হবিগঞ্জ ০৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ Logo চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু Logo সহপরিবারে ওমরাহ হজ্বে গেলেন চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী জহির আহমেদ Logo চুনারুঘাটে বৃহস্পতিবার নাশিদ সন্ধ্যা, অংশ নেবেন জনপ্রিয় শিল্পী ও ক্বারী Logo হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

চুনারুঘাটেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলগাঁও স: প্রা: বি: সহকারী শিক্ষক বশীর আহমেদ সাময়িক বরখাস্ত

চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের গোলগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা বশীর আহমেদকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিষয়টি গতকাল (২০ মার্চ) বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: শাহ আলম। তিনি জানান, বশীর আহমেদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ সদরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার উপর হামলা মামলায় গ্রেপ্তারের পর ১৯ মার্চ চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মামলা চলাকালীন তিনি শুধু খোরাকি ভাতা পাবেন। বশীর আহমেদ চুনারুঘাট উপজেলার আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে বশীর আহমেদ স্কুল ফাঁকি দিয়ে আওয়ামী লীগের সভা মঞ্চ, মিটিং, মিছিল সহ বিভিন্ন প্রোগ্রামে ব্যস্ত থাকেন। নিয়মিত স্কুলে না আসলেও মাঝেমধ্যে স্কুলে আসেন দুপুরে কিংবা স্কুল ছুটির সময়। কেউ প্রতিবাদ করার সুযোগ নেই। যদি কেউ প্রতিবাদ করতো তাহলে তাকে বদলি ও দেখে নেওয়ার হুমকি দিতেন।

তার এই রাজত্ব কায়েমের খুঁটির জোর ছিলেন কতিপয় নেতা। রাজনীতিতে রং না বদলালেও নেতা বদলাতে পারদর্শী তিনি।

আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী, হবিগঞ্জ জেলা অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী, চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল আলম রুবেল, মানিক সরকার সহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর ঘনিষ্ঠ সহচর বলে বলে দাবী করতেন। এছাড়াও আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে উল্লেখিত নেতাদের নাম জঙ্গিয়ে দেড় যুগেরও বেশি সময় রাজত্ব আলীর নাম চষে বেড়ানোর পর যখন তিনি ফেইল করেন এর পর সাবেক এমপি এমপি ব্যারিস্ট ব্যারিস্টার সুমনের সাথে ছবি তুলে ফেইসবুকে পোস্ট করে নিজের বন্ধু দাবী করেন বশীর।

এমকি ব্যারিস্টার সুমনের হুমকি দিয়েও বিভিন্ন অফিসে গিয়ে করতেন তদবির বাণিজ্য। আওয়ামীলীগ ও জেলার নেতার প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসারদের সাথে করতেন অসদাচরণ।

অবৈধ চাহিদা পূরণ না করলে দেয়া হতো বদলির হুমকি। প্রায় সময় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকে ফেইসবুকে ছাড়তেন ছবি। যাহা সংশ্লিষ্টদের নজরে আসলে তাকে নিয়মিত নিয়মিত স্কুলে যেতে বলা হয়। কিন্তু তিনি এমন অনুরোধের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠতেন।

অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনের সময় বশীর মিয়ার নেতৃত্বে হবিগঞ্জ শহরে হামলা চালানো হয়। চুনারুঘাটে চাকুরী করলেও রাজনীতি কারার কারণে জেলায় থাকেন তিনি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে

চুনারুঘাটেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলগাঁও স: প্রা: বি: সহকারী শিক্ষক বশীর আহমেদ সাময়িক বরখাস্ত

আপডেট সময় ০৪:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫

চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের গোলগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা বশীর আহমেদকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিষয়টি গতকাল (২০ মার্চ) বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: শাহ আলম। তিনি জানান, বশীর আহমেদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ সদরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার উপর হামলা মামলায় গ্রেপ্তারের পর ১৯ মার্চ চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মামলা চলাকালীন তিনি শুধু খোরাকি ভাতা পাবেন। বশীর আহমেদ চুনারুঘাট উপজেলার আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে বশীর আহমেদ স্কুল ফাঁকি দিয়ে আওয়ামী লীগের সভা মঞ্চ, মিটিং, মিছিল সহ বিভিন্ন প্রোগ্রামে ব্যস্ত থাকেন। নিয়মিত স্কুলে না আসলেও মাঝেমধ্যে স্কুলে আসেন দুপুরে কিংবা স্কুল ছুটির সময়। কেউ প্রতিবাদ করার সুযোগ নেই। যদি কেউ প্রতিবাদ করতো তাহলে তাকে বদলি ও দেখে নেওয়ার হুমকি দিতেন।

তার এই রাজত্ব কায়েমের খুঁটির জোর ছিলেন কতিপয় নেতা। রাজনীতিতে রং না বদলালেও নেতা বদলাতে পারদর্শী তিনি।

আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী, হবিগঞ্জ জেলা অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী, চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল আলম রুবেল, মানিক সরকার সহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর ঘনিষ্ঠ সহচর বলে বলে দাবী করতেন। এছাড়াও আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে উল্লেখিত নেতাদের নাম জঙ্গিয়ে দেড় যুগেরও বেশি সময় রাজত্ব আলীর নাম চষে বেড়ানোর পর যখন তিনি ফেইল করেন এর পর সাবেক এমপি এমপি ব্যারিস্ট ব্যারিস্টার সুমনের সাথে ছবি তুলে ফেইসবুকে পোস্ট করে নিজের বন্ধু দাবী করেন বশীর।

এমকি ব্যারিস্টার সুমনের হুমকি দিয়েও বিভিন্ন অফিসে গিয়ে করতেন তদবির বাণিজ্য। আওয়ামীলীগ ও জেলার নেতার প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসারদের সাথে করতেন অসদাচরণ।

অবৈধ চাহিদা পূরণ না করলে দেয়া হতো বদলির হুমকি। প্রায় সময় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকে ফেইসবুকে ছাড়তেন ছবি। যাহা সংশ্লিষ্টদের নজরে আসলে তাকে নিয়মিত নিয়মিত স্কুলে যেতে বলা হয়। কিন্তু তিনি এমন অনুরোধের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠতেন।

অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনের সময় বশীর মিয়ার নেতৃত্বে হবিগঞ্জ শহরে হামলা চালানো হয়। চুনারুঘাটে চাকুরী করলেও রাজনীতি কারার কারণে জেলায় থাকেন তিনি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ