হবিগঞ্জ ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মামা নিহত, ভাগনে আহত Logo ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়ে চুনারুঘাট পৌরসভার অভিযান অব্যাহত Logo চুনারুঘাটের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস Logo চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযানে বালুভর্তি ২ ইজিবাইক জব্দ Logo দক্ষিণাচরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন মসজিদ নির্মাণে ২০১০ ব্যাচের ৪৫ হাজার টাকা অনুদান Logo চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও ভিডিও প্রদর্শনী Logo শানখলা ইউনিয়নে উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম Logo চুনারুঘাটে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চুনারুঘাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু Logo চুনারুঘাটে প্রশাসনের জব্দকৃত সিলিকা বালু পাচারের চেষ্টা, ট্রাকচালকের ২ মাসের কারাদণ্ড

কর্তৃব্যরত ডাক্তারদের চিকিৎসা সেবায় অবহেলা, দুর্নীতিতে চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম

আজমিরীগঞ্জের প্রাণ কেন্দ্রে উপস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। লক্ষাধিক মানুষের সেবার একমাত্র আশ্রয়স্থল আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।

কিছু দিন পূর্বে শিশু সন্তান কে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন হরিধর সরকার। উপজেলা শিবপাশা ইউনিয়ন থেকে সকাল আনুমানিক ৮ ঘঠিকায় সেবা নিতে আসেন তিনি।

বাচ্চাকে ভর্তি দেন জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড বয় দায়িত্ব থাকা জুয়েল রায়।ভর্তির ফরম পূরণ করার পর দাবি করেন দুইশত টাকা। না দিলে ভর্তি ফরম দিতে চাননি জুলেয় রায়। বাধ্য হয়ে দুইশত টাকা দেন দিন মজুর হরিধর সরকার।

গত সপ্তাহে চিকিৎসা নিতে আসেন বাক প্রতিবন্ধী মুস্তাকিম মিয়া। দায়িত্ব থাকা ডাক্তার টেস্ট করানোর জন্য বললেন থাকে। টেস্টের জন্য ল্যাবে গেলে দেখা মিলে দুপুর আনুমানিক বারোটায় তালা ঝুলানো। নির্ধারিত সময়ের আগেই দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান ল্যাব টেকনোলজিস্ট।

এবিষয়ে জরুরি বিভাগে থাকা কর্মকর্তা কে জিজ্ঞেস করলে জানান উনি চলে গেছেন। আরো অনিয়মের তথ্য রয়েছে তার বিরুদ্ধে। যোগদানের পর থেকেই অবহেলা আর অনিয়মে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার সরজমিনে দেখা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডাক্তার শূন্য। ডাক্তার চেম্বারে ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা দিচ্ছেন একজন নার্স। ডাক্তারের সেবা নিতে রোগীরা ঘুরছে এক ভবন থেকে অন্য ভবনে। অনেকেই হতায় ক্লান্ত হয়ে ফিরছে বাড়ী। একজন কনসালটেন্ট প্রতি রবিবার ও বুধবার আসেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে তিনি সকাল দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে আসলেও সিলেট থেকে এসে হাজিরা দিয়ে বারো ঘঠিকার মধ্যেই চলে যান। রিপোর্ট নিয়ে অনেক রোগী উপজেলা বিভিন্ন স্থান থেকে আসলে দেখতে পারিনি উনাকে।

ডেন্টাল বিভাগের সামনে গিয়ে দেখা মিলে বাহিরে দরজা লাগানো। খোঁজ নিয়ে জানা যায় ডাক্তার থাকলেও তিনি ভিতরে দরজা বন্ধ করে কাজ করেন। হাসপাতালে প্রতিটি সেক্টরে নানা অনিয়ম দূর্নীতিতে চলছে সেবা প্রদান।

কর্মকর্তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতে নারাজ সেবা নিতে আসা রোগীরা। নাম গোপন রেখে একজন সেবা নিতে আসা রোগী জানান তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে উনারা সঠিক চিকিৎসা দেননা। কবে এসব থেকে মুক্তি পাব আল্লাহ ভালো জানেন।

এসব বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: ইকবাল হোসেন আমার দেশকে মুঠোফোনে জানান আমি টাকা নেওয়ার বিষয়ে প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যাবস্থা নিব। কেউ যদি দায়িত্ব অবহেলা করেন তাদের বিরুদ্ধে উর্ধতন কর্মকর্তা সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ডেন্টাল বিভাগের ডাক্তার নতুন তাকে সঠিক দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ করা হবে। দরজায় থালা ঝুলানো বিষয়ে তিনি অবগত নন,যদি এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় ল্যাব টেকনোলজিস্টের বিরুদ্ধে যাথাযত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মামা নিহত, ভাগনে আহত

কর্তৃব্যরত ডাক্তারদের চিকিৎসা সেবায় অবহেলা, দুর্নীতিতে চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আজমিরীগঞ্জের প্রাণ কেন্দ্রে উপস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। লক্ষাধিক মানুষের সেবার একমাত্র আশ্রয়স্থল আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।

কিছু দিন পূর্বে শিশু সন্তান কে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন হরিধর সরকার। উপজেলা শিবপাশা ইউনিয়ন থেকে সকাল আনুমানিক ৮ ঘঠিকায় সেবা নিতে আসেন তিনি।

বাচ্চাকে ভর্তি দেন জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড বয় দায়িত্ব থাকা জুয়েল রায়।ভর্তির ফরম পূরণ করার পর দাবি করেন দুইশত টাকা। না দিলে ভর্তি ফরম দিতে চাননি জুলেয় রায়। বাধ্য হয়ে দুইশত টাকা দেন দিন মজুর হরিধর সরকার।

গত সপ্তাহে চিকিৎসা নিতে আসেন বাক প্রতিবন্ধী মুস্তাকিম মিয়া। দায়িত্ব থাকা ডাক্তার টেস্ট করানোর জন্য বললেন থাকে। টেস্টের জন্য ল্যাবে গেলে দেখা মিলে দুপুর আনুমানিক বারোটায় তালা ঝুলানো। নির্ধারিত সময়ের আগেই দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান ল্যাব টেকনোলজিস্ট।

এবিষয়ে জরুরি বিভাগে থাকা কর্মকর্তা কে জিজ্ঞেস করলে জানান উনি চলে গেছেন। আরো অনিয়মের তথ্য রয়েছে তার বিরুদ্ধে। যোগদানের পর থেকেই অবহেলা আর অনিয়মে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার সরজমিনে দেখা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডাক্তার শূন্য। ডাক্তার চেম্বারে ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা দিচ্ছেন একজন নার্স। ডাক্তারের সেবা নিতে রোগীরা ঘুরছে এক ভবন থেকে অন্য ভবনে। অনেকেই হতায় ক্লান্ত হয়ে ফিরছে বাড়ী। একজন কনসালটেন্ট প্রতি রবিবার ও বুধবার আসেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে তিনি সকাল দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে আসলেও সিলেট থেকে এসে হাজিরা দিয়ে বারো ঘঠিকার মধ্যেই চলে যান। রিপোর্ট নিয়ে অনেক রোগী উপজেলা বিভিন্ন স্থান থেকে আসলে দেখতে পারিনি উনাকে।

ডেন্টাল বিভাগের সামনে গিয়ে দেখা মিলে বাহিরে দরজা লাগানো। খোঁজ নিয়ে জানা যায় ডাক্তার থাকলেও তিনি ভিতরে দরজা বন্ধ করে কাজ করেন। হাসপাতালে প্রতিটি সেক্টরে নানা অনিয়ম দূর্নীতিতে চলছে সেবা প্রদান।

কর্মকর্তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতে নারাজ সেবা নিতে আসা রোগীরা। নাম গোপন রেখে একজন সেবা নিতে আসা রোগী জানান তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে উনারা সঠিক চিকিৎসা দেননা। কবে এসব থেকে মুক্তি পাব আল্লাহ ভালো জানেন।

এসব বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: ইকবাল হোসেন আমার দেশকে মুঠোফোনে জানান আমি টাকা নেওয়ার বিষয়ে প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যাবস্থা নিব। কেউ যদি দায়িত্ব অবহেলা করেন তাদের বিরুদ্ধে উর্ধতন কর্মকর্তা সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ডেন্টাল বিভাগের ডাক্তার নতুন তাকে সঠিক দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ করা হবে। দরজায় থালা ঝুলানো বিষয়ে তিনি অবগত নন,যদি এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় ল্যাব টেকনোলজিস্টের বিরুদ্ধে যাথাযত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।