হবিগঞ্জ ১২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের ইকরতলী গাউছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় দারুল কেরাতের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ Logo কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না : হবিগঞ্জে বুচিনালা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনে হুইপ জি কে গউছ Logo ইঞ্জিনিয়ার টিটন দাশের বিরুদ্ধে ভেকু বাণিজ্য ও সরকারি সম্পদ চুক্তি ছাড়া হস্তান্তরের অভিযোগ Logo ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন, চুনারুঘাটে পল্লী বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ Logo চুনারুঘাট উপজেলা কাঠ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন Logo দেশের ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ Logo গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র সাউথ ইস্ট রিজিওনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo চুনারুঘাটে ভোরের আলো স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ৫শ’ প্যাকেট ইফতারি বিতরণ Logo চুনারুঘাট ফুটবল একাডেমির উদ্যোগে খেলোয়াড় ও সুধিজনদের সম্মানে ইফতার মাহফিল Logo চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের উদ্যোগে এতিমদের সম্মানে ইফতার মাহফিল

চুনারুঘাটে চাঞ্চল্যকর আকল মিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি রঞ্জনের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

  • রেজাউল করিমঃ
  • আপডেট সময় ০২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আকল মিয়া হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি রঞ্জন চন্দ্র পালের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর ) দুপুর ১২টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলিম তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর আদালতে সেচ্চায় আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর শরীফ মো: রেজাউল করিম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

উল্লে­খ্য, ২০১৮ সালের ১মার্চ ভোরে চুনারুঘাট শহরের বাল্লা রোডের বাসা থেকে বের হয়ে মসজিদে ফজরের নামজে যাওয়ার পথে বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আকল মিয়াকে হামলা করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতর বড় ছেলে এডভোকেট নাজমুল ইসলাম বকুল ঘটনার পরদিন রঞ্জন চন্দ্র পালকে প্রধান আসামি করে ৪জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে মামলার প্রধান আসামি রঞ্জন চন্দ্র পাল পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পর গত ২৬ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিহতের ছেলে নাজমুল ইসলাম বকুল জানান, আমার পিতা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থেকে দীর্ঘদিন যাবত চুনারুঘাট থানার মুরুব্বী হিসাবে বিভিন্ন সালিশ বিচারে বিচারকের ভূমিকা পালন করেছেন। বাজারের ব্যাবসায়ী মৃত চান মিয়া মহাজন তালুকদারের একটি ভুমি আসামি রঞ্জল পাল ও কুতুব আলী ভুয়া দলিল সৃষ্টি দখল করার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়টি নিয়ে চান মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার বাজারের সভাপতি আকল মিয়ার শরণাপন্ন হন। আকল মিয়ার ভুমিকার কারনে রঞ্জন চন্দ্র পাল ও কুতুব আলী ভূমি দখল নিতে পারেননি। এরই জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পনা করে আকল মিয়াকে হত্যা করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হবিগঞ্জ পিবিআই ইন্সপেক্টর শরীফ মো. রেজাউল করীম বলেন, প্রধান আসামি রঞ্জন পাল কে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ২দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

আশা করি তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ হত্যায় আরো যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটের ইকরতলী গাউছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় দারুল কেরাতের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ

চুনারুঘাটে চাঞ্চল্যকর আকল মিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি রঞ্জনের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় ০২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

চুনারুঘাট উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আকল মিয়া হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি রঞ্জন চন্দ্র পালের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর ) দুপুর ১২টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলিম তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর আদালতে সেচ্চায় আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর শরীফ মো: রেজাউল করিম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

উল্লে­খ্য, ২০১৮ সালের ১মার্চ ভোরে চুনারুঘাট শহরের বাল্লা রোডের বাসা থেকে বের হয়ে মসজিদে ফজরের নামজে যাওয়ার পথে বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আকল মিয়াকে হামলা করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতর বড় ছেলে এডভোকেট নাজমুল ইসলাম বকুল ঘটনার পরদিন রঞ্জন চন্দ্র পালকে প্রধান আসামি করে ৪জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে মামলার প্রধান আসামি রঞ্জন চন্দ্র পাল পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পর গত ২৬ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিহতের ছেলে নাজমুল ইসলাম বকুল জানান, আমার পিতা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থেকে দীর্ঘদিন যাবত চুনারুঘাট থানার মুরুব্বী হিসাবে বিভিন্ন সালিশ বিচারে বিচারকের ভূমিকা পালন করেছেন। বাজারের ব্যাবসায়ী মৃত চান মিয়া মহাজন তালুকদারের একটি ভুমি আসামি রঞ্জল পাল ও কুতুব আলী ভুয়া দলিল সৃষ্টি দখল করার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়টি নিয়ে চান মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার বাজারের সভাপতি আকল মিয়ার শরণাপন্ন হন। আকল মিয়ার ভুমিকার কারনে রঞ্জন চন্দ্র পাল ও কুতুব আলী ভূমি দখল নিতে পারেননি। এরই জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পনা করে আকল মিয়াকে হত্যা করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হবিগঞ্জ পিবিআই ইন্সপেক্টর শরীফ মো. রেজাউল করীম বলেন, প্রধান আসামি রঞ্জন পাল কে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ২দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

আশা করি তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ হত্যায় আরো যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।