হবিগঞ্জ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ২২ দিন অন্ধকারে থাকার পর ব্যারিস্টার সুমনের সহযোগিতায় বিদ্যুৎ সংযোগ পেল ৩৪ টি পরিবার Logo মাধবপুরে আগুনে পুড়ে ছাই হলো মিলনের বেঁচে থাকার অবলম্বন Logo চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাচনে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল Logo সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন Logo বিদ্যুৎপৃষ্ঠে নিহতের পরিবারের পাশে ব্যারিস্টার সুমন-এমপি Logo টেকনাফের ব্যাবসায়ী ৫শ’ পিছ ইয়াবাসহ চুনারুঘাটে গ্রেপ্তার Logo চুনারুঘাটে তীব্র দাবদাহে সুপেয় পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ Logo শেখ হাসিনার আধুনিক চিন্তা ধারায় বদলে গেল কৃষিখাত, ব্যারিস্টার সুমন Logo কথায় কথায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক তাদের কাম কি? মানুষের টাকা মেরে দেয়া, ব্যারিস্টার সুমন Logo বাহুবলে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা
ইউএনও নিকট অভিযোগ দায়ের

চুনারুঘাটে মুক্তিযোদ্ধার বিএডিসি’র অনুমোদন প্রাপ্ত সেচ নালা (খাল) বন্ধ করেছে দুর্বৃত্তরা

চুনারুঘাটে মুক্তিযোদ্ধার বিএডিসি’র অনুমোদন প্রাপ্ত সেচ নালা (খাল) বন্ধ করেছে দুর্বৃত্তরা ॥ ইউএনও নিকট অভিযোগ দায়ের
চুনারুঘাট প্রতিনিধি॥ চুনারুঘাটের বীর মুক্তিযোদ্ধা আফরোজ আহমেদের বিএডিসি’র অনুমোদন প্রাপ্ত সেচ পাম্পের সেচের নালা (খাল) জোরপূর্বকভাবে বন্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় মুক্তিযোদ্ধা আফরোজ আহমেদ চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার ৭নং উবাহাটা ইউনিয়নের দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আফরোজ আহমেদের অনুমোদন প্রাপ্ত ২টি সেচ পাম্প রয়েছে। তিনি প্রায় দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ ওই এলাকায় বোরো ধান আবাদ করতে পানি সরবরায় করে থাকেন।

কিন্ত সম্প্রতি তার অনুমোদন প্রাপ্ত সেচ পাম্পের সন্নিকটে দাসপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সহিদের ছেলে আব্দুল মজিদ একটি সেচ পাম্প বসানোর চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে গত ২৮ ডিসেম্বের ২৩ ইং তারিখে আফরোজ আহমেদ ইউএনওর কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ দায়ের পর থেকে উক্ত আবেদনের খবর শুনতে পেয়ে আব্দুল মজিদ, মোঃ ফারুক আহমেদ, সফিক আহমেদ, মোঃ রুবেল মিয়া, মোঃ তৌফিক মিয়া ও রকিব মিয়া সহ দুর্বৃত্তরা মুক্তিযোদ্ধার অনুমোদিত সেচ পাম্পের প্রায় ৩০০ হাত পানির নালা মাটি দ্বারা বন্ধ করে রাখে। উপরোক্ত লোকজন সেচ পাম্পের পানির নালা বন্ধ করে রাখায় আমার বোরো আবাদ ধান জমি সহ কৃষকের প্রায় ৪০ কের বোরো ধান্য জমিতে পানি সেচ করতে পারছেন না। পানির অভাবে ধান্য ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়াছে।

এই অবস্থায় আমি সহ এলাকার কৃষকগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এমতাবস্থায় সুষ্ট তদন্ত পূর্বক উপরোক্ত ব্যক্তিদের বন্ধ করা পানির নালা খোলা ও কোন ধরণের সেচ পাম্পের অনুমোদন না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান মুক্তিযোদ্ধা আফরোজ আহমেদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চারিপাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

২২ দিন অন্ধকারে থাকার পর ব্যারিস্টার সুমনের সহযোগিতায় বিদ্যুৎ সংযোগ পেল ৩৪ টি পরিবার

ইউএনও নিকট অভিযোগ দায়ের

চুনারুঘাটে মুক্তিযোদ্ধার বিএডিসি’র অনুমোদন প্রাপ্ত সেচ নালা (খাল) বন্ধ করেছে দুর্বৃত্তরা

আপডেট সময় ১১:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

চুনারুঘাটে মুক্তিযোদ্ধার বিএডিসি’র অনুমোদন প্রাপ্ত সেচ নালা (খাল) বন্ধ করেছে দুর্বৃত্তরা ॥ ইউএনও নিকট অভিযোগ দায়ের
চুনারুঘাট প্রতিনিধি॥ চুনারুঘাটের বীর মুক্তিযোদ্ধা আফরোজ আহমেদের বিএডিসি’র অনুমোদন প্রাপ্ত সেচ পাম্পের সেচের নালা (খাল) জোরপূর্বকভাবে বন্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় মুক্তিযোদ্ধা আফরোজ আহমেদ চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার ৭নং উবাহাটা ইউনিয়নের দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আফরোজ আহমেদের অনুমোদন প্রাপ্ত ২টি সেচ পাম্প রয়েছে। তিনি প্রায় দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ ওই এলাকায় বোরো ধান আবাদ করতে পানি সরবরায় করে থাকেন।

কিন্ত সম্প্রতি তার অনুমোদন প্রাপ্ত সেচ পাম্পের সন্নিকটে দাসপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সহিদের ছেলে আব্দুল মজিদ একটি সেচ পাম্প বসানোর চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে গত ২৮ ডিসেম্বের ২৩ ইং তারিখে আফরোজ আহমেদ ইউএনওর কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ দায়ের পর থেকে উক্ত আবেদনের খবর শুনতে পেয়ে আব্দুল মজিদ, মোঃ ফারুক আহমেদ, সফিক আহমেদ, মোঃ রুবেল মিয়া, মোঃ তৌফিক মিয়া ও রকিব মিয়া সহ দুর্বৃত্তরা মুক্তিযোদ্ধার অনুমোদিত সেচ পাম্পের প্রায় ৩০০ হাত পানির নালা মাটি দ্বারা বন্ধ করে রাখে। উপরোক্ত লোকজন সেচ পাম্পের পানির নালা বন্ধ করে রাখায় আমার বোরো আবাদ ধান জমি সহ কৃষকের প্রায় ৪০ কের বোরো ধান্য জমিতে পানি সেচ করতে পারছেন না। পানির অভাবে ধান্য ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়াছে।

এই অবস্থায় আমি সহ এলাকার কৃষকগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এমতাবস্থায় সুষ্ট তদন্ত পূর্বক উপরোক্ত ব্যক্তিদের বন্ধ করা পানির নালা খোলা ও কোন ধরণের সেচ পাম্পের অনুমোদন না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান মুক্তিযোদ্ধা আফরোজ আহমেদ।