হবিগঞ্জ ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু Logo হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩ Logo শায়েস্তাগঞ্জের বিশাউড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ Logo শ্রীমঙ্গলে গাতাবলা আর-রাফী মাদ্রাসার বার্ষিক শিক্ষা সফর সম্পন্ন Logo চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার

জুরি উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া বনে আগুনে পুড়ে ছাই

মৌলভীবাজারের লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া এলাকায় এক কিলোমিটার জোরে বনে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে পুড়ে যাওয়া বনের বিষয়টি জানে না বন বিভাগ। এটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদীরা।

জানা যায়, জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনটি ৫৬৩১.৪০ হেক্টর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। বনের এ অংশে হতে যাচ্ছে দেশের তৃতীয় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক। কিন্তু প্রতি বছর এ বনের বিভিন্ন অংশে আগুন লাগলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রধান ফটক, জড়িছড়া রাস্তার প্রবেশ পথ ও শুকনাছড়ার এক কিলোমিটারের বেশি এলাকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী, বিরল প্রজাতির কীটপতঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রজাতির বৃক্ষের ক্ষতি হয়েছে।

এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী রিকশাচালক আহ্সান উল্লাল বলেন, ‘গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ করে আমরা বনে আগুন দেখতে পাই। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় বনের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি বন বিভাগকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যার ফলে এখানকার বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রাণীসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত সাফারি পার্ক এলাকায় বারবার পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হচ্ছে। আগুন দেখার পর আমরা স্থানীয়রা নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিট কর্মকর্তাকে দেখিনি।’

এ বিষয়ে লাঠিটিলা বিট কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি বনে আগুন লাগার  বিষয়টি এখনও জানি না‌। এটি সিলেট বনবিভাগের আওতাধীন। এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ

জুরি উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া বনে আগুনে পুড়ে ছাই

আপডেট সময় ০৩:১৬:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

মৌলভীবাজারের লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের দিলকুশ ও শুকনাছড়া এলাকায় এক কিলোমিটার জোরে বনে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে পুড়ে যাওয়া বনের বিষয়টি জানে না বন বিভাগ। এটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদীরা।

জানা যায়, জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনটি ৫৬৩১.৪০ হেক্টর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। বনের এ অংশে হতে যাচ্ছে দেশের তৃতীয় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক। কিন্তু প্রতি বছর এ বনের বিভিন্ন অংশে আগুন লাগলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রধান ফটক, জড়িছড়া রাস্তার প্রবেশ পথ ও শুকনাছড়ার এক কিলোমিটারের বেশি এলাকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী, বিরল প্রজাতির কীটপতঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রজাতির বৃক্ষের ক্ষতি হয়েছে।

এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী রিকশাচালক আহ্সান উল্লাল বলেন, ‘গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ করে আমরা বনে আগুন দেখতে পাই। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় বনের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি বন বিভাগকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যার ফলে এখানকার বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রাণীসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত সাফারি পার্ক এলাকায় বারবার পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হচ্ছে। আগুন দেখার পর আমরা স্থানীয়রা নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিট কর্মকর্তাকে দেখিনি।’

এ বিষয়ে লাঠিটিলা বিট কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি বনে আগুন লাগার  বিষয়টি এখনও জানি না‌। এটি সিলেট বনবিভাগের আওতাধীন। এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হবে।’