হবিগঞ্জ ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন Logo এক রাতে পাশাপাশি ৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সার্কেল এএসপি Logo মিরাশী ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল মনাফ মিয়া Logo জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ইউএনও মেহেদী হাসানের Logo মাদক-অপরাধ দমনে চুনারুঘাটে পুলিশের নজরদারি বাড়ছে Logo ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন Logo চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য Logo তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি Logo লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহ্বান Logo চুনারুঘাটে ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই অতনু প্রত্যাহার

বাহুবলে আলোচিত তাজুল হত্যার আসামী মারুফকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব

বাহুবলে আলোচিত তাজুল ইসলাম হত্যা মামলার অন্যতম আসামী মারুফ মিয়া (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব ৯। গতকাল (১৬ মার্চ) শনিবার রাতে উপজেলা সদর ঢাকা সিলেট মহাসড়কের করাঙ্গী ব্রিজ এলাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে মারুফ মিয়াকে বাহুবল মডেল থানায় হস্তান্তর করা হলে রবিবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গেল বছরের সালের ৯ অক্টোবর সকালে বাহুবল উপজেলার ৭নং ভাদেশ্বর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে কবরস্থানে ছাগল ছাড়ানোকে কেন্দ্র করে ঐ গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে সোনাহর আলীর সাথে প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ তাজুল ইসলাম ও ফারুক মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়।

এ ঘটনার জের ধরে সোনাহর আলী, মাসুক মিয়া ও মারুফ মিয়ার সাথে একই গ্রামের প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলামের ছেলে তাজুল ইসলাম ও ফিরোজ মিয়ার ছেলে মোঃ ফারুক মিয়ার লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রায় ঘন্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তাজুল ইসলাম(৪০) নিহত হয়, এসময় প্রায় অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়।

এমতাবস্থায় প্রতিবেশী লোকজন এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাজুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত আনিছ মিয়াকে হবিগঞ্জ ও মতিন মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

উল্লেখ্য যে,দীর্ঘদিন যাবত কবরস্থানের মালিকানা নিয়ে সোনাহর আলী ও ফারুক মিয়ার লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো।

এ নিয়ে গ্রামে ৩/৪টি বিচার শালিসও হয়েছে।পরবর্তীতে গ্রামের মুরুব্বিয়ানরা বসে কবরস্থানটি গ্রামবাসীর বলে সিদ্ধান্ত করেন এবং উভয় পক্ষের কেউ কবরস্থানে গরু ছাগল না ছড়ানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কিন্ত বুধবার ৯ অক্টোবর সকালে সোনাহর আলী ও তার লোকজন গরু ছাগল নিয়ে কবরস্থানে আসলে ফারুক মিয়া ও তাজুল ইসলাম প্রতিবাদ করেন।এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

বাহুবলে আলোচিত তাজুল হত্যার আসামী মারুফকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব

আপডেট সময় ১২:৩১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

বাহুবলে আলোচিত তাজুল ইসলাম হত্যা মামলার অন্যতম আসামী মারুফ মিয়া (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব ৯। গতকাল (১৬ মার্চ) শনিবার রাতে উপজেলা সদর ঢাকা সিলেট মহাসড়কের করাঙ্গী ব্রিজ এলাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে মারুফ মিয়াকে বাহুবল মডেল থানায় হস্তান্তর করা হলে রবিবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গেল বছরের সালের ৯ অক্টোবর সকালে বাহুবল উপজেলার ৭নং ভাদেশ্বর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে কবরস্থানে ছাগল ছাড়ানোকে কেন্দ্র করে ঐ গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে সোনাহর আলীর সাথে প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ তাজুল ইসলাম ও ফারুক মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়।

এ ঘটনার জের ধরে সোনাহর আলী, মাসুক মিয়া ও মারুফ মিয়ার সাথে একই গ্রামের প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলামের ছেলে তাজুল ইসলাম ও ফিরোজ মিয়ার ছেলে মোঃ ফারুক মিয়ার লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রায় ঘন্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তাজুল ইসলাম(৪০) নিহত হয়, এসময় প্রায় অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়।

এমতাবস্থায় প্রতিবেশী লোকজন এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাজুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত আনিছ মিয়াকে হবিগঞ্জ ও মতিন মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

উল্লেখ্য যে,দীর্ঘদিন যাবত কবরস্থানের মালিকানা নিয়ে সোনাহর আলী ও ফারুক মিয়ার লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো।

এ নিয়ে গ্রামে ৩/৪টি বিচার শালিসও হয়েছে।পরবর্তীতে গ্রামের মুরুব্বিয়ানরা বসে কবরস্থানটি গ্রামবাসীর বলে সিদ্ধান্ত করেন এবং উভয় পক্ষের কেউ কবরস্থানে গরু ছাগল না ছড়ানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কিন্ত বুধবার ৯ অক্টোবর সকালে সোনাহর আলী ও তার লোকজন গরু ছাগল নিয়ে কবরস্থানে আসলে ফারুক মিয়া ও তাজুল ইসলাম প্রতিবাদ করেন।এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।