বাহুবলের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মোঃ আবুল হোসেনে বিরুদ্ধে গোপনে সিন্ডিকেটে টিসিবি ডিলারশীপ নিয়োগ প্রক্রিয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ যেনো স্বৈরাচারের নয়া মডেল। বিগত ১৫ বছর আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকারের সুবিধাভোগী লোকজন সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প যেভাবে নিজদের মধ্য ভাগ-ভাটোয়ারা করে দূর্নীতির মহাসমুদ্র তৈরী করেছিল। ঠিক সে পথ যেনো এখনো অব্যহত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় বিগত স্বৈরাচারী সিন্ডিকেট ভেঙ্গে নতুন করে প্রত্যাশিদের জন্য টিসিবি ডিলার নিয়োগ করার উদ্যেগ নেয় প্রশাসন। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে এই ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো রকম সরকারী ঘোষনা না দিয়ে গোপনে নির্দিষ্ট একটি সিন্ডিকেটের হাতে ডিলারশিপ তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।
নিয়মনুসারে, এইরকম সরকারী কোনো প্রজেক্ট ড্রপ করার আগে ঘোষনা দেয়া হয় এমনকি পত্রিকা বা সোস্যাল নেটওয়ার্কে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয় যাতে করে নিয়োগ প্রত্যাশী সকলে আবেদন করতে পারে। কিন্তু বাহুবল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মোঃ আবুল হোসেন কেনো সেটা পাব্লিকলি না করে গোপনে শুধুমাত্র ফুড এর ওয়েবসাইটে নোটিশ দিয়ে ( যে ওয়েবসাইট সম্পর্কে ৯৯% মানুষই জানেনা) কেনো কোনোরকম গণ প্রচার না করে সম্পন্ন করতে গেলেন তা জনমনে ব্যপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে ।
এ ব্যাপারে স্থানীয় জনতা এবং সচেতন মহলের সাথে কথা বলতে গেলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
প্রকৃত ডিলার প্রত্যাশীরা বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্টের প্রেতাত্মারা এখনো সরকারের বিভিন্ন সেক্টরে ঘাপটি মেরে বসে আছে যার ফলাফল এই টিসিবি ডিলার নিয়োগের দূর্নীতি। এ বিষয়টি বাহুবল ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেস উপজেলা নির্বাহী অফিসার একজন অত্যন্ত সৎ এবং দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হলে অবশ্যই এর সুষ্ট সমাধান করে দিবেন এবং জনসুম্মখে সবার অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করে দিবেন।