হবিগঞ্জ ০৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে “সমতা ফাউন্ডেশন” এর কমিটি ঘোষণা, উন্নয়নের প্রত্যাশা এলাকাবাসীর Logo সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বেড়েই চলেছে: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় খোলা চিঠি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগানে অপহৃত পর্যটক নারী ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, আটক ১ Logo হবিগঞ্জে নবাগত পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের যোগদান Logo চোলাই মদ বিক্রির দায়ে কথিত সমাজসেবক নিরঞ্জন সাহা ও তার ভাই সস্ত্রীক কারাগারে Logo চুনারুঘাটের কালিশিরিতে লুৎফিয়া মাদানিয়া মডেল হাফিজিয়া মাদ্রাসার পাঠদান শুরু ২৯ মার্চ Logo চুনারুঘাটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত Logo একতা, শিক্ষা ও উন্নয়ন ভাবনায় ঘরগাঁও গ্রামে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত Logo মানবিক আবেদন: অসহায় রিকশাচালক বাবার আকুতি—বাঁচাতে চান মেয়েকে Logo চুনারুঘাটের নালমুখ বাজারে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শতাধিক গরু জবাই

চুনারুঘাটে চাঞ্চল্যকর আকল মিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি রঞ্জনের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

  • রেজাউল করিমঃ
  • আপডেট সময় ০২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আকল মিয়া হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি রঞ্জন চন্দ্র পালের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর ) দুপুর ১২টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলিম তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর আদালতে সেচ্চায় আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর শরীফ মো: রেজাউল করিম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

উল্লে­খ্য, ২০১৮ সালের ১মার্চ ভোরে চুনারুঘাট শহরের বাল্লা রোডের বাসা থেকে বের হয়ে মসজিদে ফজরের নামজে যাওয়ার পথে বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আকল মিয়াকে হামলা করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতর বড় ছেলে এডভোকেট নাজমুল ইসলাম বকুল ঘটনার পরদিন রঞ্জন চন্দ্র পালকে প্রধান আসামি করে ৪জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে মামলার প্রধান আসামি রঞ্জন চন্দ্র পাল পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পর গত ২৬ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিহতের ছেলে নাজমুল ইসলাম বকুল জানান, আমার পিতা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থেকে দীর্ঘদিন যাবত চুনারুঘাট থানার মুরুব্বী হিসাবে বিভিন্ন সালিশ বিচারে বিচারকের ভূমিকা পালন করেছেন। বাজারের ব্যাবসায়ী মৃত চান মিয়া মহাজন তালুকদারের একটি ভুমি আসামি রঞ্জল পাল ও কুতুব আলী ভুয়া দলিল সৃষ্টি দখল করার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়টি নিয়ে চান মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার বাজারের সভাপতি আকল মিয়ার শরণাপন্ন হন। আকল মিয়ার ভুমিকার কারনে রঞ্জন চন্দ্র পাল ও কুতুব আলী ভূমি দখল নিতে পারেননি। এরই জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পনা করে আকল মিয়াকে হত্যা করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হবিগঞ্জ পিবিআই ইন্সপেক্টর শরীফ মো. রেজাউল করীম বলেন, প্রধান আসামি রঞ্জন পাল কে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ২দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

আশা করি তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ হত্যায় আরো যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে “সমতা ফাউন্ডেশন” এর কমিটি ঘোষণা, উন্নয়নের প্রত্যাশা এলাকাবাসীর

চুনারুঘাটে চাঞ্চল্যকর আকল মিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি রঞ্জনের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় ০২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

চুনারুঘাট উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আকল মিয়া হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি রঞ্জন চন্দ্র পালের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর ) দুপুর ১২টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলিম তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর আদালতে সেচ্চায় আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর শরীফ মো: রেজাউল করিম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

উল্লে­খ্য, ২০১৮ সালের ১মার্চ ভোরে চুনারুঘাট শহরের বাল্লা রোডের বাসা থেকে বের হয়ে মসজিদে ফজরের নামজে যাওয়ার পথে বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আকল মিয়াকে হামলা করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতর বড় ছেলে এডভোকেট নাজমুল ইসলাম বকুল ঘটনার পরদিন রঞ্জন চন্দ্র পালকে প্রধান আসামি করে ৪জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে মামলার প্রধান আসামি রঞ্জন চন্দ্র পাল পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পর গত ২৬ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিহতের ছেলে নাজমুল ইসলাম বকুল জানান, আমার পিতা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থেকে দীর্ঘদিন যাবত চুনারুঘাট থানার মুরুব্বী হিসাবে বিভিন্ন সালিশ বিচারে বিচারকের ভূমিকা পালন করেছেন। বাজারের ব্যাবসায়ী মৃত চান মিয়া মহাজন তালুকদারের একটি ভুমি আসামি রঞ্জল পাল ও কুতুব আলী ভুয়া দলিল সৃষ্টি দখল করার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়টি নিয়ে চান মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার বাজারের সভাপতি আকল মিয়ার শরণাপন্ন হন। আকল মিয়ার ভুমিকার কারনে রঞ্জন চন্দ্র পাল ও কুতুব আলী ভূমি দখল নিতে পারেননি। এরই জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পনা করে আকল মিয়াকে হত্যা করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হবিগঞ্জ পিবিআই ইন্সপেক্টর শরীফ মো. রেজাউল করীম বলেন, প্রধান আসামি রঞ্জন পাল কে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ২দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

আশা করি তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ হত্যায় আরো যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।