হবিগঞ্জ ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের রাজারবাজার বালু মহালের রাজস্ব জমা ছাড়াই বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত Logo চুনারুঘাটের রাণীগাঁও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র সংস্কার ও জনবল নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন Logo চুনারুঘাটে বেড়েছে লোডশেডিং, জনজীবনে চরম ভোগান্তি: এমপির হস্তক্ষেপ চান এনসিপি নেতা তারেক Logo হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে দুই সংসদ সদস্য মনোনীত Logo হবিগঞ্জ বার নির্বাচনে বিজয়ী মঞ্জুর উদ্দিন সভাপতি, মাসুদ করিম সম্পাদক Logo চুনারুঘাটে সমতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফরম ও পাশবই বিতরণ Logo চুনারুঘাটে রাহী ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা ছাড়াই বালু বিক্রির অভিযোগ, ৫ ট্রাক জব্দ Logo চুনারুঘাটে ঘন ঘন ইউএনও বদলি: সেবায় ভোগান্তিতে উপজেলাবাসী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদে ঝড় Logo চুনারুঘাটে সালাম স্টীল গ্রুপ ও একে করপোরেশনের উদ্যোগে নির্মাণ শিল্পীদের মিলন মেলা Logo চুনারুঘাটে ঝড়ের মৌসুমে বিদ্যুৎ দুর্ঘটনা রোধে সতর্কতা জারি, জরুরি নম্বর প্রকাশ করল বিদ্যুৎ বিভাগ

জুরি উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া বনে আগুনে পুড়ে ছাই

মৌলভীবাজারের লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া এলাকায় এক কিলোমিটার জোরে বনে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে পুড়ে যাওয়া বনের বিষয়টি জানে না বন বিভাগ। এটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদীরা।

জানা যায়, জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনটি ৫৬৩১.৪০ হেক্টর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। বনের এ অংশে হতে যাচ্ছে দেশের তৃতীয় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক। কিন্তু প্রতি বছর এ বনের বিভিন্ন অংশে আগুন লাগলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রধান ফটক, জড়িছড়া রাস্তার প্রবেশ পথ ও শুকনাছড়ার এক কিলোমিটারের বেশি এলাকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী, বিরল প্রজাতির কীটপতঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রজাতির বৃক্ষের ক্ষতি হয়েছে।

এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী রিকশাচালক আহ্সান উল্লাল বলেন, ‘গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ করে আমরা বনে আগুন দেখতে পাই। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় বনের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি বন বিভাগকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যার ফলে এখানকার বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রাণীসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত সাফারি পার্ক এলাকায় বারবার পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হচ্ছে। আগুন দেখার পর আমরা স্থানীয়রা নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিট কর্মকর্তাকে দেখিনি।’

এ বিষয়ে লাঠিটিলা বিট কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি বনে আগুন লাগার  বিষয়টি এখনও জানি না‌। এটি সিলেট বনবিভাগের আওতাধীন। এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটের রাজারবাজার বালু মহালের রাজস্ব জমা ছাড়াই বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত

জুরি উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া বনে আগুনে পুড়ে ছাই

আপডেট সময় ০৩:১৬:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

মৌলভীবাজারের লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া এলাকায় এক কিলোমিটার জোরে বনে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে পুড়ে যাওয়া বনের বিষয়টি জানে না বন বিভাগ। এটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদীরা।

জানা যায়, জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনটি ৫৬৩১.৪০ হেক্টর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। বনের এ অংশে হতে যাচ্ছে দেশের তৃতীয় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক। কিন্তু প্রতি বছর এ বনের বিভিন্ন অংশে আগুন লাগলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রধান ফটক, জড়িছড়া রাস্তার প্রবেশ পথ ও শুকনাছড়ার এক কিলোমিটারের বেশি এলাকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী, বিরল প্রজাতির কীটপতঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রজাতির বৃক্ষের ক্ষতি হয়েছে।

এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী রিকশাচালক আহ্সান উল্লাল বলেন, ‘গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ করে আমরা বনে আগুন দেখতে পাই। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় বনের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি বন বিভাগকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যার ফলে এখানকার বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রাণীসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত সাফারি পার্ক এলাকায় বারবার পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হচ্ছে। আগুন দেখার পর আমরা স্থানীয়রা নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিট কর্মকর্তাকে দেখিনি।’

এ বিষয়ে লাঠিটিলা বিট কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি বনে আগুন লাগার  বিষয়টি এখনও জানি না‌। এটি সিলেট বনবিভাগের আওতাধীন। এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হবে।’