হবিগঞ্জ ০৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাদক-অপরাধ দমনে চুনারুঘাটে পুলিশের নজরদারি বাড়ছে Logo ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন Logo চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য Logo তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি Logo লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহ্বান Logo চুনারুঘাটে ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই অতনু প্রত্যাহার Logo চুনারুঘাটে হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে ক্ষোভ, তদন্ত কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: হাসপাতাল পরিদর্শনে জামায়াত নেতারা Logo আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ Logo সৌদিতে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনার দেশে ফেরার আকুতি

চুনারুঘাটে ক্ষিরা চাষ করে লাভবান ইউপি উদ্যোক্তা আতাউল হক ইমরান

খরচ কম লাভ বেশীর মধ্যে অন্যতম হলো রবি ফসলের ক্ষিরা চাষ। এ বছর প্রকৃতি অনুকূলে থাকায় চুনারুঘাটে ক্ষিরা চাষ করে কৃষক লাভবান হয়েছেন। চুনারুঘাট উপজেলায় কৃষকরা ক্ষিরা চাষ কম করেন অন্যান্য রবি ফসলের তুলনায়। এ বছর পবিত্র মাহে রমজান মাসে চুনারুঘাটে যখন শশার কেজি ৫০/৬০ টাকা তখন ক্ষিরার কেজি ৩০/৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের ইউপি উদ্যোক্তা আতাউল হক ইমরান অফিস কাজের পাশাাপাশি ২০ শতাংশ জমিতে ক্ষিরা প্রদর্শনী করেন। মঙ্গলবার প্রদর্শনী সরেজমিনে পর্যবেক্ষনে গিয়ে কথা হয় আতাউল হক ইমরানের সাথে।

তিনি বলেন আমি বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করি তবে ক্ষিরা চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশী বলে আমি মনে করি। ক্ষিরা বীজ বপনের পর তেমন বেশী পরিচর্চা করতে হয় না। রোগ বালাই ও অন্যান্য ফসল থেকে কম। মাঝে মধ্যে কীট নাশক ব্যবহার করলেই হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহিদুল ইসলাম জানান এ বছর ক্ষিরা চাষ কম হয়েছে। যারা করেছেন প্রত্যেকের ফলন ভাল হয়েছে। বেশী দামের শশা কেনা থেকে সাধারন ক্রেতা ক্ষিরা দিয়ে চাহিদা পূরন করতে পারছেন। ইমরান বলেন আমার কাছ থেকে পাইকাররা প্রতি কেজি ১৮/২০ টাকায় কিনে স্হানীয় বাজারে বিক্রি করছেন ৪০ টাকায়।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী কৃষক মিজানুর রহমান বলেন উৎপাদনকারীর চেয়ে পাইকাররা লাভবান বেশী এ বিষয়টা আসলেই দুঃখ জনক। মাথার ঘাম পায় ফেলে হাজার হাজার টকা খরচ করে ফসল চাষাবাদ করে যে টাকা পাই তার সমপরিমাণ এর চেয়ে বেশী লাভ করেন দালাল পাইকাররা। এখানে কৃষক ও ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্হ হলে ও আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন পাইকারা। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে বাজার পরিচালনা কমিটি উপজেলা ভোক্তা অধিকার পরিচালনাকারীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক ক্রেতাগন। এর সঠিক ব্যবস্হা গ্রহন করতে পারলে কৃষকদের যেমন সবজি চাষে আগ্রহ বাড়বে তেমনি সাধারণ ক্রেতা স্বল্প মূল্যে সবজি ক্রয় করতে পারবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক-অপরাধ দমনে চুনারুঘাটে পুলিশের নজরদারি বাড়ছে

চুনারুঘাটে ক্ষিরা চাষ করে লাভবান ইউপি উদ্যোক্তা আতাউল হক ইমরান

আপডেট সময় ০২:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

খরচ কম লাভ বেশীর মধ্যে অন্যতম হলো রবি ফসলের ক্ষিরা চাষ। এ বছর প্রকৃতি অনুকূলে থাকায় চুনারুঘাটে ক্ষিরা চাষ করে কৃষক লাভবান হয়েছেন। চুনারুঘাট উপজেলায় কৃষকরা ক্ষিরা চাষ কম করেন অন্যান্য রবি ফসলের তুলনায়। এ বছর পবিত্র মাহে রমজান মাসে চুনারুঘাটে যখন শশার কেজি ৫০/৬০ টাকা তখন ক্ষিরার কেজি ৩০/৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের ইউপি উদ্যোক্তা আতাউল হক ইমরান অফিস কাজের পাশাাপাশি ২০ শতাংশ জমিতে ক্ষিরা প্রদর্শনী করেন। মঙ্গলবার প্রদর্শনী সরেজমিনে পর্যবেক্ষনে গিয়ে কথা হয় আতাউল হক ইমরানের সাথে।

তিনি বলেন আমি বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করি তবে ক্ষিরা চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশী বলে আমি মনে করি। ক্ষিরা বীজ বপনের পর তেমন বেশী পরিচর্চা করতে হয় না। রোগ বালাই ও অন্যান্য ফসল থেকে কম। মাঝে মধ্যে কীট নাশক ব্যবহার করলেই হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহিদুল ইসলাম জানান এ বছর ক্ষিরা চাষ কম হয়েছে। যারা করেছেন প্রত্যেকের ফলন ভাল হয়েছে। বেশী দামের শশা কেনা থেকে সাধারন ক্রেতা ক্ষিরা দিয়ে চাহিদা পূরন করতে পারছেন। ইমরান বলেন আমার কাছ থেকে পাইকাররা প্রতি কেজি ১৮/২০ টাকায় কিনে স্হানীয় বাজারে বিক্রি করছেন ৪০ টাকায়।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী কৃষক মিজানুর রহমান বলেন উৎপাদনকারীর চেয়ে পাইকাররা লাভবান বেশী এ বিষয়টা আসলেই দুঃখ জনক। মাথার ঘাম পায় ফেলে হাজার হাজার টকা খরচ করে ফসল চাষাবাদ করে যে টাকা পাই তার সমপরিমাণ এর চেয়ে বেশী লাভ করেন দালাল পাইকাররা। এখানে কৃষক ও ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্হ হলে ও আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন পাইকারা। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে বাজার পরিচালনা কমিটি উপজেলা ভোক্তা অধিকার পরিচালনাকারীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক ক্রেতাগন। এর সঠিক ব্যবস্হা গ্রহন করতে পারলে কৃষকদের যেমন সবজি চাষে আগ্রহ বাড়বে তেমনি সাধারণ ক্রেতা স্বল্প মূল্যে সবজি ক্রয় করতে পারবে।