হবিগঞ্জ ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম Logo চুনারুঘাটের নরপতি গ্রামের গরিবের ডাক্তার ধীরেন্দ্র আর নেই Logo পাথর ফেলে রাস্তা দখল, ভোগান্তিতে চুনারুঘাট–শায়েস্তাগঞ্জের যাত্রীরা, নজর নেই সংশ্লিষ্টদের Logo চুনারুঘাটে খোয়াই নদীর জরাজীর্ণ বেইলি সেতু: জনদুর্ভোগের অন্য নাম, এমপির দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন প্রবাসী বাবুল Logo মাধবপুরে তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, তেল লুটপাট করতে স্থানীয়দের ভিড় Logo হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণে ডিও লেটার, উন্নয়নে গতি আনছেন হুইপ জিকে গউছ Logo ​নর্থ লন্ডনে ‘বাংলার সুর ইউকে’-এর উদ্যোগে ঈদ উদযাপন ও সংবর্ধনা Logo চুনারুঘাট শিক্ষা ট্রাস্টের জন্য তহবিল গঠন: প্রতিষ্ঠাতা দাতা হওয়ার আহ্বান Logo চুনারুঘাট শহরে পাবলিক টয়লেট সংকট: প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করলেন প্রবাসী সমাজসেবক বাবুল Logo মাধবপুরে শিমুলঘরে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে মাহফিল, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

চুনারুঘাটের সুপরিচিত পল্লী চিকিৎসক, ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে খ্যাত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় জনপদে। তার স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জালালাবাদ গ্যাসের সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শামীম।

তিনি জানান, প্রথমে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের দেওয়া পোস্টে ধীরেন্দ্রর ছবি দেখে চিনতে পারেননি। দীর্ঘদিন দেখা না হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং চেহারার পরিবর্তনের কারণে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগে। পরে আবার ছবিটি ভালো করে দেখে তিনি ধীরেন্দ্রকে চিনতে পারেন এবং গভীরভাবে মর্মাহত হন।

স্মৃতিচারণে শহিদুল ইসলাম শামীম উল্লেখ করেন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চুনারুঘাটের ডি এন টেইলার্স, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেবিন ডেকোরেটার্সসহ বিভিন্ন স্থানে ধীরেন্দ্রর সঙ্গে তার দীর্ঘ সময়ের আড্ডা ও ঘোরাঘুরির অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরেন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও মানবিক একজন মানুষ। কোনো রোগীকে সিলেট, ঢাকা কিংবা ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে হলে তাকে জানালেই তিনি সঙ্গে চলে যেতেন। প্রয়োজন হলে মাসের পর মাস হাসপাতালে রোগীর পাশে থেকে সেবা দিতেন।

জানা যায়, ধীরেন্দ্রর বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। পেশায় তিনি পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। একসময় সাইকেল চালিয়ে নরপতি থেকে মিরাশী বাজার পর্যন্ত গিয়ে রোগী দেখতেন। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে চিকিৎসা দিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা পারিশ্রমিকে সেবা প্রদান করতেন। এ কারণেই তিনি এলাকায় ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শহিদুল ইসলাম শামীম তার পোস্টে ধীরেন্দ্রর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ধীরেন্দ্রর মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার মানবিক সেবার স্মৃতি আজও সবার হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

আপডেট সময় ০৭:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

চুনারুঘাটের সুপরিচিত পল্লী চিকিৎসক, ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে খ্যাত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় জনপদে। তার স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জালালাবাদ গ্যাসের সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শামীম।

তিনি জানান, প্রথমে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের দেওয়া পোস্টে ধীরেন্দ্রর ছবি দেখে চিনতে পারেননি। দীর্ঘদিন দেখা না হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং চেহারার পরিবর্তনের কারণে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগে। পরে আবার ছবিটি ভালো করে দেখে তিনি ধীরেন্দ্রকে চিনতে পারেন এবং গভীরভাবে মর্মাহত হন।

স্মৃতিচারণে শহিদুল ইসলাম শামীম উল্লেখ করেন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চুনারুঘাটের ডি এন টেইলার্স, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেবিন ডেকোরেটার্সসহ বিভিন্ন স্থানে ধীরেন্দ্রর সঙ্গে তার দীর্ঘ সময়ের আড্ডা ও ঘোরাঘুরির অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরেন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও মানবিক একজন মানুষ। কোনো রোগীকে সিলেট, ঢাকা কিংবা ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে হলে তাকে জানালেই তিনি সঙ্গে চলে যেতেন। প্রয়োজন হলে মাসের পর মাস হাসপাতালে রোগীর পাশে থেকে সেবা দিতেন।

জানা যায়, ধীরেন্দ্রর বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। পেশায় তিনি পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। একসময় সাইকেল চালিয়ে নরপতি থেকে মিরাশী বাজার পর্যন্ত গিয়ে রোগী দেখতেন। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে চিকিৎসা দিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা পারিশ্রমিকে সেবা প্রদান করতেন। এ কারণেই তিনি এলাকায় ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শহিদুল ইসলাম শামীম তার পোস্টে ধীরেন্দ্রর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ধীরেন্দ্রর মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার মানবিক সেবার স্মৃতি আজও সবার হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।