আওয়ামী লীগের সাধারণ কর্মীরা সবাই অপরাধী নন বলে মন্তব্য করেছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল। তিনি মনে করেন, দলটির (আওয়ামী লীগ) ভেতরে অনেক নিরীহ মানুষ রয়েছেন, যারা কোনো ধরনের জুলুম-নির্যাতন বা অন্যায়ে জড়িত ছিলেন না। তবে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানুষকে নির্যাতন করেছেন, লুটপাট করেছেন বা অত্যাচার চালিয়েছেন– সেই দায় তাদেরই নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সৈয়দ মো. ফয়সল রোববার সকালে মাধবপুর ও চুনারুঘাটের ভোলারজুম বাজারসহ একাধিক এলাকায় নির্বাচনী সভায় দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, একজনের অপরাধের বোঝা অন্যের কাঁধে চাপানো গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর মাধবপুর ও চুনারুঘাটে যাতে কোনো নিরীহ মানুষের ওপর অন্যায়, জুলুম বা লুটতরাজ না হয়– সেজন্য বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন। বিএনপি সবসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে সবাই সমান নাগরিক মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে। কারও প্রতি যেন কোনো ধরনের অন্যায় বা নির্যাতন না হয়। নিরীহ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ওপর কোনো জুলুম হলে বিএনপি তা প্রতিহত করবে।’
তাঁর মতে, রাজনীতি হওয়া উচিত সম্প্রীতির, প্রতিহিংসার নয়। দল-মত, ধর্ম ও জাতি নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে মাধবপুর-চুনারুঘাটকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন সৈয়দ ফয়সল। একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এলাকায় বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে তিনি তাদের তুলনা করেন অতিথি পাখির সঙ্গে। তিনি বলেন, ওরা শীতে আসে, গরমে চলে যায়; মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
এদিন চুনারুঘাটে মহিলা দল আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন সৈয়দ ফয়সলের বড় ছেলে সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ। ছোট ছেলে ও সায়হাম গ্রুপের এমডি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ রেমা-কালেঙ্গা, আমু ও চন্ডি নালুয়া চা বাগানে গণসংযোগ করেন। তিনি বলেন, চা বাগানের শ্রমিক ও বাসিন্দারা এবার ঐক্যবদ্ধ। তারা উন্নয়ন ও নিরাপত্তা চায়। সৈয়দ মো. শাহজাহান দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে পাড়া-মহল্লায় প্রচারণা চালাচ্ছেন।
আলা উদ্দিন আল রনি: 









