হবিগঞ্জ ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে পার্টনার কংগ্রেসে পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কৃষি খাতের অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় Logo সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে পিআইবির আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন Logo চুনারুঘাটের কৃতি সন্তান স্বপন তরফদার বিজিবির সহকারী পরিচালক পদে পদন্নোতি পেলেন Logo চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে গোসল করতে গিয়ে ২দিন ধরে বৃদ্ধ নিখোঁজ Logo চুনারুঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ডিসি জি. এম. সরফরাজ Logo চুনারুঘাটে খোয়াই নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন কাজের উদ্বোধন করলেন ডিসি সরফরাজ Logo চুনারুঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo চুনারুঘাটে বিএসএফের অবৈধ পুশইনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের মানববন্ধন Logo চুনারুঘাটের কাজিরখিল বাজারে গ্রাম আদালতের বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo চুনারুঘাটে যাত্রা শুরু করল সিগনেচার ক্যাফে এন্ড বিস্ট্রোর নতুন স্ন্যাকস কর্নার

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

চুনারুঘাটের সুপরিচিত পল্লী চিকিৎসক, ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে খ্যাত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় জনপদে। তার স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জালালাবাদ গ্যাসের সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শামীম।

তিনি জানান, প্রথমে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের দেওয়া পোস্টে ধীরেন্দ্রর ছবি দেখে চিনতে পারেননি। দীর্ঘদিন দেখা না হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং চেহারার পরিবর্তনের কারণে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগে। পরে আবার ছবিটি ভালো করে দেখে তিনি ধীরেন্দ্রকে চিনতে পারেন এবং গভীরভাবে মর্মাহত হন।

স্মৃতিচারণে শহিদুল ইসলাম শামীম উল্লেখ করেন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চুনারুঘাটের ডি এন টেইলার্স, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেবিন ডেকোরেটার্সসহ বিভিন্ন স্থানে ধীরেন্দ্রর সঙ্গে তার দীর্ঘ সময়ের আড্ডা ও ঘোরাঘুরির অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরেন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও মানবিক একজন মানুষ। কোনো রোগীকে সিলেট, ঢাকা কিংবা ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে হলে তাকে জানালেই তিনি সঙ্গে চলে যেতেন। প্রয়োজন হলে মাসের পর মাস হাসপাতালে রোগীর পাশে থেকে সেবা দিতেন।

জানা যায়, ধীরেন্দ্রর বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। পেশায় তিনি পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। একসময় সাইকেল চালিয়ে নরপতি থেকে মিরাশী বাজার পর্যন্ত গিয়ে রোগী দেখতেন। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে চিকিৎসা দিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা পারিশ্রমিকে সেবা প্রদান করতেন। এ কারণেই তিনি এলাকায় ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শহিদুল ইসলাম শামীম তার পোস্টে ধীরেন্দ্রর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ধীরেন্দ্রর মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার মানবিক সেবার স্মৃতি আজও সবার হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে পার্টনার কংগ্রেসে পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কৃষি খাতের অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময়

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

আপডেট সময় ০৭:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

চুনারুঘাটের সুপরিচিত পল্লী চিকিৎসক, ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে খ্যাত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় জনপদে। তার স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জালালাবাদ গ্যাসের সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শামীম।

তিনি জানান, প্রথমে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের দেওয়া পোস্টে ধীরেন্দ্রর ছবি দেখে চিনতে পারেননি। দীর্ঘদিন দেখা না হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং চেহারার পরিবর্তনের কারণে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগে। পরে আবার ছবিটি ভালো করে দেখে তিনি ধীরেন্দ্রকে চিনতে পারেন এবং গভীরভাবে মর্মাহত হন।

স্মৃতিচারণে শহিদুল ইসলাম শামীম উল্লেখ করেন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চুনারুঘাটের ডি এন টেইলার্স, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেবিন ডেকোরেটার্সসহ বিভিন্ন স্থানে ধীরেন্দ্রর সঙ্গে তার দীর্ঘ সময়ের আড্ডা ও ঘোরাঘুরির অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরেন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও মানবিক একজন মানুষ। কোনো রোগীকে সিলেট, ঢাকা কিংবা ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে হলে তাকে জানালেই তিনি সঙ্গে চলে যেতেন। প্রয়োজন হলে মাসের পর মাস হাসপাতালে রোগীর পাশে থেকে সেবা দিতেন।

জানা যায়, ধীরেন্দ্রর বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। পেশায় তিনি পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। একসময় সাইকেল চালিয়ে নরপতি থেকে মিরাশী বাজার পর্যন্ত গিয়ে রোগী দেখতেন। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে চিকিৎসা দিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা পারিশ্রমিকে সেবা প্রদান করতেন। এ কারণেই তিনি এলাকায় ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শহিদুল ইসলাম শামীম তার পোস্টে ধীরেন্দ্রর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ধীরেন্দ্রর মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার মানবিক সেবার স্মৃতি আজও সবার হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।