হবিগঞ্জ ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত Logo চুনারুঘাটে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo হবিগঞ্জ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জেরে পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের হামলায় আহত ৪ জন Logo ঢাকার হামলা মামলার জেরে বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি Logo দেওরগাছ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: তরুণ ভোটারদের আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী মারুফ Logo চুনারুঘাটের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এমপি ফয়সল Logo দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা Logo মিষ্টি ওজনে কম দেওয়ায় চুনারুঘাটে হোটেলকে জরিমানা Logo চুনারুঘাটে কোয়াবের ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন

বিচার চাইলে আল্লাহর কাছে চাই: মামলা করবো না-নিহত প্রীতির বাবা

  • আলোকিত ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২
  • ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

খিলগাঁওয়ের বান্ধবী সুমাইয়ার বাসায় ছিলেন সামিয়া আফরান প্রীতি (১৯)। রাতে বাসায় ফিরছিলেন। পথে খবর পান মামা এসেছেন বাসায়। নিজেদের দুই রুমের বাসা, থাকায় সমস্যা মনে করে পুনরায় বান্ধবীর সঙ্গে খিলগাঁওয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন। এসময় রাজধানীর শাহজাহানপুরে ইসলামিয়া হাসপাতালের সামনে গুলিবিদ্ধ হন প্রীতি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবার প্রীতির মৃত্যুর খবর পান রাত ১২ টার দিকে।

প্রীতির বাবা বলেন, মেয়ের হত্যার বিচার চাই না। মামলা চালানোর মতো অবস্থাও নেই। আমরা নিরীহ মানুষ। বিচার চাইলে আল্লাহর কাছে চাই। তিনিই বিচার করবেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রীতিদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। সেখানে যাতায়াত কম। বাবার চাকরিসূত্রে ঢাকায় থাকে তার পরিবার।

প্রীতির বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, মিরপুর-২ এ একটি কোম্পানির ফ্যাক্টরির প্রডাকশনে চাকরি করি। বেতন বেশি পাই না। অনেক কষ্টে মেয়ে প্রীতি ও ছেলে সোহায়েব জামাল সামি ও স্ত্রীকে নিয়ে পশ্চিম শান্তিবাগের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকি।

মেয়ে হত্যার বিচার চান কিনা ও মামলা করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা করবো না। মামলা পরিচালনা করার মতো অবস্থা ও সুযোগ আমার নাই৷ কোনো বিবাদে জড়াতে চাই না। কেউ যদি সহযোগিতা করে সেটা ভিন্ন বিষয়।

তিনি বলেন, প্রীতি বদরুন্নেসা কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে পড়ে। পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে প্রীতি নিজে চাকরির চেষ্টা করছিল৷ ১৫ হাজার টাকায় একটা অফিসে চাকরি নিয়েছিল। সামনের মাসে জয়েন করার কথা ছিল মেয়েটার। কিন্তু সেটা আর হলো না।

তিনি বলেন, তিন বছর আগে বাবাকে হারিয়েছে স্ত্রী হোসনে আরা। রাতে মেয়েকেও হারাল। স্ত্রীকে কোনো কিছু বলে বোঝানো যাচ্ছে না। সন্তানহারা স্ত্রীর মুখের দিকে তাকাতে পারছি না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে দলিল লেখক রিংকুর বাড়ি থেকে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ২ নারী মুচলেকায় মুক্ত

বিচার চাইলে আল্লাহর কাছে চাই: মামলা করবো না-নিহত প্রীতির বাবা

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২

খিলগাঁওয়ের বান্ধবী সুমাইয়ার বাসায় ছিলেন সামিয়া আফরান প্রীতি (১৯)। রাতে বাসায় ফিরছিলেন। পথে খবর পান মামা এসেছেন বাসায়। নিজেদের দুই রুমের বাসা, থাকায় সমস্যা মনে করে পুনরায় বান্ধবীর সঙ্গে খিলগাঁওয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন। এসময় রাজধানীর শাহজাহানপুরে ইসলামিয়া হাসপাতালের সামনে গুলিবিদ্ধ হন প্রীতি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবার প্রীতির মৃত্যুর খবর পান রাত ১২ টার দিকে।

প্রীতির বাবা বলেন, মেয়ের হত্যার বিচার চাই না। মামলা চালানোর মতো অবস্থাও নেই। আমরা নিরীহ মানুষ। বিচার চাইলে আল্লাহর কাছে চাই। তিনিই বিচার করবেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রীতিদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। সেখানে যাতায়াত কম। বাবার চাকরিসূত্রে ঢাকায় থাকে তার পরিবার।

প্রীতির বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, মিরপুর-২ এ একটি কোম্পানির ফ্যাক্টরির প্রডাকশনে চাকরি করি। বেতন বেশি পাই না। অনেক কষ্টে মেয়ে প্রীতি ও ছেলে সোহায়েব জামাল সামি ও স্ত্রীকে নিয়ে পশ্চিম শান্তিবাগের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকি।

মেয়ে হত্যার বিচার চান কিনা ও মামলা করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা করবো না। মামলা পরিচালনা করার মতো অবস্থা ও সুযোগ আমার নাই৷ কোনো বিবাদে জড়াতে চাই না। কেউ যদি সহযোগিতা করে সেটা ভিন্ন বিষয়।

তিনি বলেন, প্রীতি বদরুন্নেসা কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে পড়ে। পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে প্রীতি নিজে চাকরির চেষ্টা করছিল৷ ১৫ হাজার টাকায় একটা অফিসে চাকরি নিয়েছিল। সামনের মাসে জয়েন করার কথা ছিল মেয়েটার। কিন্তু সেটা আর হলো না।

তিনি বলেন, তিন বছর আগে বাবাকে হারিয়েছে স্ত্রী হোসনে আরা। রাতে মেয়েকেও হারাল। স্ত্রীকে কোনো কিছু বলে বোঝানো যাচ্ছে না। সন্তানহারা স্ত্রীর মুখের দিকে তাকাতে পারছি না।