হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ৮নং বুল্লা ইউনিয়ন উলামা পরিষদের উদ্যোগে নবীন ও প্রবীণ আলেম-উলামা, হাফেজ ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাফেজ কুতুবুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বুল্লা ইউনিয়ন উলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি খাদেমুল ইসলাম নূর কাসেমী ও ক্যাশিয়ার হাফেজ মাওলানা নাজমুল হক শাহিন। এতে সহযোগিতা করেন মাওলানা খাইরুল ইসলাম (খোকন) ও মাওলানা আমজাদ হোসাইন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-মাধবপুর উপজেলা উলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা শাহ গিয়াস উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা উলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি ওয়াজেদ আলী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মুফতি মারগুবুর রহমান, ক্বারী নুরুদ্দিনসহ উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম-উলামা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্বাগত বক্তব্য দেন বুল্লা ইউনিয়ন উলামা পরিষদের সহ-সভাপতি মুফতি মাওলানা যুবায়ের আহমদ। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি মাওলানা আরিফুল ইসলাম খান, মুফতি ইসমাইল রহমানী, খড়কী কাসেমুল উলূম মাদ্রাসার মুহতামীম, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল আলিম, ক্বারী মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, হাফেজ মোবারক মোল্লা, হাফেজ মাওলানা মুর্শিদুর রহমান, মুফতি মাওলানা নজরুল ইসলাম খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের খণ্ডকালীন শিক্ষক, বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন আহমদ (টেনু), হাফেজ আব্দুল মতিন, মাওলানা সুলাইমান চৌধুরী ও হাফেজ ইদ্রিসসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে বুল্লা ইউনিয়ন উলামা পরিষদের পক্ষ থেকে ৮০ জন আলেম, হাফেজ ও বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদেরও সম্মাননা জানানো হয়। প্রবীণ আলেম ও হাফেজদের মাঝে ছাতা, ব্যাগ ও গেঞ্জি বিতরণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, উলামা পরিষদ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। ইসলামের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, শিরক-বিদআত ও অপসংস্কৃতি প্রতিরোধ এবং সমাজ সংস্কারে কার্যকর ভূমিকা পালন করাই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মাধবপুর উপজেলা উলামা পরিষদ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে মুফতি ওয়াজেদ আলী বলেন, “আমরা উলামা পরিষদের জন্য, উলামা পরিষদ সকলের জন্য।” বক্তারা আরও বলেন, “আমরা ক্লান্ত হবো, কিন্তু ক্ষ্যান্ত হব না”—এই প্রত্যয় নিয়ে সংগঠনটি সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
মাধবপুর প্রতিনিধি : 

















