হবিগঞ্জ ১০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জেরে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন Logo ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি Logo দেওরগাছ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: তরুণ ভোটারদের আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী মারুফ Logo চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল Logo দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা Logo মিষ্টি ওজনে কম দেওয়ায় চুনারুঘাটে হোটেলকে জরিমানা Logo চুনারুঘাটে কোয়াবের ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন Logo মাধবপুরে হামলার শিকার পরিবারই মামলার আসামি, বিচার দাবি

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিএনপি’র পতাকা তলে থেকেই মানুষের জন্য কাজ করতে চাই-সৈয়দ মোঃ ফয়সল

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেছেন, বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের শত নির্যাতন, মামলা-হামলাকে সহ্য করেছি। তবুও বিএনপি ছেড়ে যায়নি আমার বড় ভাই সাবেক প্রতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোঃ কায়সার সাহেব।

এমনকি ওনাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে বছরের পর বছর কারাগারে রেখে মেরে ফেলেছে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাহেবকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক বলায় আমার আরেক ছোট ভাই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহানকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা দিয়ে হয়রানী করেছে।

আমার বাড়ীতে বোমা হামলা করেছে, শিল্প-কারখানায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে তবু দলের আর্দশ ছেড়ে যায়নি। তাই বিএনপি’র পতাকা তলে থেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে চাই।

মৃত্যু আহ পর্যন্ত বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজে দলীয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে অত্যান্ত ভালবাসেন।

তাই বিএনপির শাসনামলে এমপি মন্ত্রী না হয়েও মাধবপুর-চুনারুঘাটে শত শত কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ করেছি।

বিএনপি একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। দলের ঐক্যকে বিনষ্ট করার জন্য ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার দোসরা উঠে-পড়ে লেগেছে। তাদের কাছ থেকে আমাদেরকে সাবধান থাকতে হবে। কোন অবস্থাতেই ঐক্য নষ্ট করা যাবে না।

তিনি রোববার সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষে মাধবপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা গুলো বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে সায়হাম কটর্ন মিলস’র এমডি প্রকৌশলী সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদ বলেন মাধবপুর-চুনারুঘাটের মানুষের সঙ্গে আমাদের সর্ম্পক আত্নার সর্ম্পক।

এ সর্ম্পক একদিনে নয় শত বছরের সর্ম্পক। এ সর্ম্পকের টানে বাবার আদেশে বিদেশে পড়া-লেখা করে আরাম আয়েশের জীবন ত্যাগ করে দেশে চলে আসি।

কিন্তু বিগত ১৬ টি বছর ফ্যাসিষ্ট সরকার আমাদেরকে স্বাধীন ভাবে ব্যবসা করতে দেয় নাই। পদে পদে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। তাই এখন সুযোগ এসেছে এলাকার জন কিছু করার। আমার বাবাকে সুযোগ দেন আমরা উন্নয়ন দিব।

উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি পারভেজ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, সায়হাম গ্রুপের অন্যতম পরিচালক প্রকৌশলী এবিএম হুমায়ুন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুল ইসলাম কামাল, পৌর বিএনপির সভাপতি গোলাপ খান, সাধারন সম্পাদক হামিদুর রহমান, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক, সাবেক ভাই চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, সিনিয়র সহসভাপতি হাজী অলিউল্লাহ, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাসুকুর রহমান মাসুক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সোহাগ, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মিয়া, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক চৌধুরী ফজলে ইমাম সুমন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামাল বাবুল, সামসুল ইসলাম মামুন, লুৎফুর রহমান খাঁন, বাবুল হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায় কবির চৌধুরী, মশিউর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ মারুফ মিয়া, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক জুলহাসউদ্দিন রিংকু, পৌর যুবদলের আহবায়ক জনি পাঠান, যুগ্ম আহবায়ক এমদাদুল হক সুজন, জসিম শিকদার, শ্রমিক দলের আহবায়ক মাসুদ আলী যুগ্ম আহবায়ক লিটন পাঠান, কৃষক দলের আহবায়ক মুখলেছুর রহমান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ফরিদুর রহমান, পৌর আহবায়ক আলগীর কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক রাশেল আহম্মদ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভা হলেও পরবর্তীতে তা জনসভায় রুপ নেয়। তৃর্নমূলের নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্র্তৃক ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ মোঃ ফয়সলকে দলীয় মনোনয়ন আনার জন্য অনুরোধ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিএনপি’র পতাকা তলে থেকেই মানুষের জন্য কাজ করতে চাই-সৈয়দ মোঃ ফয়সল

আপডেট সময় ১১:৪০:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেছেন, বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের শত নির্যাতন, মামলা-হামলাকে সহ্য করেছি। তবুও বিএনপি ছেড়ে যায়নি আমার বড় ভাই সাবেক প্রতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোঃ কায়সার সাহেব।

এমনকি ওনাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে বছরের পর বছর কারাগারে রেখে মেরে ফেলেছে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাহেবকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক বলায় আমার আরেক ছোট ভাই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহানকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা দিয়ে হয়রানী করেছে।

আমার বাড়ীতে বোমা হামলা করেছে, শিল্প-কারখানায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে তবু দলের আর্দশ ছেড়ে যায়নি। তাই বিএনপি’র পতাকা তলে থেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে চাই।

মৃত্যু আহ পর্যন্ত বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজে দলীয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে অত্যান্ত ভালবাসেন।

তাই বিএনপির শাসনামলে এমপি মন্ত্রী না হয়েও মাধবপুর-চুনারুঘাটে শত শত কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ করেছি।

বিএনপি একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। দলের ঐক্যকে বিনষ্ট করার জন্য ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার দোসরা উঠে-পড়ে লেগেছে। তাদের কাছ থেকে আমাদেরকে সাবধান থাকতে হবে। কোন অবস্থাতেই ঐক্য নষ্ট করা যাবে না।

তিনি রোববার সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষে মাধবপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা গুলো বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে সায়হাম কটর্ন মিলস’র এমডি প্রকৌশলী সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদ বলেন মাধবপুর-চুনারুঘাটের মানুষের সঙ্গে আমাদের সর্ম্পক আত্নার সর্ম্পক।

এ সর্ম্পক একদিনে নয় শত বছরের সর্ম্পক। এ সর্ম্পকের টানে বাবার আদেশে বিদেশে পড়া-লেখা করে আরাম আয়েশের জীবন ত্যাগ করে দেশে চলে আসি।

কিন্তু বিগত ১৬ টি বছর ফ্যাসিষ্ট সরকার আমাদেরকে স্বাধীন ভাবে ব্যবসা করতে দেয় নাই। পদে পদে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। তাই এখন সুযোগ এসেছে এলাকার জন কিছু করার। আমার বাবাকে সুযোগ দেন আমরা উন্নয়ন দিব।

উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি পারভেজ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, সায়হাম গ্রুপের অন্যতম পরিচালক প্রকৌশলী এবিএম হুমায়ুন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুল ইসলাম কামাল, পৌর বিএনপির সভাপতি গোলাপ খান, সাধারন সম্পাদক হামিদুর রহমান, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক, সাবেক ভাই চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, সিনিয়র সহসভাপতি হাজী অলিউল্লাহ, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাসুকুর রহমান মাসুক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সোহাগ, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মিয়া, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক চৌধুরী ফজলে ইমাম সুমন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামাল বাবুল, সামসুল ইসলাম মামুন, লুৎফুর রহমান খাঁন, বাবুল হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায় কবির চৌধুরী, মশিউর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ মারুফ মিয়া, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক জুলহাসউদ্দিন রিংকু, পৌর যুবদলের আহবায়ক জনি পাঠান, যুগ্ম আহবায়ক এমদাদুল হক সুজন, জসিম শিকদার, শ্রমিক দলের আহবায়ক মাসুদ আলী যুগ্ম আহবায়ক লিটন পাঠান, কৃষক দলের আহবায়ক মুখলেছুর রহমান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ফরিদুর রহমান, পৌর আহবায়ক আলগীর কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক রাশেল আহম্মদ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভা হলেও পরবর্তীতে তা জনসভায় রুপ নেয়। তৃর্নমূলের নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্র্তৃক ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ মোঃ ফয়সলকে দলীয় মনোনয়ন আনার জন্য অনুরোধ করেন।