হবিগঞ্জ ০৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo চুনারুঘাটে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত Logo চুনারুঘাটে অগ্রগামী মডেল কেজি স্কুল ও পাঠাগারে নজরুল বর্ষ উদযাপন Logo এইচএসসি পরীক্ষায় চুনারুঘাটের কলেজগুলোতে পাসের হার ৪৪.৬৮%, মাদ্রাসায় ৬৮.০৬% Logo চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর যুবদলের বৃক্ষরোপণ Logo চুনারুঘাটে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বহিষ্কার Logo চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ

তেল-পেঁয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উচ্চ দামে নাভিশ্বাস

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:০২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মার্চ ২০২২
  • ৪১৫ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সময়ে তেল-পেঁয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উচ্চ দামে নাভিশ্বাস উঠেছে। এমন অবস্থা হয়েছে যে জনসাধারনের ক্রয় ক্ষমাতার বাহিরে চলে গেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারেও চলছে অস্থিরতা। সবজির বাজার নিয়ে এ সপ্তাহেও স্বস্তি মেলেনি ক্রেতাদের।

সবজির বাজারের অস্থিরতা নিয়ে বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় রোজার আগেই সবজি বাজারে অস্থিরতা চলছে। যা রোজা শুরু হলে আরও বাড়তে পারে। প্রতি সপ্তাহে কোনো না কোনো সবজির দাম বেড়েই চলছে।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, কোনো বাজারেই তারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারছেন না। সবজির বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা আশা করলেও অন্যসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো সবজির বাজারের অস্থিরতাও তাদের নাভিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে।

আজ শুক্রবার (১১ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরবাড্ডা ও শাহজাদপুর কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, বিচিযুক্ত শিম গত সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বিচি ছাড়া শিম ৪০-৪৫ টাকা, কয়েক সপ্তাহে আগে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া আলু এখন ২০ টাকা। রোজার শুরু আগেই কাঁচামরিচ ও ধনিয়াপাতা পৌঁছেছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকায়। টমেটো মান অনুযায়ী ৪০-৫০ টাকা কেজি, মান ও আকার অনুযায়ী বেগুন কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহে মাঝারি সাইজের লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা করে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে, লেবুর হালি ৪০ টাকার থেকে ৫০ টাকায় পৌঁছেছে। ফুলকপি প্রতিটি ৫০ টাকা, বরবটি মান অনুযায়ী ৮০-১২০ টাকা কেজি, ঝিঙ্গা কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা কেজি, উস্তের কেজি ১২০ টাকা, শসা কেজিপ্রতি ৬০ ও করলা ১৪০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচকলা হালি প্রতি ৪০, এক মুঠো লাল ও পালংক শাক ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শাহজাদপুরের কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, সবজির সরবরাহ ঠিক আছে। বাজারে প্রচুর সবজি রয়েছে। তবে বিষয় হচ্ছে যে, জমি থেকে সরাসরি সবজি খুচরা বাজারে আসে না। দুই-তিন হাত ঘুরে সবজি খুচরা বাজারে আসে। ওই ২-৩ হাত ঘুরার সময়ই সবজির দাম বেড়ে যায়। পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমাদের বলছেন, এখন নাকি পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই দাম বেশি।

উত্তরবাড্ডা কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা মো. আনোয়ার বলেন, এই অস্থিরতা শেষ এখানেই শেষ নয়, রোজার শুরুতে সবজি বাজারের অস্থিরতা আরও দেখা যাবে। বিশেষ করে কাঁচামরিচ, ধনিয়াপাতা থেকে শুরু করে সালাদে ব্যবহার হওয়া সব সবজির দাম আরও বাড়বে। এছাড়া বেগুন ও আলুর দামে বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে।

শাহজাদপুর কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা শাহআলম শেখ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় এমন একটা পণ্যও নেই যার দাম বাড়তি নয়। আবার সামনে রোজার মাস। ওই সময়েও ব্যবসায়ীরা নানা অপকৌশলে দাম বাড়িয়ে দেবে। এভাবে বাজারের অস্থিরতা চলছে, কিন্তু বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো পদক্ষেপ নেই।

সূত্র: নয়া শতাব্দী

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।

মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

তেল-পেঁয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উচ্চ দামে নাভিশ্বাস

আপডেট সময় ০৬:০২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মার্চ ২০২২

বর্তমান সময়ে তেল-পেঁয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উচ্চ দামে নাভিশ্বাস উঠেছে। এমন অবস্থা হয়েছে যে জনসাধারনের ক্রয় ক্ষমাতার বাহিরে চলে গেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারেও চলছে অস্থিরতা। সবজির বাজার নিয়ে এ সপ্তাহেও স্বস্তি মেলেনি ক্রেতাদের।

সবজির বাজারের অস্থিরতা নিয়ে বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় রোজার আগেই সবজি বাজারে অস্থিরতা চলছে। যা রোজা শুরু হলে আরও বাড়তে পারে। প্রতি সপ্তাহে কোনো না কোনো সবজির দাম বেড়েই চলছে।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, কোনো বাজারেই তারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারছেন না। সবজির বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা আশা করলেও অন্যসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো সবজির বাজারের অস্থিরতাও তাদের নাভিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে।

আজ শুক্রবার (১১ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরবাড্ডা ও শাহজাদপুর কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, বিচিযুক্ত শিম গত সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বিচি ছাড়া শিম ৪০-৪৫ টাকা, কয়েক সপ্তাহে আগে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া আলু এখন ২০ টাকা। রোজার শুরু আগেই কাঁচামরিচ ও ধনিয়াপাতা পৌঁছেছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকায়। টমেটো মান অনুযায়ী ৪০-৫০ টাকা কেজি, মান ও আকার অনুযায়ী বেগুন কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহে মাঝারি সাইজের লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা করে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে, লেবুর হালি ৪০ টাকার থেকে ৫০ টাকায় পৌঁছেছে। ফুলকপি প্রতিটি ৫০ টাকা, বরবটি মান অনুযায়ী ৮০-১২০ টাকা কেজি, ঝিঙ্গা কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা কেজি, উস্তের কেজি ১২০ টাকা, শসা কেজিপ্রতি ৬০ ও করলা ১৪০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচকলা হালি প্রতি ৪০, এক মুঠো লাল ও পালংক শাক ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শাহজাদপুরের কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, সবজির সরবরাহ ঠিক আছে। বাজারে প্রচুর সবজি রয়েছে। তবে বিষয় হচ্ছে যে, জমি থেকে সরাসরি সবজি খুচরা বাজারে আসে না। দুই-তিন হাত ঘুরে সবজি খুচরা বাজারে আসে। ওই ২-৩ হাত ঘুরার সময়ই সবজির দাম বেড়ে যায়। পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমাদের বলছেন, এখন নাকি পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই দাম বেশি।

উত্তরবাড্ডা কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা মো. আনোয়ার বলেন, এই অস্থিরতা শেষ এখানেই শেষ নয়, রোজার শুরুতে সবজি বাজারের অস্থিরতা আরও দেখা যাবে। বিশেষ করে কাঁচামরিচ, ধনিয়াপাতা থেকে শুরু করে সালাদে ব্যবহার হওয়া সব সবজির দাম আরও বাড়বে। এছাড়া বেগুন ও আলুর দামে বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে।

শাহজাদপুর কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা শাহআলম শেখ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় এমন একটা পণ্যও নেই যার দাম বাড়তি নয়। আবার সামনে রোজার মাস। ওই সময়েও ব্যবসায়ীরা নানা অপকৌশলে দাম বাড়িয়ে দেবে। এভাবে বাজারের অস্থিরতা চলছে, কিন্তু বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো পদক্ষেপ নেই।

সূত্র: নয়া শতাব্দী