হবিগঞ্জ ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল ভুইয়ার ইন্তেকাল, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জানাজা Logo চুনারুঘাটের রাজারবাজার বালু মহালের রাজস্ব জমা ছাড়াই বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত Logo চুনারুঘাটের রাণীগাঁও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র সংস্কার ও জনবল নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন Logo চুনারুঘাটে বেড়েছে লোডশেডিং, জনজীবনে চরম ভোগান্তি: এমপির হস্তক্ষেপ চান এনসিপি নেতা তারেক Logo হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে দুই সংসদ সদস্য মনোনীত Logo হবিগঞ্জ বার নির্বাচনে বিজয়ী মঞ্জুর উদ্দিন সভাপতি, মাসুদ করিম সম্পাদক Logo চুনারুঘাটে সমতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফরম ও পাশবই বিতরণ Logo চুনারুঘাটে রাহী ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা ছাড়াই বালু বিক্রির অভিযোগ, ৫ ট্রাক জব্দ Logo চুনারুঘাটে ঘন ঘন ইউএনও বদলি: সেবায় ভোগান্তিতে উপজেলাবাসী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদে ঝড় Logo চুনারুঘাটে সালাম স্টীল গ্রুপ ও একে করপোরেশনের উদ্যোগে নির্মাণ শিল্পীদের মিলন মেলা

নবীগঞ্জে পরকীয়া প্রেমে ভাগিনার সাথে ঘর ছাড়লেন ২ সন্তানের জননী মামী

নবীগঞ্জের পরিকিয়া প্রেমে আসক্ত এক গৃহবধূ ভাগিনার সাথে পালিয়ে গেছে। উপজেলার দেবপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা যায়, দেবপাড়া পশ্চিমে বিজনা নদীর পাড়ে অসহায় দিন মজুর আমিন মিয়ার বাড়ী।তিনি পেশায় একজন অটো রিকশা শ্রমিক। ২০১১ সালে বিয়ে করেন আমিরুন আক্তারকে। তাদের ঔরসজাত দু’টি শিশু সন্তানও রয়েছে তাদের সংসারে বড় ছেলে কামরুল (৯) ছোট ছেলে সাইদুর (৭)। সংসার জীবনে তারা মোটামুটি সুখ শান্তিতেই কাটাচ্ছিলেন।

আমিন মিয়া জানান, গত বছর থেকে আমিরুন আক্তার তারই পাড়া প্রতিবেশী মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে তার সম্পর্কে ভাগিনা মকবুল নামের ১৬ বছর বয়সী কিশোরের সাথে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হন তিনি। কয়েকবার ঘর থেকেও পালিয়ে যান মকবুলের হাতধরে। তবে গ্রামবাসী ও স্থানীয় সামাজিক বিচারের মাধ্যমে এমন অপকর্মে আর কখনো জড়িত হবেননা মর্মে তাকে আবারো তৎকালীন সময়ে দিনমজুর শ্রমিক আমীনের ঘরে দেয়া হয়।

এদিকে গত ১২ ফেব্রুয়ারী হবিগঞ্জ নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামায় আমিরুন আক্তার তার স্বামীকে তালাক প্রদান করে গোপনে গোপনে মকবুলের সাথে আবারো পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন।
এঘটনার পর আবারো পাড়া প্রতিবেশী তাকে আমীনের সংসারে থাকার জন্য অনুরোধ করে মকবুলের সঙ্গ ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ জানান। তবে আমিরুন আক্তার সে তার সিদ্ধান্তে অটল, সে তার পরকীয়া প্রেমিক ভাগিনা মকবুলের হাতধরে গত মঙ্গলবার আবারো দিনদুপুরে পালিয়ে গিয়ে মকবুলের বাড়িতে চলে যায়৷ এদিকে মকবুলের পরিবার এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়াতে স্থানীয় সংরক্ষিত ইউপি মহিলা সদস্য মায়ারুন বেগম সহ এলাকার সামাজিক বিচারকদের মাধ্যমে আমিরুন আক্তারকে তার পূর্বের স্বামীর ঘরে দিতে চাইলে সে তা অনীহা প্রকাশ করে বলে মরতে হলে মকবুলের ঘরেই মরবো, তবুও সে আর কোথাও যাবেনা,যেহেতু মকবুল তাকে ভালবেসে হাত ধরে নিয়ে এসেছে সে মকবুলের কাছথেকে স্ত্রী’র মর্যাদা চায়৷ অপরদিকে কিশোর মকবুলের অপ্রাপ্ত বয়স হওয়াতে সামাজিক বিচারকেরা পড়েন বেকায়দায় তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি বলেও অনেকেই বলেন৷
তবে আমিরুন আক্তার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মকবুলের ঘরেই অবস্থান করছেন এবং এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন তিনি মকবুলকেই চান৷
এদিকে তার পূর্বের স্বামী আমিন মিয়া তার দু’টি অবুঝ শিশু সন্তান নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।

এ প্রতিনিধিকে তিনিও বলেন ভাইজান একবার নয়, আমার স্ত্রী আমিরুন এনিয়ে ৩ বারের মতো আমার ঘরথেকে পালিয়ে গেল এবং আমার উপরে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে আমাকে তালাক প্রদান করল। আমিও আমার সন্তানেরা এই আমিরুনকে আর চাইনা।

এব্যাপারে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য মায়ারুন বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন স্থানীয় ময়মুরুব্বিয়ান সহ গোপলার বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের সহায়তায় রমজান মাসের পূর্বেও আরেকবার এ বিষয়টি সুরাহা করেছিলেন তারা, তবুও আমিরুন আক্তার বারংবার এমন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন৷ যাহা সামাজিকভাবে কখনোই মেনে নেবার মতো নয়।
এ বিষয়ে পরকীয়া প্রেমিক মকবুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেো তা সম্ভব হয়নি। সে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টেরপেয়ে গা ঢাকা দেয়।
উক্ত ঘটনায় এলাকায় নানা ধরনের মুখরোচক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটের সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল ভুইয়ার ইন্তেকাল, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জানাজা

নবীগঞ্জে পরকীয়া প্রেমে ভাগিনার সাথে ঘর ছাড়লেন ২ সন্তানের জননী মামী

আপডেট সময় ০৭:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২

নবীগঞ্জের পরিকিয়া প্রেমে আসক্ত এক গৃহবধূ ভাগিনার সাথে পালিয়ে গেছে। উপজেলার দেবপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা যায়, দেবপাড়া পশ্চিমে বিজনা নদীর পাড়ে অসহায় দিন মজুর আমিন মিয়ার বাড়ী।তিনি পেশায় একজন অটো রিকশা শ্রমিক। ২০১১ সালে বিয়ে করেন আমিরুন আক্তারকে। তাদের ঔরসজাত দু’টি শিশু সন্তানও রয়েছে তাদের সংসারে বড় ছেলে কামরুল (৯) ছোট ছেলে সাইদুর (৭)। সংসার জীবনে তারা মোটামুটি সুখ শান্তিতেই কাটাচ্ছিলেন।

আমিন মিয়া জানান, গত বছর থেকে আমিরুন আক্তার তারই পাড়া প্রতিবেশী মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে তার সম্পর্কে ভাগিনা মকবুল নামের ১৬ বছর বয়সী কিশোরের সাথে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হন তিনি। কয়েকবার ঘর থেকেও পালিয়ে যান মকবুলের হাতধরে। তবে গ্রামবাসী ও স্থানীয় সামাজিক বিচারের মাধ্যমে এমন অপকর্মে আর কখনো জড়িত হবেননা মর্মে তাকে আবারো তৎকালীন সময়ে দিনমজুর শ্রমিক আমীনের ঘরে দেয়া হয়।

এদিকে গত ১২ ফেব্রুয়ারী হবিগঞ্জ নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামায় আমিরুন আক্তার তার স্বামীকে তালাক প্রদান করে গোপনে গোপনে মকবুলের সাথে আবারো পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন।
এঘটনার পর আবারো পাড়া প্রতিবেশী তাকে আমীনের সংসারে থাকার জন্য অনুরোধ করে মকবুলের সঙ্গ ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ জানান। তবে আমিরুন আক্তার সে তার সিদ্ধান্তে অটল, সে তার পরকীয়া প্রেমিক ভাগিনা মকবুলের হাতধরে গত মঙ্গলবার আবারো দিনদুপুরে পালিয়ে গিয়ে মকবুলের বাড়িতে চলে যায়৷ এদিকে মকবুলের পরিবার এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়াতে স্থানীয় সংরক্ষিত ইউপি মহিলা সদস্য মায়ারুন বেগম সহ এলাকার সামাজিক বিচারকদের মাধ্যমে আমিরুন আক্তারকে তার পূর্বের স্বামীর ঘরে দিতে চাইলে সে তা অনীহা প্রকাশ করে বলে মরতে হলে মকবুলের ঘরেই মরবো, তবুও সে আর কোথাও যাবেনা,যেহেতু মকবুল তাকে ভালবেসে হাত ধরে নিয়ে এসেছে সে মকবুলের কাছথেকে স্ত্রী’র মর্যাদা চায়৷ অপরদিকে কিশোর মকবুলের অপ্রাপ্ত বয়স হওয়াতে সামাজিক বিচারকেরা পড়েন বেকায়দায় তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি বলেও অনেকেই বলেন৷
তবে আমিরুন আক্তার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মকবুলের ঘরেই অবস্থান করছেন এবং এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন তিনি মকবুলকেই চান৷
এদিকে তার পূর্বের স্বামী আমিন মিয়া তার দু’টি অবুঝ শিশু সন্তান নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।

এ প্রতিনিধিকে তিনিও বলেন ভাইজান একবার নয়, আমার স্ত্রী আমিরুন এনিয়ে ৩ বারের মতো আমার ঘরথেকে পালিয়ে গেল এবং আমার উপরে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে আমাকে তালাক প্রদান করল। আমিও আমার সন্তানেরা এই আমিরুনকে আর চাইনা।

এব্যাপারে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য মায়ারুন বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন স্থানীয় ময়মুরুব্বিয়ান সহ গোপলার বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের সহায়তায় রমজান মাসের পূর্বেও আরেকবার এ বিষয়টি সুরাহা করেছিলেন তারা, তবুও আমিরুন আক্তার বারংবার এমন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন৷ যাহা সামাজিকভাবে কখনোই মেনে নেবার মতো নয়।
এ বিষয়ে পরকীয়া প্রেমিক মকবুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেো তা সম্ভব হয়নি। সে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টেরপেয়ে গা ঢাকা দেয়।
উক্ত ঘটনায় এলাকায় নানা ধরনের মুখরোচক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।