গত রবিবার (১৬ আগস্ট) হবিগঞ্জের স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় ‘চুনারুঘাট উপজেলা প্রশসানের নারী কর্মচারীকে বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির মধ্যে যে তথ্য প্রকাশ করেছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে যেসব তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বটে।
প্রকৃত ঘটনা হল, গত রবিবার বিকেলে আমার পরিবারের দুই শিশু ঝগড়াকে কেন্দ্র করে আমার ছোট ভাইয়ের ২ বউ ও আমার স্ত্রী কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে তারা তিনজন ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। পরে বিষয়টি আমি শুনে বাড়িতে গিয়ে তাদের মিমাংশা করে দেই এবং তাদের শাসন করি। কিন্তু আমার ছোট ভাইয়ের বউ রিনা আক্তার পারিবারিক ঘটনাকে ইউএনও ও থানা পুলিশ কে খবর দেয়। পরে ছোট বিষয়টি বড় করে। সে আমার বাড়িতে পুলিশ নিয়ে হুমকি ধামকি দেয়।
এছড়াও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিউজ করায়। যা আমাদের পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুন্ন করে। ইউএনও অফিসে চাকুরী করার সুবাধে সে নিজে অনেক ক্ষমতাবান মনে করে। আমাদের পুলিশ ও ইউএনও ভয় দেখায়। সংবাদে বলা হয় আমি নাকি তাকে মারপিট করেছি এবং রিনা ও তার মাকে আটকে রেখেছি। বিষয়টি সর্ম্পূণ মিথ্যা। ওই ঝগড়ার সময় রিনা ও তার মা মিলে আমার স্ত্রী ও আমার আরেক ছোট ভাইয়ের বউকে মারপিট করেছে।
মূলত পারিবারিক বিরোধের বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। যাহা সম্পূর্ণ কাল্পনিক। সংবাদের একাংশে বলা হয়েছে তাকে আটকে নির্যাতন করা হয়েছে যা মিথ্যা। সে আমার ছোট ভাইয়ের বউ সে আমাদের পৈত্তিক বাড়িতে বসবাস করে। তাকে আটকের রাখার বিষয়টা হাস্যকর বিষয়। কে তাকে আটক করে নির্যাতন করবে।
সাংবাদিক ভাইদের কাছে অনুরোধ প্রকৃত ঘটনা যেনে সংবাদ প্রকাশ করলে মানুষ সত্য ঘটনা জানতে পারবে।
আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। সংবাদের আমাকে জড়িয়ে যে সব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষরযন্ত্রমূলক। সাথে সাথে সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি যে, প্রকৃত ঘটনা জেনে সংবাদ প্রকাশ করতে অনুরোধ রইল।
তাই উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।
প্রতিবাদকারী
মোঃ সেলিম মিয়া
স্বত্তাধিকারী, মা-স্যানিটারী স্টোর
চুনারুঘাট, বাজার, চুনারুঘাট।
আলোকিত ডেস্ক: 



















