হবিগঞ্জ ১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু Logo হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩ Logo শায়েস্তাগঞ্জের বিশাউড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ Logo শ্রীমঙ্গলে গাতাবলা আর-রাফী মাদ্রাসার বার্ষিক শিক্ষা সফর সম্পন্ন

নির্মাণ শেষের আগেই ২ বার ধসে পড়লো মডেল মসজিদের ছাদ

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদের ছাদ নির্মাণকালে শেষের দুইবার ধসে পড়েছে। গতকাল শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে দ্বিতীয়বার এ ধ্বসে ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে সরকারি একটি পুকুরের উপর নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের কাজ করছে এসএসএল অ্যান্ড আলী (জেভি) নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে মসজিদটি নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে দুই দুইবার ছাদ ধসে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, দেশের অন্যান্য এলাকায় মসজিদের কাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ করা হয়ে গেছে। অথচ বানিয়াচংয়ে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কচ্ছপ গতিতে চলছে কাজ। ইতিমধ্যে দুইবার ছাদ ধসে পড়েছে। এ যেনো দেখার যেনো কেউই নেই।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে জলাশয়ের উপর কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করা আইনসিদ্ধ নয়। এখানে কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে। একটি জলাশয় পরিবেশের ভারসাম্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, পুকুরের উপর এই মসজিদ নির্মাণ এবং বারবার ছাদ ধসে পড়ার কারণে ভবিষ্যতে মুসল্লিরা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন।

‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, যখন ছাদ আগেও ধসে পড়ে আমি ডিসি স্যারকে জানিয়েছি গতকাল দ্বিতীয় দফায় ছাদ ধসে পড়ার খবর স্যারকে জানিয়েছি।

অনিয়মের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই কাজের তদারকি করছেন পিডব্লিউও। এটা তারা দেখভাল করবেন। জলাশয়ের মাঝে স্থাপনা আইনসিদ্ধ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটাতো আগের কর্তৃপক্ষ আইন মেনে করেছেন। এটা আমার মন্তব্যের মধ্যে পড়ে না।

আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক

নির্মাণ শেষের আগেই ২ বার ধসে পড়লো মডেল মসজিদের ছাদ

আপডেট সময় ০৫:২৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদের ছাদ নির্মাণকালে শেষের দুইবার ধসে পড়েছে। গতকাল শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে দ্বিতীয়বার এ ধ্বসে ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে সরকারি একটি পুকুরের উপর নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের কাজ করছে এসএসএল অ্যান্ড আলী (জেভি) নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে মসজিদটি নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে দুই দুইবার ছাদ ধসে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, দেশের অন্যান্য এলাকায় মসজিদের কাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ করা হয়ে গেছে। অথচ বানিয়াচংয়ে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কচ্ছপ গতিতে চলছে কাজ। ইতিমধ্যে দুইবার ছাদ ধসে পড়েছে। এ যেনো দেখার যেনো কেউই নেই।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে জলাশয়ের উপর কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করা আইনসিদ্ধ নয়। এখানে কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে। একটি জলাশয় পরিবেশের ভারসাম্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, পুকুরের উপর এই মসজিদ নির্মাণ এবং বারবার ছাদ ধসে পড়ার কারণে ভবিষ্যতে মুসল্লিরা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন।

‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, যখন ছাদ আগেও ধসে পড়ে আমি ডিসি স্যারকে জানিয়েছি গতকাল দ্বিতীয় দফায় ছাদ ধসে পড়ার খবর স্যারকে জানিয়েছি।

অনিয়মের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই কাজের তদারকি করছেন পিডব্লিউও। এটা তারা দেখভাল করবেন। জলাশয়ের মাঝে স্থাপনা আইনসিদ্ধ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটাতো আগের কর্তৃপক্ষ আইন মেনে করেছেন। এটা আমার মন্তব্যের মধ্যে পড়ে না।