিএপি সার বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, ১ হাজার ৩৫০ টাকার টিএসপি সার ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ হাজার ৫০ টাকার ডিএপি সার ১ হাজার ২৫০ টাকার কমে বিক্রি করছেন না ওই ডিলার।

এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বোরো মৌসুমে ক্ষতির মুখে পড়া কৃষকরা অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই বলছেন, নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার মফিজ মিয়া বলেন, তিনি অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করছেন না। তবে বিএডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, টিএসপি বা ডিএপি সার নিতে হলে সমপরিমাণ পটাশ (এমওপি) সারও নিতে হবে।

তবে এ বিষয়ে বিএডিসির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবির মুঠোফোনে জানান, কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারবেন। একটি সার নিতে হলে আরেকটি সার নিতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। তিনি আরও বলেন, বিএডিসি শুধুমাত্র ডিলারদের কাছে বীজ ও সার সরবরাহ করে থাকে, আর বাজার তদারকির দায়িত্ব কৃষি অধিদপ্তরের।

এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া

চুনারুঘাটে ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:২৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বিএডিসি ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মূল্যে সার ও বীজ বিক্রি এবং কৃষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগ, কৃষকদের প্রতিবাদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

জানা যায়, আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আমুরোড বাজারস্থ মোহনা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মফিজ মিয়া অতীতে অধিক মূল্যে সার বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও দিয়েছেন।

সম্প্রতি আউশ মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে টিএসপি ও ডিএপি সার বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, ১ হাজার ৩৫০ টাকার টিএসপি সার ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ হাজার ৫০ টাকার ডিএপি সার ১ হাজার ২৫০ টাকার কমে বিক্রি করছেন না ওই ডিলার।

এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বোরো মৌসুমে ক্ষতির মুখে পড়া কৃষকরা অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই বলছেন, নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার মফিজ মিয়া বলেন, তিনি অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করছেন না। তবে বিএডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, টিএসপি বা ডিএপি সার নিতে হলে সমপরিমাণ পটাশ (এমওপি) সারও নিতে হবে।

তবে এ বিষয়ে বিএডিসির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবির মুঠোফোনে জানান, কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারবেন। একটি সার নিতে হলে আরেকটি সার নিতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। তিনি আরও বলেন, বিএডিসি শুধুমাত্র ডিলারদের কাছে বীজ ও সার সরবরাহ করে থাকে, আর বাজার তদারকির দায়িত্ব কৃষি অধিদপ্তরের।

এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।