হবিগঞ্জ ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর যুবদলের বৃক্ষরোপণ Logo চুনারুঘাটে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বহিষ্কার Logo চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ Logo চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু Logo সহপরিবারে ওমরাহ হজ্বে গেলেন চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী জহির আহমেদ Logo চুনারুঘাটে বৃহস্পতিবার নাশিদ সন্ধ্যা, অংশ নেবেন জনপ্রিয় শিল্পী ও ক্বারী

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

চুনারুঘাটের সুপরিচিত পল্লী চিকিৎসক, ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে খ্যাত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় জনপদে। তার স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জালালাবাদ গ্যাসের সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শামীম।

তিনি জানান, প্রথমে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের দেওয়া পোস্টে ধীরেন্দ্রর ছবি দেখে চিনতে পারেননি। দীর্ঘদিন দেখা না হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং চেহারার পরিবর্তনের কারণে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগে। পরে আবার ছবিটি ভালো করে দেখে তিনি ধীরেন্দ্রকে চিনতে পারেন এবং গভীরভাবে মর্মাহত হন।

স্মৃতিচারণে শহিদুল ইসলাম শামীম উল্লেখ করেন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চুনারুঘাটের ডি এন টেইলার্স, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেবিন ডেকোরেটার্সসহ বিভিন্ন স্থানে ধীরেন্দ্রর সঙ্গে তার দীর্ঘ সময়ের আড্ডা ও ঘোরাঘুরির অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরেন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও মানবিক একজন মানুষ। কোনো রোগীকে সিলেট, ঢাকা কিংবা ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে হলে তাকে জানালেই তিনি সঙ্গে চলে যেতেন। প্রয়োজন হলে মাসের পর মাস হাসপাতালে রোগীর পাশে থেকে সেবা দিতেন।

জানা যায়, ধীরেন্দ্রর বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। পেশায় তিনি পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। একসময় সাইকেল চালিয়ে নরপতি থেকে মিরাশী বাজার পর্যন্ত গিয়ে রোগী দেখতেন। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে চিকিৎসা দিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা পারিশ্রমিকে সেবা প্রদান করতেন। এ কারণেই তিনি এলাকায় ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শহিদুল ইসলাম শামীম তার পোস্টে ধীরেন্দ্রর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ধীরেন্দ্রর মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার মানবিক সেবার স্মৃতি আজও সবার হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর যুবদলের বৃক্ষরোপণ

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

আপডেট সময় ০৭:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

চুনারুঘাটের সুপরিচিত পল্লী চিকিৎসক, ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে খ্যাত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় জনপদে। তার স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জালালাবাদ গ্যাসের সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শামীম।

তিনি জানান, প্রথমে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের দেওয়া পোস্টে ধীরেন্দ্রর ছবি দেখে চিনতে পারেননি। দীর্ঘদিন দেখা না হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং চেহারার পরিবর্তনের কারণে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগে। পরে আবার ছবিটি ভালো করে দেখে তিনি ধীরেন্দ্রকে চিনতে পারেন এবং গভীরভাবে মর্মাহত হন।

স্মৃতিচারণে শহিদুল ইসলাম শামীম উল্লেখ করেন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চুনারুঘাটের ডি এন টেইলার্স, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেবিন ডেকোরেটার্সসহ বিভিন্ন স্থানে ধীরেন্দ্রর সঙ্গে তার দীর্ঘ সময়ের আড্ডা ও ঘোরাঘুরির অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরেন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও মানবিক একজন মানুষ। কোনো রোগীকে সিলেট, ঢাকা কিংবা ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে হলে তাকে জানালেই তিনি সঙ্গে চলে যেতেন। প্রয়োজন হলে মাসের পর মাস হাসপাতালে রোগীর পাশে থেকে সেবা দিতেন।

জানা যায়, ধীরেন্দ্রর বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। পেশায় তিনি পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। একসময় সাইকেল চালিয়ে নরপতি থেকে মিরাশী বাজার পর্যন্ত গিয়ে রোগী দেখতেন। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে চিকিৎসা দিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা পারিশ্রমিকে সেবা প্রদান করতেন। এ কারণেই তিনি এলাকায় ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শহিদুল ইসলাম শামীম তার পোস্টে ধীরেন্দ্রর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ধীরেন্দ্রর মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার মানবিক সেবার স্মৃতি আজও সবার হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।