ওয়েলসের প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার ও “ডিভলিউশনের জনক” হিসেবে পরিচিত প্রয়াত রডরি মর্গানের স্মরণে কার্ডিফ বে এলাকায় তাঁর একটি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়েছে। সেনেড ভবন ও ঐতিহাসিক পিয়ারহেড বিল্ডিংয়ের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত ভাস্কর্যটি এখন থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
শনিবার (১২ জুলাই ) দুপুরে সাবেক মন্ত্রী জেন হাটের সঞ্চালনায় আয়োজিত উন্মোচন অনুষ্ঠানে ওয়েলসের রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব, মর্গান পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং শত শত সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ওয়েলস সরকারের ডেপুটি ফার্স্ট মিনিস্টার হু ইরানকা-ডেভিস, সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার মার্ক ড্রেকফোর্ড, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মার্ক ড্রেকফোর্ডের উত্তরসূরি এলিনেড মরগান, মর্গানের স্ত্রী জুলি মর্গান, কার্ডিফের লর্ড মেয়র এবং রডরি মর্গান ট্রাস্টের প্রতিনিধিরা।
পিয়ারহেড বিল্ডিংয়ের সামনে স্থাপিত ভাস্কর্যে রডরি মর্গানকে তাঁর প্রিয় কুকুর টেলের সঙ্গে সেনেডের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। সাধারণ পোশাকে ও মাটির সমতলে স্থাপিত এ ভাস্কর্য তাঁর জনঘনিষ্ঠ ও আড়ম্বরহীন রাজনৈতিক জীবনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বক্তারা রডরি মর্গানকে ওয়েলশ ডিভলিউশনের অন্যতম প্রধান স্থপতি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাঁর নেতৃত্বেই নবগঠিত সেনেড স্থিতিশীলতা অর্জন করে এবং ওয়েলসের স্বতন্ত্র নীতি ও পরিচয় বিকাশের পথ সুগম হয়।
দীর্ঘ আট বছরের পরিকল্পনা ও তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে নির্মিত ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন খ্যাতিমান ভাস্কর অ্যান্ডি এডওয়ার্ডস। এটি পাউইসের ক্যাসল ফাইন আর্টস ফাউন্ড্রিতে ঢালাই করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রডরি মর্গান ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে তাঁর মৃত্যু হলেও ওয়েলসের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর অবদান আজও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
জেসমিন মনসুর, ওয়েলস ইউকে: 

















