হবিগঞ্জ ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত Logo চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জেরে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন Logo ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি Logo দেওরগাছ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: তরুণ ভোটারদের আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী মারুফ Logo চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল Logo দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা Logo মিষ্টি ওজনে কম দেওয়ায় চুনারুঘাটে হোটেলকে জরিমানা Logo চুনারুঘাটে কোয়াবের ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন

ডিসি জিএম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী

 

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. জি এম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী’।

ফুলের শুভ্রতা ও আন্তরিকতার উষ্ণতায় আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি ছিল সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক অনন্য মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ ইতিহাস, সাহিত্যচর্চা, ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, রীতি-নীতি ও ঐতিহ্য শুধু চুনারুঘাট বা হবিগঞ্জ নয়, সমগ্র দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক সহাবস্থান এবং মানবিক সমাজ নির্মাণের প্রত্যয়ের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজু সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সুধীজন ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ আয়োজনকে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন আরও জোরদার করতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে সম্মাননা, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক প্রাণবন্ত প্রকাশ; যেখানে সংবর্ধনা ছিল কেবল একজন কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং একটি সংস্কৃতিবান, মানবিক ও ঐতিহ্যনির্ভর সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকারও।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত

ডিসি জিএম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী

আপডেট সময় ১২:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

 

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. জি এম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী’।

ফুলের শুভ্রতা ও আন্তরিকতার উষ্ণতায় আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি ছিল সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক অনন্য মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ ইতিহাস, সাহিত্যচর্চা, ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, রীতি-নীতি ও ঐতিহ্য শুধু চুনারুঘাট বা হবিগঞ্জ নয়, সমগ্র দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক সহাবস্থান এবং মানবিক সমাজ নির্মাণের প্রত্যয়ের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজু সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সুধীজন ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ আয়োজনকে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন আরও জোরদার করতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে সম্মাননা, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক প্রাণবন্ত প্রকাশ; যেখানে সংবর্ধনা ছিল কেবল একজন কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং একটি সংস্কৃতিবান, মানবিক ও ঐতিহ্যনির্ভর সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকারও।