হবিগঞ্জ ০৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত Logo চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জেরে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন Logo ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি Logo দেওরগাছ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: তরুণ ভোটারদের আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী মারুফ Logo চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল Logo দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা Logo মিষ্টি ওজনে কম দেওয়ায় চুনারুঘাটে হোটেলকে জরিমানা Logo চুনারুঘাটে কোয়াবের ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে দুটি গাছ কাটা নিয়ে তদন্তে নেমেছে বন বিভাগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে থেকে চুরেরা সেগুনগাছ কাটার ঘটনায় তদন্তে নেমেছে বন বিভাগ।  গতকাল সোমবার  (১৮ মে) সকালে সিলেটের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বনকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মির্জা মেহেদী সারোয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

গত শুক্রবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে গাছ চুরির সংবাদ প্রকাশিত হলে তিন দিন পর বন বিভাগ সরেজমিন তদন্তে নামে। তদন্তে গিয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা উদ্যানের ভেতরে কাটা গাছের গোড়া ও বিভিন্ন আলামত পরিদর্শন করেন।

এর আগে রবিবার সরেজমিনে উদ্যানে গিয়ে দেখা যায়, শতবর্ষী বিশাল দুটি সেগুনগাছ কেটে নেওয়ার পর পড়ে রয়েছে শুধু মোটা গোড়া এবং চারপাশে ছড়িয়ে থাকা করাতের গুঁড়া।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে গত দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ একটি চক্র উদ্যানের ভেতর থেকে মূল্যবান সেগুনগাছ কেটে নিয়ে গেছে। এতে পরিবেশপ্রেমী ও সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

গাছ কাটার বিষয়ে উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান,  আমি যোগদানের তিন মাসের মাথায় কয়েকদিন আগে মাত্র দুটি গাছ চুরি হয়েছে। চুরেরা শব্দহীন ইলেকট্রিক করাত দিয়ে কেটেছে। ফলে আমরা কোন ধরনের সাড়াশব্দ পাইনি।

এ বিষয়ে বিভাগীয় বনকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মির্জা মেহেদী সারোয়ার জানান, “আমরা সরেজমিন তদন্ত করে দুটি গাছ চুরির সত্যতা পেয়েছি। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।”

স্থানীয় সমাজকর্মী অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ বলেন,  অবিলম্বে বনাঞ্চলে নজরদারি জোরদার, জড়িতদের শনাক্ত এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে জাতীয় উদ্যানের বনসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে দুটি গাছ কাটা নিয়ে তদন্তে নেমেছে বন বিভাগ

আপডেট সময় ০৮:০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে থেকে চুরেরা সেগুনগাছ কাটার ঘটনায় তদন্তে নেমেছে বন বিভাগ।  গতকাল সোমবার  (১৮ মে) সকালে সিলেটের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বনকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মির্জা মেহেদী সারোয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

গত শুক্রবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে গাছ চুরির সংবাদ প্রকাশিত হলে তিন দিন পর বন বিভাগ সরেজমিন তদন্তে নামে। তদন্তে গিয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা উদ্যানের ভেতরে কাটা গাছের গোড়া ও বিভিন্ন আলামত পরিদর্শন করেন।

এর আগে রবিবার সরেজমিনে উদ্যানে গিয়ে দেখা যায়, শতবর্ষী বিশাল দুটি সেগুনগাছ কেটে নেওয়ার পর পড়ে রয়েছে শুধু মোটা গোড়া এবং চারপাশে ছড়িয়ে থাকা করাতের গুঁড়া।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে গত দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ একটি চক্র উদ্যানের ভেতর থেকে মূল্যবান সেগুনগাছ কেটে নিয়ে গেছে। এতে পরিবেশপ্রেমী ও সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

গাছ কাটার বিষয়ে উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান,  আমি যোগদানের তিন মাসের মাথায় কয়েকদিন আগে মাত্র দুটি গাছ চুরি হয়েছে। চুরেরা শব্দহীন ইলেকট্রিক করাত দিয়ে কেটেছে। ফলে আমরা কোন ধরনের সাড়াশব্দ পাইনি।

এ বিষয়ে বিভাগীয় বনকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মির্জা মেহেদী সারোয়ার জানান, “আমরা সরেজমিন তদন্ত করে দুটি গাছ চুরির সত্যতা পেয়েছি। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।”

স্থানীয় সমাজকর্মী অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ বলেন,  অবিলম্বে বনাঞ্চলে নজরদারি জোরদার, জড়িতদের শনাক্ত এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে জাতীয় উদ্যানের বনসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়।