হবিগঞ্জ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩ Logo শায়েস্তাগঞ্জের বিশাউড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ Logo শ্রীমঙ্গলে গাতাবলা আর-রাফী মাদ্রাসার বার্ষিক শিক্ষা সফর সম্পন্ন Logo চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার Logo হবিগঞ্জের সুঘর গ্রামের বানবাসীদের মাঝে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র ত্রাণসামগ্রী বিতরণ Logo চুনারুঘাটের মেয়ে দীপ্তিতা দাশ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন Logo হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণ তদারকিতে খাদ্য বিভাগ Logo চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আনন্দপুর বাজারের চাল বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইউএনও

ডিসি জিএম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী

 

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. জি এম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী’।

ফুলের শুভ্রতা ও আন্তরিকতার উষ্ণতায় আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি ছিল সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক অনন্য মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ ইতিহাস, সাহিত্যচর্চা, ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, রীতি-নীতি ও ঐতিহ্য শুধু চুনারুঘাট বা হবিগঞ্জ নয়, সমগ্র দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক সহাবস্থান এবং মানবিক সমাজ নির্মাণের প্রত্যয়ের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজু সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সুধীজন ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ আয়োজনকে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন আরও জোরদার করতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে সম্মাননা, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক প্রাণবন্ত প্রকাশ; যেখানে সংবর্ধনা ছিল কেবল একজন কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং একটি সংস্কৃতিবান, মানবিক ও ঐতিহ্যনির্ভর সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকারও।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা

ডিসি জিএম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী

আপডেট সময় ১২:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

 

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. জি এম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী’।

ফুলের শুভ্রতা ও আন্তরিকতার উষ্ণতায় আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি ছিল সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক অনন্য মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ ইতিহাস, সাহিত্যচর্চা, ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, রীতি-নীতি ও ঐতিহ্য শুধু চুনারুঘাট বা হবিগঞ্জ নয়, সমগ্র দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক সহাবস্থান এবং মানবিক সমাজ নির্মাণের প্রত্যয়ের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজু সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সুধীজন ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ আয়োজনকে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন আরও জোরদার করতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে সম্মাননা, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক প্রাণবন্ত প্রকাশ; যেখানে সংবর্ধনা ছিল কেবল একজন কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং একটি সংস্কৃতিবান, মানবিক ও ঐতিহ্যনির্ভর সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকারও।