হবিগঞ্জ ০১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু Logo সহপরিবারে ওমরাহ হজ্বে গেলেন চুনারুঘাটের ব্রাদার্স ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী জহির আহমেদ Logo চুনারুঘাটে বৃহস্পতিবার নাশিদ সন্ধ্যা, অংশ নেবেন জনপ্রিয় শিল্পী ও ক্বারী Logo হবিগঞ্জে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন Logo এক রাতে পাশাপাশি ৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সার্কেল এএসপি Logo মিরাশী ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল মনাফ মিয়া Logo জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ইউএনও মেহেদী হাসানের Logo মাদক-অপরাধ দমনে চুনারুঘাটে পুলিশের নজরদারি বাড়ছে Logo ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন

চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চা বাগান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ফাহিম চৌধুরী (২০) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর দুই বন্ধু মাহি (১৯) ও শুভ (২২) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর এলাকায় আমুরোড-আমু চা বাগান সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ফাহিম চৌধুরী উপজেলার বিলপাড় গ্রামের রাসেল মিয়ার ছেলে। গতকাল রোববার রাতে তিনি দুই বন্ধু দুধপাতিল গ্রামের মাহি ও বিলপাড় গ্রামের শুভকে নিয়ে আমু চা বাগানে ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে রাত ১২টার দিকে তাঁরা একই মোটরসাইকেলে করে আসামপাড়ার দিকে ফিরছিলেন।

পথে ঘনশ্যামপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিমকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মাহি ও শুভকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে দুর্ঘটনার পর চুনারুঘাটের সীমান্তবর্তী ও চা বাগানসংলগ্ন সড়কগুলোতে রাতের বেলায় বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত এসব সড়কে একদল তরুণকে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই মোটরসাইকেল চালানোর অভিযোগও রয়েছে।

ঘনশ্যামপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, গভীর রাতে তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো নতুন কিছু নয়। এমন আচরণের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সড়কে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় সচেতন মহল রাতের বেলায় গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পুলিশের টহল ও চেকপোস্ট জোরদার করার পাশাপাশি বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা যেতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু

চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের, আশঙ্কাজনক দুই বন্ধু

আপডেট সময় ০১:০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চা বাগান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ফাহিম চৌধুরী (২০) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর দুই বন্ধু মাহি (১৯) ও শুভ (২২) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর এলাকায় আমুরোড-আমু চা বাগান সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ফাহিম চৌধুরী উপজেলার বিলপাড় গ্রামের রাসেল মিয়ার ছেলে। গতকাল রোববার রাতে তিনি দুই বন্ধু দুধপাতিল গ্রামের মাহি ও বিলপাড় গ্রামের শুভকে নিয়ে আমু চা বাগানে ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে রাত ১২টার দিকে তাঁরা একই মোটরসাইকেলে করে আসামপাড়ার দিকে ফিরছিলেন।

পথে ঘনশ্যামপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিমকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মাহি ও শুভকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে দুর্ঘটনার পর চুনারুঘাটের সীমান্তবর্তী ও চা বাগানসংলগ্ন সড়কগুলোতে রাতের বেলায় বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত এসব সড়কে একদল তরুণকে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই মোটরসাইকেল চালানোর অভিযোগও রয়েছে।

ঘনশ্যামপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, গভীর রাতে তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো নতুন কিছু নয়। এমন আচরণের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সড়কে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় সচেতন মহল রাতের বেলায় গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পুলিশের টহল ও চেকপোস্ট জোরদার করার পাশাপাশি বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা যেতে পারে।