হবিগঞ্জ ১১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন Logo এক রাতে পাশাপাশি ৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সার্কেল এএসপি Logo মিরাশী ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল মনাফ মিয়া Logo জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ইউএনও মেহেদী হাসানের Logo মাদক-অপরাধ দমনে চুনারুঘাটে পুলিশের নজরদারি বাড়ছে Logo ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন Logo চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য Logo তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি Logo লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহ্বান

জুরি উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া বনে আগুনে পুড়ে ছাই

মৌলভীবাজারের লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া এলাকায় এক কিলোমিটার জোরে বনে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে পুড়ে যাওয়া বনের বিষয়টি জানে না বন বিভাগ। এটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদীরা।

জানা যায়, জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনটি ৫৬৩১.৪০ হেক্টর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। বনের এ অংশে হতে যাচ্ছে দেশের তৃতীয় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক। কিন্তু প্রতি বছর এ বনের বিভিন্ন অংশে আগুন লাগলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রধান ফটক, জড়িছড়া রাস্তার প্রবেশ পথ ও শুকনাছড়ার এক কিলোমিটারের বেশি এলাকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী, বিরল প্রজাতির কীটপতঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রজাতির বৃক্ষের ক্ষতি হয়েছে।

এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী রিকশাচালক আহ্সান উল্লাল বলেন, ‘গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ করে আমরা বনে আগুন দেখতে পাই। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় বনের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি বন বিভাগকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যার ফলে এখানকার বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রাণীসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত সাফারি পার্ক এলাকায় বারবার পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হচ্ছে। আগুন দেখার পর আমরা স্থানীয়রা নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিট কর্মকর্তাকে দেখিনি।’

এ বিষয়ে লাঠিটিলা বিট কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি বনে আগুন লাগার  বিষয়টি এখনও জানি না‌। এটি সিলেট বনবিভাগের আওতাধীন। এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান

জুরি উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া বনে আগুনে পুড়ে ছাই

আপডেট সময় ০৩:১৬:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

মৌলভীবাজারের লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া এলাকায় এক কিলোমিটার জোরে বনে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে পুড়ে যাওয়া বনের বিষয়টি জানে না বন বিভাগ। এটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদীরা।

জানা যায়, জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনটি ৫৬৩১.৪০ হেক্টর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। বনের এ অংশে হতে যাচ্ছে দেশের তৃতীয় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক। কিন্তু প্রতি বছর এ বনের বিভিন্ন অংশে আগুন লাগলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রধান ফটক, জড়িছড়া রাস্তার প্রবেশ পথ ও শুকনাছড়ার এক কিলোমিটারের বেশি এলাকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী, বিরল প্রজাতির কীটপতঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রজাতির বৃক্ষের ক্ষতি হয়েছে।

এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী রিকশাচালক আহ্সান উল্লাল বলেন, ‘গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ করে আমরা বনে আগুন দেখতে পাই। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় বনের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি বন বিভাগকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যার ফলে এখানকার বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রাণীসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত সাফারি পার্ক এলাকায় বারবার পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হচ্ছে। আগুন দেখার পর আমরা স্থানীয়রা নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিট কর্মকর্তাকে দেখিনি।’

এ বিষয়ে লাঠিটিলা বিট কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি বনে আগুন লাগার  বিষয়টি এখনও জানি না‌। এটি সিলেট বনবিভাগের আওতাধীন। এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হবে।’