হবিগঞ্জ ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ Logo চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু Logo সহপরিবারে ওমরাহ হজ্বে গেলেন চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী জহির আহমেদ Logo চুনারুঘাটে বৃহস্পতিবার নাশিদ সন্ধ্যা, অংশ নেবেন জনপ্রিয় শিল্পী ও ক্বারী Logo হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন Logo এক রাতে পাশাপাশি ৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সার্কেল এএসপি
উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ভাঙচুর

সাতছড়িতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ: বিএনপির নিন্দা, সিএমসি সভাপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে কয়েকটি হোটেল-রেস্টুরেন্টে ভাঙচুরের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে উপজেলা বিএনপি। গতকাল বুধবার দুপুরে বিএনপির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ নিন্দা জানান। এ ঘটনার সাথে জড়িত সিএমসি (সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি) সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুলের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরা উদ্যানে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। সাতছড়ি উদ্যানের ব্যবসায়ীদের প্রতি সমবেদনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক সামছুল হক তালুকদার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আবু নাঈম হালিম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ঈসা খাঁ এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মারুফ আহমেদ, যুবদল নেতা কবির মিয়া, গোলাপ তালুকদার, আইয়ুব আলী, সুয়েল মিয়া, জাসাসের সাবেক আহবায়ক মহরম আলী, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক সমুন মিয়া, সেচ্ছাসেবকদলের সদস্য রিপন মিয়া,  ছাত্রদল নেতা আরিফ সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি মীর সিরাজ আলী অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কিভাবে বনের সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির (সিএমসি) সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুল হোটেলে হামলা ও ভাংচুর চালায় আমার বোধগম্য নয়। ঘটনার দিন সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে আমাদের নেতৃবৃন্দের কথা হয়েছে। তিনি আমাদের জানিয়েছেন প্রশসানের পক্ষ থেকে সাতছড়ি কোন অভিযান পরিচালনা করা হবে না। কিন্তু উদ্যানের ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান এবং মোবারকের হোসেনে কার নির্দেশে ভাঙচুর করেছেন তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাদের ভূমিকা হতাশাজনক ছিল।

তিনি আর বলেন, ভাঙচুরের সময় আবুল হোসেনের ভুমিকা ছিল মারমুখী। এ যেন নিজের ব্যক্তিগত এজেন্টা বাস্তবায়নের জন্য যুদ্ধে নেমেছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে পর্যটন শিল্প, স্থানীয় ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ লিয়াকত হাসান বলেন, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র। এখানে আইনের শাসন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এমন কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকায় পরিচালিত এক অভিযানে মোস্তাক হোটেল, বিসমিল্লাহ হোটেল, মাসুম বিল্লাহ রেস্টুরেন্টসহ কয়েকটি পর্যটকসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাঙচুরের ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার পর থেকে ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভিডিও থেকে দেখা সিএমসির সভাপতি আবুল হোসেন দোকানের মালিককে গালাগালি ও হুমকি ধামকি দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে নিজেই একদল যুবক নিয়ে ভাঙচুর শুরু করেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, উপজেলা প্রশাসনের অনুমোদিত উচ্ছেদ কার্যক্রম বা পূর্ব নোটিশ ছাড়াই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সিএমসি সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তার পক্ষ থেকে মাসোহারা বা চাঁদা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করেই ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা যদি মাসোহারা দিতাম, তাহলে আমাদের হোটেলে ভাঙচুর হতো না। কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই হামলা চালানো হয়েছে। আমরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার চাই।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সিএমসি কমিটির মেয়াদ গত মে মাসের ৮ তারিখ শেষ হলেও কীভাবে সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুল ভাঙচুর অভিযানে অংশ নিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহ বলেন, “মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী আমি আমার হোটেল পরিচালনা করে আসছি। এরপরও শফিকুল ইসলাম আবুল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজ হাতে আমার হোটেলের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ভাঙচুর করেন। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।”

এ ছাড়া ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দা সোমা দেব, চিত্র রঞ্জন বর্মাসহ স্থানীয় অনেকেই এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ভাঙচুর

সাতছড়িতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ: বিএনপির নিন্দা, সিএমসি সভাপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

আপডেট সময় ০৮:৪৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে কয়েকটি হোটেল-রেস্টুরেন্টে ভাঙচুরের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে উপজেলা বিএনপি। গতকাল বুধবার দুপুরে বিএনপির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ নিন্দা জানান। এ ঘটনার সাথে জড়িত সিএমসি (সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি) সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুলের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরা উদ্যানে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। সাতছড়ি উদ্যানের ব্যবসায়ীদের প্রতি সমবেদনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক সামছুল হক তালুকদার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আবু নাঈম হালিম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ঈসা খাঁ এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মারুফ আহমেদ, যুবদল নেতা কবির মিয়া, গোলাপ তালুকদার, আইয়ুব আলী, সুয়েল মিয়া, জাসাসের সাবেক আহবায়ক মহরম আলী, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক সমুন মিয়া, সেচ্ছাসেবকদলের সদস্য রিপন মিয়া,  ছাত্রদল নেতা আরিফ সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি মীর সিরাজ আলী অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কিভাবে বনের সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির (সিএমসি) সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুল হোটেলে হামলা ও ভাংচুর চালায় আমার বোধগম্য নয়। ঘটনার দিন সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে আমাদের নেতৃবৃন্দের কথা হয়েছে। তিনি আমাদের জানিয়েছেন প্রশসানের পক্ষ থেকে সাতছড়ি কোন অভিযান পরিচালনা করা হবে না। কিন্তু উদ্যানের ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান এবং মোবারকের হোসেনে কার নির্দেশে ভাঙচুর করেছেন তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাদের ভূমিকা হতাশাজনক ছিল।

তিনি আর বলেন, ভাঙচুরের সময় আবুল হোসেনের ভুমিকা ছিল মারমুখী। এ যেন নিজের ব্যক্তিগত এজেন্টা বাস্তবায়নের জন্য যুদ্ধে নেমেছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে পর্যটন শিল্প, স্থানীয় ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ লিয়াকত হাসান বলেন, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র। এখানে আইনের শাসন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এমন কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকায় পরিচালিত এক অভিযানে মোস্তাক হোটেল, বিসমিল্লাহ হোটেল, মাসুম বিল্লাহ রেস্টুরেন্টসহ কয়েকটি পর্যটকসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাঙচুরের ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার পর থেকে ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভিডিও থেকে দেখা সিএমসির সভাপতি আবুল হোসেন দোকানের মালিককে গালাগালি ও হুমকি ধামকি দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে নিজেই একদল যুবক নিয়ে ভাঙচুর শুরু করেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, উপজেলা প্রশাসনের অনুমোদিত উচ্ছেদ কার্যক্রম বা পূর্ব নোটিশ ছাড়াই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সিএমসি সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তার পক্ষ থেকে মাসোহারা বা চাঁদা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করেই ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা যদি মাসোহারা দিতাম, তাহলে আমাদের হোটেলে ভাঙচুর হতো না। কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই হামলা চালানো হয়েছে। আমরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার চাই।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সিএমসি কমিটির মেয়াদ গত মে মাসের ৮ তারিখ শেষ হলেও কীভাবে সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুল ভাঙচুর অভিযানে অংশ নিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহ বলেন, “মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী আমি আমার হোটেল পরিচালনা করে আসছি। এরপরও শফিকুল ইসলাম আবুল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজ হাতে আমার হোটেলের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ভাঙচুর করেন। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।”

এ ছাড়া ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দা সোমা দেব, চিত্র রঞ্জন বর্মাসহ স্থানীয় অনেকেই এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।