হবিগঞ্জ ০২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ Logo চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু Logo সহপরিবারে ওমরাহ হজ্বে গেলেন চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী জহির আহমেদ Logo চুনারুঘাটে বৃহস্পতিবার নাশিদ সন্ধ্যা, অংশ নেবেন জনপ্রিয় শিল্পী ও ক্বারী Logo হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন Logo এক রাতে পাশাপাশি ৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সার্কেল এএসপি Logo মিরাশী ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল মনাফ মিয়া
‘চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের নারী কর্মচারীকে বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন’

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রকৃত ঘটনা

  • আলোকিত ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ১২:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

গত রবিবার (১৬ আগস্ট) হবিগঞ্জের স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় ‘চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের নারী কর্মচারীকে বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ওই সংবাদে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে যেসব তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। প্রকৃত ঘটনা হলো, গত রবিবার বিকেলে আমার পরিবারের দুই শিশুর (উভয় আপন চাচাত বোন) এর মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী উপজেলার প্রশাসনের কর্মচারী জুনু আক্তার ও আমার স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে তারা দুজন ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি বাড়িতে গিয়ে তাদের ঝগড়া মীমাংসা করে দিই এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য তাদের বুঝিয়ে বলির। কিন্তু পরবর্তীতে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জুনু আক্তার বিষয়টি চুনারুঘাটের ইউএনও ও থানা পুলিশকে অবহিত করেন। একটি পারিবারিক বিষয়কে তিনি অতিরঞ্জিত করে পুলিশ নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেন। এছাড়া পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হওয়ায় আমাদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ও মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে চাকরি করার সুবাদে তিনি নিজেকে অনেক ক্ষমতাবান মনে করেন এবং বিভিন্ন সময় আমাদের পুলিশ ও ইউএনওর ভয় দেখান।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, আমি নাকি তাকে মারধর করেছি এবং জুনু আক্তার ও তার মা ও শিশু সন্তানকে আটক রেখে নির্যাতন করেছি। বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং ওই ঝগড়ার সময় জুনু আক্তার ও তার মা মিলে আমার স্ত্রী এবং আমার আরেক ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে মারধর করেছেন। মূলত আমার দুই ভাতিজির ঝগড়া নিয়ে ও পারিবারিক বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের কোনো কোনো অংশ সর্ম্পূন কাল্পনিক ঘটনা।

এছাড়াও সংবাদে জুনু আক্তারকে আটকে রেখে নির্যাতনের যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। জুনু আক্তার আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী এবং তিনি আমাদের পৈতৃক বাড়িতেই বসবাস করেন। একই বাড়িতে বসবাসরত একজন পারিবারিক সদস্যকে আটকে রেখে নির্যাতন করার অভিযোগটি সম্পূর্ণ হাস্যকর ও ভিত্তিহীন। আমি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, কোনো ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করে এবং প্রকৃত ঘটনা যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশ করবেন। এতে পাঠক ও সাধারণ মানুষ প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবেন এবং কারও মান-সম্মান অযথা ক্ষুন্ন হবে না।

আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক তথ্যের আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
মোঃ সেলিম মিয়া
স্বত্বাধিকারী, মা-স্যানিটারী স্টোর
চুনারুঘাট বাজার, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

‘চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের নারী কর্মচারীকে বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন’

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রকৃত ঘটনা

আপডেট সময় ১২:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

গত রবিবার (১৬ আগস্ট) হবিগঞ্জের স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় ‘চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের নারী কর্মচারীকে বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ওই সংবাদে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে যেসব তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। প্রকৃত ঘটনা হলো, গত রবিবার বিকেলে আমার পরিবারের দুই শিশুর (উভয় আপন চাচাত বোন) এর মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী উপজেলার প্রশাসনের কর্মচারী জুনু আক্তার ও আমার স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে তারা দুজন ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি বাড়িতে গিয়ে তাদের ঝগড়া মীমাংসা করে দিই এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য তাদের বুঝিয়ে বলির। কিন্তু পরবর্তীতে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জুনু আক্তার বিষয়টি চুনারুঘাটের ইউএনও ও থানা পুলিশকে অবহিত করেন। একটি পারিবারিক বিষয়কে তিনি অতিরঞ্জিত করে পুলিশ নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেন। এছাড়া পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হওয়ায় আমাদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ও মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে চাকরি করার সুবাদে তিনি নিজেকে অনেক ক্ষমতাবান মনে করেন এবং বিভিন্ন সময় আমাদের পুলিশ ও ইউএনওর ভয় দেখান।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, আমি নাকি তাকে মারধর করেছি এবং জুনু আক্তার ও তার মা ও শিশু সন্তানকে আটক রেখে নির্যাতন করেছি। বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং ওই ঝগড়ার সময় জুনু আক্তার ও তার মা মিলে আমার স্ত্রী এবং আমার আরেক ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে মারধর করেছেন। মূলত আমার দুই ভাতিজির ঝগড়া নিয়ে ও পারিবারিক বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের কোনো কোনো অংশ সর্ম্পূন কাল্পনিক ঘটনা।

এছাড়াও সংবাদে জুনু আক্তারকে আটকে রেখে নির্যাতনের যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। জুনু আক্তার আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী এবং তিনি আমাদের পৈতৃক বাড়িতেই বসবাস করেন। একই বাড়িতে বসবাসরত একজন পারিবারিক সদস্যকে আটকে রেখে নির্যাতন করার অভিযোগটি সম্পূর্ণ হাস্যকর ও ভিত্তিহীন। আমি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, কোনো ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করে এবং প্রকৃত ঘটনা যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশ করবেন। এতে পাঠক ও সাধারণ মানুষ প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবেন এবং কারও মান-সম্মান অযথা ক্ষুন্ন হবে না।

আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক তথ্যের আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
মোঃ সেলিম মিয়া
স্বত্বাধিকারী, মা-স্যানিটারী স্টোর
চুনারুঘাট বাজার, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।