চুনারুঘাট উপজেলার পীরের গাঁও গ্রামের অসহায় রিকশাচালক ফরিদ মিয়ার ২২ বছর বয়সী কন্যা শিরিন আক্তার গুরুতর অসুস্থ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করছে।
গত ২৭ রমজানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে চুনারুঘাট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর দেখে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
পরবর্তীতে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তার জরায়ুতে টিউমার হয়েছে এবং জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউ সাপোর্ট ও অপারেশন প্রয়োজন। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় চিকিৎসকদের পরামর্শে বাধ্য হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসা ও টিউমার অপারেশনের জন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মতো ব্যয় ধরা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ যোগাড় করা দিনমজুর রিকশাচালক ফরিদ মিয়ার পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
অসহায় এই বাবা কাঁদতে কাঁদতে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি এবং মানবিক হৃদয়ের মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন—আপনাদের যাকাত, ফিতরা কিংবা সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে তার মেয়ের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।
👉 আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করি।
👉 আপনার সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে শিরিনের নতুন জীবনের আশার আলো।
যোগাযোগ ও সহায়তার জন্য:
ফরিদ মিয়া নিজ বিকাশ পার্সোনাল নাম্বার
👇
01742427924
মানবিকতার এই পরীক্ষায় আপনি কি এগিয়ে আসবেন?
সেই সাথে পোস্টটি শেয়ার বা কপি করে নিজ ওয়ালে আপলোড দিয়ে সকলের নজরে নিয়ে আসার বিনীত অনুরোধ করা হলো।
রাজীব আহমেদ: 


















