হবিগঞ্জ ০৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু Logo হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩ Logo শায়েস্তাগঞ্জের বিশাউড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ Logo শ্রীমঙ্গলে গাতাবলা আর-রাফী মাদ্রাসার বার্ষিক শিক্ষা সফর সম্পন্ন Logo চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার Logo হবিগঞ্জের সুঘর গ্রামের বানবাসীদের মাঝে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র ত্রাণসামগ্রী বিতরণ Logo চুনারুঘাটের মেয়ে দীপ্তিতা দাশ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন

সীমান্তে পুশ-ইন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি, জনসচেতনতায় ঐক্যবদ্ধ সীমান্তবাসী

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কথিত পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে চুনারুঘাট সীমান্ত সহ হবিগঞ্জ জেলার সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। জেলার ১০৩ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ, স্থানীয় কৃষক, চা শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সমন্বয়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইনের প্রচেষ্টা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ১৬টি বিওপি থেকে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন টহল ও নজরদারি পরিচালিত হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় চা শ্রমিক, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ এবং আনসার-ভিডিপি সদস্যরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। এ সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে কোনো পুশ-ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির তথ্যমতে, গত ২৭ ও ২৮ জুন রাতে এবং ভোরে মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার তেলিয়াপাড়া ও গুইবিল সীমান্ত এলাকায় রাতের অন্ধকারে বিএসএফের সিকিউরিটি লাইট বন্ধ করে একাধিক পুশ-ইনের চেষ্টা করা হয়। তবে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) এসব প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তাৎক্ষণিক তথ্যও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন-হবিগঞ্জ সীমান্তে আমরা একা নই। বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, গ্রাম পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্থানীয় কৃষক, চা শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ সবাই মিলে একটি অটুট সেতুবন্ধন গড়ে তুলেছি। দেশের সীমান্ত রক্ষায় সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দেশপ্রেমই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সীমান্তে পুশ-ইন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি, জনসচেতনতায় ঐক্যবদ্ধ সীমান্তবাসী

আপডেট সময় ০৮:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কথিত পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে চুনারুঘাট সীমান্ত সহ হবিগঞ্জ জেলার সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। জেলার ১০৩ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ, স্থানীয় কৃষক, চা শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সমন্বয়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইনের প্রচেষ্টা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ১৬টি বিওপি থেকে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন টহল ও নজরদারি পরিচালিত হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় চা শ্রমিক, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ এবং আনসার-ভিডিপি সদস্যরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। এ সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে কোনো পুশ-ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির তথ্যমতে, গত ২৭ ও ২৮ জুন রাতে এবং ভোরে মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার তেলিয়াপাড়া ও গুইবিল সীমান্ত এলাকায় রাতের অন্ধকারে বিএসএফের সিকিউরিটি লাইট বন্ধ করে একাধিক পুশ-ইনের চেষ্টা করা হয়। তবে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) এসব প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তাৎক্ষণিক তথ্যও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন-হবিগঞ্জ সীমান্তে আমরা একা নই। বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, গ্রাম পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্থানীয় কৃষক, চা শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ সবাই মিলে একটি অটুট সেতুবন্ধন গড়ে তুলেছি। দেশের সীমান্ত রক্ষায় সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দেশপ্রেমই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।