হবিগঞ্জ ০২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চা-বাগান এলাকায় এই প্রথম বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলেন ব্যারিস্টার সুমন Logo এবার ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের জন্য নতুন রূপে চুনারুঘাটের পর্যটন এলাকাকে সাজালেন ব্যারিস্টার সুমন Logo সাম্যের ঈদ চাই !!  মো: মাহমুদ হাসান  Logo নিজের পালিত গরু এমপি সুমনকে উপহার দিলেন এক ভক্ত Logo শায়েস্তাগঞ্জে ইয়াবাসহ মুদি মাল ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo শ্রেষ্ঠ এএসআই চুনারুঘাট থানার মনির হোসেন Logo দ্বিতীয় গোপালগঞ্জে’ আওয়ামী বিরোধীদের উত্থানের নেপথ্যে কী? Logo চুনারুঘাটে আরো ৭১টি পরিবার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘর Logo চুনারুঘাটে ৭দিন ব্যাপী ভূমিসেবা সপ্তাহের উদ্বোধন  Logo ৪০ বছরের পুরাতন খোয়াই নদীতে স্পিডবোট ভাসালেন ব্যারিস্টার সুমন
সাংবাদিক এরশাদ আলী সংবাদ প্রকাশের পর

মাধবপুরের গৃহহীন বিধবা জবেদা শীঘ্রই ঘর পাবেন, ইউএনও মনজুর আহসান

  • মোঃ এরশাদ আলী :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর যাবত অন্যের বাড়ীতে আশ্রিত থাকা ভূমি ও গৃহহীন জবেদা খাতুনের পাশে দাঁড়িয়েছেন মাধবপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনজুর আহ্সান।

ফেসবুক লাইভ এবং বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়াই জবেদা খাতুনের অসহায়ত্ব নিয়ে মর্মভেদী ঘটনার কথা জানতে পেরে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ইউএনও আজ বুধবার (৩০ আগস্ট) জবেদা খাতুনকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে আনেন।

তিনি জবেদার জীবনের কষ্টের কথা শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং জবেদাকে তার পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জবেদাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড পাইয়ে দিতে উদ্যোগ গ্রহণ করেন।পরবর্তীতে সুবিধামতো সময়ে জবেদা খাতুনকে সারকারী আশ্রায়ণ প্রকল্পে আবাসনের সুবিধা প্রদান কিংবা খাস জমিতে ঘর নির্মান করে মাথা গোঁজার ঠাই করে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেন।

ইউএনও বলেন,’বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।এই মহিলাকে দেখলে যে কেউই তার দুঃখে দুঃখী হবে।’ তিনি এ বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরায় সাংবাদিকদেরও ধন্যবাদ জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক,দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি মোঃএরশাদ আলী,দৈনিক দেশরুপান্তর প্রতিনিধি জালাল উদ্দিন লস্কর ও দৈনিক শ্যামল সিলেট প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী।

উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এরশাদ আলী ইউএনও’র মানবিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দ্রুত সাড়া দিয়ে জবেদার পাশে দাঁড়ানোর জন্য ইউএনওকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের হবিবপুর গ্রামের হতদরিদ্র বিধবা জবেদা খাতুন নিজের জমিজমা ও ঘর না থাকায় গত ২০/২২ বছর ধরে অন্যের বাড়িতে আশ্রিত থেকে কায়ক্লেশে খেয়ে না খেয়ে একমাত্র প্রতিবন্ধী ছেলে নিয়ে দিনযাপন করছেন।

এ বিষয়টি গত মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিক এরশাদ আলী, জালাল উদ্দিন লস্কর ও নাহিদ মিয়া ফেসবুক লাইভে তুলে ধরেন।

পরদিন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি সামনে আসে। এই প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহ্সান সাংবাদিকদের মাধ্যমে জবেদা খাতুনকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে পাঠান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চারিপাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চা-বাগান এলাকায় এই প্রথম বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলেন ব্যারিস্টার সুমন

সাংবাদিক এরশাদ আলী সংবাদ প্রকাশের পর

মাধবপুরের গৃহহীন বিধবা জবেদা শীঘ্রই ঘর পাবেন, ইউএনও মনজুর আহসান

আপডেট সময় ০৬:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর যাবত অন্যের বাড়ীতে আশ্রিত থাকা ভূমি ও গৃহহীন জবেদা খাতুনের পাশে দাঁড়িয়েছেন মাধবপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনজুর আহ্সান।

ফেসবুক লাইভ এবং বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়াই জবেদা খাতুনের অসহায়ত্ব নিয়ে মর্মভেদী ঘটনার কথা জানতে পেরে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ইউএনও আজ বুধবার (৩০ আগস্ট) জবেদা খাতুনকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে আনেন।

তিনি জবেদার জীবনের কষ্টের কথা শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং জবেদাকে তার পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জবেদাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড পাইয়ে দিতে উদ্যোগ গ্রহণ করেন।পরবর্তীতে সুবিধামতো সময়ে জবেদা খাতুনকে সারকারী আশ্রায়ণ প্রকল্পে আবাসনের সুবিধা প্রদান কিংবা খাস জমিতে ঘর নির্মান করে মাথা গোঁজার ঠাই করে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেন।

ইউএনও বলেন,’বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।এই মহিলাকে দেখলে যে কেউই তার দুঃখে দুঃখী হবে।’ তিনি এ বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরায় সাংবাদিকদেরও ধন্যবাদ জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক,দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি মোঃএরশাদ আলী,দৈনিক দেশরুপান্তর প্রতিনিধি জালাল উদ্দিন লস্কর ও দৈনিক শ্যামল সিলেট প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী।

উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এরশাদ আলী ইউএনও’র মানবিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দ্রুত সাড়া দিয়ে জবেদার পাশে দাঁড়ানোর জন্য ইউএনওকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের হবিবপুর গ্রামের হতদরিদ্র বিধবা জবেদা খাতুন নিজের জমিজমা ও ঘর না থাকায় গত ২০/২২ বছর ধরে অন্যের বাড়িতে আশ্রিত থেকে কায়ক্লেশে খেয়ে না খেয়ে একমাত্র প্রতিবন্ধী ছেলে নিয়ে দিনযাপন করছেন।

এ বিষয়টি গত মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিক এরশাদ আলী, জালাল উদ্দিন লস্কর ও নাহিদ মিয়া ফেসবুক লাইভে তুলে ধরেন।

পরদিন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি সামনে আসে। এই প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহ্সান সাংবাদিকদের মাধ্যমে জবেদা খাতুনকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে পাঠান।