হবিগঞ্জ ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মামা নিহত, ভাগনে আহত Logo ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়ে চুনারুঘাট পৌরসভার অভিযান অব্যাহত Logo চুনারুঘাটের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস Logo চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযানে বালুভর্তি ২ ইজিবাইক জব্দ Logo দক্ষিণাচরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন মসজিদ নির্মাণে ২০১০ ব্যাচের ৪৫ হাজার টাকা অনুদান Logo চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও ভিডিও প্রদর্শনী Logo শানখলা ইউনিয়নে উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম Logo চুনারুঘাটে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চুনারুঘাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু Logo চুনারুঘাটে প্রশাসনের জব্দকৃত সিলিকা বালু পাচারের চেষ্টা, ট্রাকচালকের ২ মাসের কারাদণ্ড

নবীগঞ্জ উপজেলায় পৃথক স্থানে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৫০

নবীগঞ্জ উপজেলায় দুই গ্রামের পৃথকভাবে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্য ২জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ও স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামে ও ইনাতগঞ্জে দুটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারন এলাকার আইনশৃঙখলা পরিস্থিতি নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের বৃহত্তম কসবা একটি আলোচিত গ্রাম। বিগত প্রায় ৭/৮ বছর পূর্বে গ্রামবাসীর মধ্য বিরোধের সৃষ্টি হয়। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার লোকের বসবাস গ্রামবাসী দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষ, হামলা,পাল্টা হামলা,নারী নির্যাতন,বাড়িঘর ভাংচু, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ ৫টি হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে উপজেলার জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যস্থ্যতায় গ্রামে শান্তি ফিরে আসে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় আতংক বিরাজ করছে।

শুক্রবার রাত ৮টায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কসবা গ্রামের ময়ুর হোসেন ও মাহমুদ আলীর পক্ষের লোকজনের মধ্য সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় ২ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হন। গুরুতর আহত লিটন মিয়া(৩৮) ও রাশাহিদ মিয়া(৩২) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অন্যান্য আহতরা হলেন ছেরাগ আলী(২৭),ছাদ্দিক মিয়া(৪৫),সাহিবুর রহমান(৩৮),মনসুর আহমেদ (২৮),তছলিম মিয়া (২৬),আহাদ মিয়া( (৪৮),ফয়েজ আহমেদ(৫০),ইমরান মিয়া(২৩),দিলবার হোসেন(৪০) কে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরে এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলেও সংঘর্ষের পর ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

অপরদিকে, শনিবার দুপুরে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের প্রজাতপুর গ্রামের মালু মিয়া ও আনসার উদ্দিনের লোকদের মধ্য গরু ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। খন্টাব্যাপী সংঘর্ষে নারীসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন মালু মিয়া(৫২),সুবায়েল মিয়া(৩০),মামুন আহমেদ(২৮),রুহেল(২৫),রিপন(২২),মহিমা বেগম(৩৫)। তাদেরকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) লোকেস দাশ বলেন, কসবা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় আমরা ঘটনাস্থলে ছিলাম। প্রজাতপুরে সংঘটিত সংঘর্ষের ব্যাপারে জানেন না বলে তিনি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মামা নিহত, ভাগনে আহত

নবীগঞ্জ উপজেলায় পৃথক স্থানে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৫০

আপডেট সময় ০৭:২০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ মার্চ ২০২২

নবীগঞ্জ উপজেলায় দুই গ্রামের পৃথকভাবে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্য ২জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ও স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামে ও ইনাতগঞ্জে দুটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারন এলাকার আইনশৃঙখলা পরিস্থিতি নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের বৃহত্তম কসবা একটি আলোচিত গ্রাম। বিগত প্রায় ৭/৮ বছর পূর্বে গ্রামবাসীর মধ্য বিরোধের সৃষ্টি হয়। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার লোকের বসবাস গ্রামবাসী দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষ, হামলা,পাল্টা হামলা,নারী নির্যাতন,বাড়িঘর ভাংচু, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ ৫টি হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে উপজেলার জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যস্থ্যতায় গ্রামে শান্তি ফিরে আসে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় আতংক বিরাজ করছে।

শুক্রবার রাত ৮টায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কসবা গ্রামের ময়ুর হোসেন ও মাহমুদ আলীর পক্ষের লোকজনের মধ্য সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় ২ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হন। গুরুতর আহত লিটন মিয়া(৩৮) ও রাশাহিদ মিয়া(৩২) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অন্যান্য আহতরা হলেন ছেরাগ আলী(২৭),ছাদ্দিক মিয়া(৪৫),সাহিবুর রহমান(৩৮),মনসুর আহমেদ (২৮),তছলিম মিয়া (২৬),আহাদ মিয়া( (৪৮),ফয়েজ আহমেদ(৫০),ইমরান মিয়া(২৩),দিলবার হোসেন(৪০) কে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরে এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলেও সংঘর্ষের পর ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

অপরদিকে, শনিবার দুপুরে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের প্রজাতপুর গ্রামের মালু মিয়া ও আনসার উদ্দিনের লোকদের মধ্য গরু ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। খন্টাব্যাপী সংঘর্ষে নারীসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন মালু মিয়া(৫২),সুবায়েল মিয়া(৩০),মামুন আহমেদ(২৮),রুহেল(২৫),রিপন(২২),মহিমা বেগম(৩৫)। তাদেরকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) লোকেস দাশ বলেন, কসবা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় আমরা ঘটনাস্থলে ছিলাম। প্রজাতপুরে সংঘটিত সংঘর্ষের ব্যাপারে জানেন না বলে তিনি জানান।