হবিগঞ্জ ০৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ Logo চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু Logo সহপরিবারে ওমরাহ হজ্বে গেলেন চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী জহির আহমেদ Logo চুনারুঘাটে বৃহস্পতিবার নাশিদ সন্ধ্যা, অংশ নেবেন জনপ্রিয় শিল্পী ও ক্বারী Logo হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

বানিয়াচং সড়কে ডাকাতের কবলে পড়লেন ইসলামি বক্তা: টাকা লুট ও গাড়ি ভাংচুর

বানিয়াচং এলাকায় ডাকাতদের হামলার শিকার হয়েছেন তরুণ ইসলামী বক্তা মুফতি আবিদ আল আহসান। এসময় তাঁর গাড়িচালক ও সফরসঙ্গীরাও আহত হন। ডাকাতরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। এ সময় বক্তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়।

গত শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে শিবপাশা ও বানিয়াচং এলাকার মাঝামাঝি আঞ্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। তবে তবে এ ঘটনায় বানিয়াচং থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মুফতি আবিদ আল আহসান।

এ ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে মুফতি আবিদ আল আহসান বলেন,“গতকাল আমার মাহফিল ছিল ইমামনগর, বৈরাটি, মিঠামইন, কিশোরগঞ্জ। এই এলাকায় যেতে হলে আজমিরীগঞ্জ দিয়ে যেতে হয়। মাহফিল শেষে ফেরার পথে আনুমানিক রাত আড়াইটার দিকে হঠাৎ রাস্তা ব্লকেড দেখতে পাই।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রায় ১০-১৫ জন ডাকাত লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার গাড়ি ঘিরে ফেলে এবং পেছনের গ্লাস ভেঙে ফেলে। এরপর আমার ড্রাইভারকে মারধর করে, সফরসঙ্গীদের মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয়। আরও টাকা আছে কি না জানতে চেয়ে তারা প্রথমে আমাকে বাঁশ দিয়ে আঘাত করে, এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে।”

তিনি আরও বলেন, “আমার শরীর থেকে রক্ত ঝরতে দেখে ডাকাতদল দ্রুত সরে পড়ে। এরপর আমরা পার্শ্ববর্তী এক নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই। এরপর গাড়ি ঘুরিয়ে আবার আজমিরীগঞ্জ হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করি। পরবর্তী ফজর পর্যন্ত অপেক্ষা করে ফজরের পর বানিয়াচং থানায় গিয়ে জিডি করতে চাইলে পুলিশ নেয়নি।”

যদিও বিষয়টি অস্বীকার করে বানিয়াচং থানার (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, ভুক্তভোগী বক্তা কিছুক্ষণ আগে কল করেছেন, আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করছি। সন্ধ্যায় একই বিষয়ে মিটিংও ডাকা হয়েছে। ফজরের পর কেন জিডি নেয়া হলোনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ ২৪ ঘন্টাই সেবা দেয়ায় নিয়োজিত থাকেন। যেকোনো সময় মামলা, অভিযোগ ও জিডি আমরা গ্রহণ করি। ফজরের পর কারা দায়িত্বে ছিলেন আমি খোঁজ নিচ্ছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে

বানিয়াচং সড়কে ডাকাতের কবলে পড়লেন ইসলামি বক্তা: টাকা লুট ও গাড়ি ভাংচুর

আপডেট সময় ১০:১০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বানিয়াচং এলাকায় ডাকাতদের হামলার শিকার হয়েছেন তরুণ ইসলামী বক্তা মুফতি আবিদ আল আহসান। এসময় তাঁর গাড়িচালক ও সফরসঙ্গীরাও আহত হন। ডাকাতরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। এ সময় বক্তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়।

গত শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে শিবপাশা ও বানিয়াচং এলাকার মাঝামাঝি আঞ্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। তবে তবে এ ঘটনায় বানিয়াচং থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মুফতি আবিদ আল আহসান।

এ ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে মুফতি আবিদ আল আহসান বলেন,“গতকাল আমার মাহফিল ছিল ইমামনগর, বৈরাটি, মিঠামইন, কিশোরগঞ্জ। এই এলাকায় যেতে হলে আজমিরীগঞ্জ দিয়ে যেতে হয়। মাহফিল শেষে ফেরার পথে আনুমানিক রাত আড়াইটার দিকে হঠাৎ রাস্তা ব্লকেড দেখতে পাই।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রায় ১০-১৫ জন ডাকাত লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার গাড়ি ঘিরে ফেলে এবং পেছনের গ্লাস ভেঙে ফেলে। এরপর আমার ড্রাইভারকে মারধর করে, সফরসঙ্গীদের মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয়। আরও টাকা আছে কি না জানতে চেয়ে তারা প্রথমে আমাকে বাঁশ দিয়ে আঘাত করে, এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে।”

তিনি আরও বলেন, “আমার শরীর থেকে রক্ত ঝরতে দেখে ডাকাতদল দ্রুত সরে পড়ে। এরপর আমরা পার্শ্ববর্তী এক নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই। এরপর গাড়ি ঘুরিয়ে আবার আজমিরীগঞ্জ হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করি। পরবর্তী ফজর পর্যন্ত অপেক্ষা করে ফজরের পর বানিয়াচং থানায় গিয়ে জিডি করতে চাইলে পুলিশ নেয়নি।”

যদিও বিষয়টি অস্বীকার করে বানিয়াচং থানার (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, ভুক্তভোগী বক্তা কিছুক্ষণ আগে কল করেছেন, আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করছি। সন্ধ্যায় একই বিষয়ে মিটিংও ডাকা হয়েছে। ফজরের পর কেন জিডি নেয়া হলোনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ ২৪ ঘন্টাই সেবা দেয়ায় নিয়োজিত থাকেন। যেকোনো সময় মামলা, অভিযোগ ও জিডি আমরা গ্রহণ করি। ফজরের পর কারা দায়িত্বে ছিলেন আমি খোঁজ নিচ্ছি।