হবিগঞ্জ ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিএনপির রাজনীতি করে সব হারানো খিজির খান, এখনও বৈষম্যের শিকার Logo চুনারুঘাটে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও ওজনে কম দেওয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত Logo চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জেরে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন Logo ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি Logo দেওরগাছ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: তরুণ ভোটারদের আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী মারুফ Logo চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল Logo দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা

চোলাই মদ বিক্রির দায়ে কথিত সমাজসেবক নিরঞ্জন সাহা ও তার ভাই সস্ত্রীক কারাগারে

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে চোলাই মদ বিক্রির অভিযোগে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কথিত সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী নিরঞ্জন সাহা (নিরু), তার স্ত্রী লিপি রাণী সাহা এবং তার ভাই নিখিল সাহাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সম্প্রতি সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আকবর হোসাইনের আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের এক আইনজীবী জানান, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে আনা অভিযোগ গুরুতর হওয়ায় আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দিরাই থানার এসআই নিউটন মৃধা দিরাই পৌরসভার হারানপুর এলাকায় নিরঞ্জন সাহার মদের দোকানে অভিযান চালান। এ সময় দোকান থেকে প্রায় দেড় হাজার লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। যদিও কেরু অ্যান্ড কোম্পানির দেশীয় মদ বিক্রির লাইসেন্স ছিল, তবে সেই লাইসেন্সের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চোলাই মদ বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযানকালে দোকানের দুই কর্মচারীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিরঞ্জন সাহা, তার স্ত্রী লিপি রাণী সাহা, ভাই নিখিল সাহা এবং আটক দুই কর্মচারীসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে দিরাই থানায় মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ১/২৬)।

মামলার পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গত ১৫ মার্চ তারা সুনামগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তারা সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিরঞ্জন সাহার বাড়ি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকায়। তিনি দিরাইয়ে মদের ব্যবসা পরিচালনা করলেও বাহুবলে বিভিন্ন দান-অনুদানের মাধ্যমে নিজেকে সমাজসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এছাড়া তিনি মিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিরঞ্জন সাহা ও তার অনুসারীরা প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে হয়রানি করতেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির রাজনীতি করে সব হারানো খিজির খান, এখনও বৈষম্যের শিকার

চোলাই মদ বিক্রির দায়ে কথিত সমাজসেবক নিরঞ্জন সাহা ও তার ভাই সস্ত্রীক কারাগারে

আপডেট সময় ০২:০৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে চোলাই মদ বিক্রির অভিযোগে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কথিত সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী নিরঞ্জন সাহা (নিরু), তার স্ত্রী লিপি রাণী সাহা এবং তার ভাই নিখিল সাহাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সম্প্রতি সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আকবর হোসাইনের আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের এক আইনজীবী জানান, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে আনা অভিযোগ গুরুতর হওয়ায় আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দিরাই থানার এসআই নিউটন মৃধা দিরাই পৌরসভার হারানপুর এলাকায় নিরঞ্জন সাহার মদের দোকানে অভিযান চালান। এ সময় দোকান থেকে প্রায় দেড় হাজার লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। যদিও কেরু অ্যান্ড কোম্পানির দেশীয় মদ বিক্রির লাইসেন্স ছিল, তবে সেই লাইসেন্সের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চোলাই মদ বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযানকালে দোকানের দুই কর্মচারীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিরঞ্জন সাহা, তার স্ত্রী লিপি রাণী সাহা, ভাই নিখিল সাহা এবং আটক দুই কর্মচারীসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে দিরাই থানায় মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ১/২৬)।

মামলার পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গত ১৫ মার্চ তারা সুনামগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তারা সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিরঞ্জন সাহার বাড়ি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকায়। তিনি দিরাইয়ে মদের ব্যবসা পরিচালনা করলেও বাহুবলে বিভিন্ন দান-অনুদানের মাধ্যমে নিজেকে সমাজসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এছাড়া তিনি মিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিরঞ্জন সাহা ও তার অনুসারীরা প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে হয়রানি করতেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।