হবিগঞ্জ ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিএনপির রাজনীতি করে সব হারানো খিজির খান, এখনও বৈষম্যের শিকার Logo চুনারুঘাটে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও ওজনে কম দেওয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত Logo চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জেরে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন Logo ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি Logo দেওরগাছ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: তরুণ ভোটারদের আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী মারুফ Logo চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল Logo দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

চুনারুঘাটের সুপরিচিত পল্লী চিকিৎসক, ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে খ্যাত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় জনপদে। তার স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জালালাবাদ গ্যাসের সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শামীম।

তিনি জানান, প্রথমে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের দেওয়া পোস্টে ধীরেন্দ্রর ছবি দেখে চিনতে পারেননি। দীর্ঘদিন দেখা না হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং চেহারার পরিবর্তনের কারণে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগে। পরে আবার ছবিটি ভালো করে দেখে তিনি ধীরেন্দ্রকে চিনতে পারেন এবং গভীরভাবে মর্মাহত হন।

স্মৃতিচারণে শহিদুল ইসলাম শামীম উল্লেখ করেন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চুনারুঘাটের ডি এন টেইলার্স, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেবিন ডেকোরেটার্সসহ বিভিন্ন স্থানে ধীরেন্দ্রর সঙ্গে তার দীর্ঘ সময়ের আড্ডা ও ঘোরাঘুরির অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরেন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও মানবিক একজন মানুষ। কোনো রোগীকে সিলেট, ঢাকা কিংবা ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে হলে তাকে জানালেই তিনি সঙ্গে চলে যেতেন। প্রয়োজন হলে মাসের পর মাস হাসপাতালে রোগীর পাশে থেকে সেবা দিতেন।

জানা যায়, ধীরেন্দ্রর বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। পেশায় তিনি পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। একসময় সাইকেল চালিয়ে নরপতি থেকে মিরাশী বাজার পর্যন্ত গিয়ে রোগী দেখতেন। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে চিকিৎসা দিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা পারিশ্রমিকে সেবা প্রদান করতেন। এ কারণেই তিনি এলাকায় ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শহিদুল ইসলাম শামীম তার পোস্টে ধীরেন্দ্রর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ধীরেন্দ্রর মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার মানবিক সেবার স্মৃতি আজও সবার হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির রাজনীতি করে সব হারানো খিজির খান, এখনও বৈষম্যের শিকার

গরীবের ডাক্তার ধীরেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন শহিদুল ইসলাম শামীম

আপডেট সময় ০৭:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

চুনারুঘাটের সুপরিচিত পল্লী চিকিৎসক, ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে খ্যাত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় জনপদে। তার স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জালালাবাদ গ্যাসের সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শামীম।

তিনি জানান, প্রথমে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের দেওয়া পোস্টে ধীরেন্দ্রর ছবি দেখে চিনতে পারেননি। দীর্ঘদিন দেখা না হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং চেহারার পরিবর্তনের কারণে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগে। পরে আবার ছবিটি ভালো করে দেখে তিনি ধীরেন্দ্রকে চিনতে পারেন এবং গভীরভাবে মর্মাহত হন।

স্মৃতিচারণে শহিদুল ইসলাম শামীম উল্লেখ করেন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চুনারুঘাটের ডি এন টেইলার্স, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেবিন ডেকোরেটার্সসহ বিভিন্ন স্থানে ধীরেন্দ্রর সঙ্গে তার দীর্ঘ সময়ের আড্ডা ও ঘোরাঘুরির অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরেন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও মানবিক একজন মানুষ। কোনো রোগীকে সিলেট, ঢাকা কিংবা ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে হলে তাকে জানালেই তিনি সঙ্গে চলে যেতেন। প্রয়োজন হলে মাসের পর মাস হাসপাতালে রোগীর পাশে থেকে সেবা দিতেন।

জানা যায়, ধীরেন্দ্রর বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। পেশায় তিনি পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। একসময় সাইকেল চালিয়ে নরপতি থেকে মিরাশী বাজার পর্যন্ত গিয়ে রোগী দেখতেন। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে চিকিৎসা দিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা পারিশ্রমিকে সেবা প্রদান করতেন। এ কারণেই তিনি এলাকায় ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শহিদুল ইসলাম শামীম তার পোস্টে ধীরেন্দ্রর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ধীরেন্দ্রর মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার মানবিক সেবার স্মৃতি আজও সবার হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।