হবিগঞ্জ ১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo চুনারুঘাটে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত Logo চুনারুঘাটে অগ্রগামী মডেল কেজি স্কুল ও পাঠাগারে নজরুল বর্ষ উদযাপন Logo এইচএসসি পরীক্ষায় চুনারুঘাটের কলেজগুলোতে পাসের হার ৪৪.৬৮%, মাদ্রাসায় ৬৮.০৬% Logo চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর যুবদলের বৃক্ষরোপণ Logo চুনারুঘাটে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বহিষ্কার Logo চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ

ডিসি জিএম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী

 

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. জি এম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী’।

ফুলের শুভ্রতা ও আন্তরিকতার উষ্ণতায় আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি ছিল সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক অনন্য মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ ইতিহাস, সাহিত্যচর্চা, ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, রীতি-নীতি ও ঐতিহ্য শুধু চুনারুঘাট বা হবিগঞ্জ নয়, সমগ্র দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক সহাবস্থান এবং মানবিক সমাজ নির্মাণের প্রত্যয়ের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজু সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সুধীজন ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ আয়োজনকে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন আরও জোরদার করতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে সম্মাননা, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক প্রাণবন্ত প্রকাশ; যেখানে সংবর্ধনা ছিল কেবল একজন কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং একটি সংস্কৃতিবান, মানবিক ও ঐতিহ্যনির্ভর সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকারও।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।

মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

ডিসি জিএম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী

আপডেট সময় ১২:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

 

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. জি এম সরফরাজ-কে সংবর্ধনা দিয়েছে চুনারুঘাটের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘ছয়শ্রী’।

ফুলের শুভ্রতা ও আন্তরিকতার উষ্ণতায় আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি ছিল সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক অনন্য মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ ইতিহাস, সাহিত্যচর্চা, ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, রীতি-নীতি ও ঐতিহ্য শুধু চুনারুঘাট বা হবিগঞ্জ নয়, সমগ্র দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক সহাবস্থান এবং মানবিক সমাজ নির্মাণের প্রত্যয়ের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজু সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সুধীজন ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ আয়োজনকে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন আরও জোরদার করতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে সম্মাননা, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক প্রাণবন্ত প্রকাশ; যেখানে সংবর্ধনা ছিল কেবল একজন কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং একটি সংস্কৃতিবান, মানবিক ও ঐতিহ্যনির্ভর সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকারও।